দুর্গাপুর , ৮ই ফেব্রুঃ : - ৯ইফেব্রুঃ ব্রিগেড চলো আহ্বানে এবং রাজ্যে টেট
দূর্নীতি, মহিলাদের উপর আক্রমনের বিরুদ্ধে ও গনতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে , ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডাঃ –এর দুর্গাপুর বি-জোন
১ ও ২ নং আঞ্চলিক কমিটির পক্ষ থেকে চণ্ডীদাস বাজারে এক পথসভার আয়োজন করা হয় । বক্তব্য
রাখেন , ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডাঃ –এর দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির সদস্য কমঃ অঞ্জন
রায় ও ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডাঃ –এর বর্ধমান জেলা কমিটির প্রাক্তন সভাপতি কমঃ কবি
ঘোষ । সভাপতিত্ব করেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডাঃ –এর দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির
সভাপতি কমঃ সুমন্ত্র ব্যানার্জী ।
Saturday, 8 February 2014
Thursday, 6 February 2014
৯ই ফেব্রুঃ ব্রিগেড চলো , সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গড়ে তোল প্রতিরোধ
দুর্গাপুর , ৬ই ফেব্রুঃ : ৯ই ফেব্রুঃ ব্রিগেড চলো , পঃ বঙ্গ জুড়ে তৃণমূল যে
খুন-সন্ত্রাস – ধর্ষনের রাজত্ব কায়েম করছে , সারদা-টেট সহ বিভিন্ন দূর্নীতিতে নিমজ্জমান
মমতা ব্যান্যার্জীর সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে , ভারতের কমিউনিষ্ট
পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১-এ জোনাল কমিটির ডাকে দুটি পৃথক বড় মিছিল যথাক্রমে
ইস্পাতনগরীর বি-জোন ও সেইল সমবায়ের বিভিন্ন স্হান পরিক্রমা করে । মিছিলের শেষে যথাক্রমে
চন্ডীদাস বাজার ও কবিগুরুর দ্বিতীয় বাস-স্টপে দুটি পৃথক পথ সভায় বক্ত্যব্য রাখেন যথাক্রমে
কমঃ সলিল দাসগুপ্ত ও স্বপন মজুমদার । বক্তারা সারা পঃ বঙ্গ জুড়ে তৃণমূলের নেতৃত্বে
যে ভয়ংকর সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের রাজত্ব চলেছে , কেন্দ্রের কং-সরকারের জন-বিরোধী নীতি এবং
বিজেপি-র নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক শক্তির উথ্থানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে সামিল
হতে এবং সেই লক্ষ্যে ৯ই ফেব্রুঃ ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করার আবেদন জানান । বহু পথচলিতি
মানুষ দাঁড়িয়ে থেকে বক্ত্যব্য শোনেন ।
Monday, 3 February 2014
ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ৭০ – বৎসর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত দু – দিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হোল
দুর্গাপুর , ৩রা ফেব্রুঃ : সর্বসাধারনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা উদযাপন কমিটির
উদ্যোগে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ৭০ – বৎসর পূর্তি
উপলক্ষ্যে আয়োজিত দু – দিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানের আজ
সমাপ্তি হোল । আজ অনুষ্ঠিত হোল নাট্য
প্রতিযোগীতা । স্হানীয় চিল্ড্রেন্স অ্যাকাডেমীর শ্যামল ঘোষ ও শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়
মঞ্চে উপস্হাপিত হয় ১১টি শ্রুতি ও স্বল্প দৈর্ঘের
নাটক ও অন্তরঙ্গ থিয়েটার । সমগ্র বর্ধমান জেলা থেকে মোট ৬টি দল নাট্য প্রতিযোগীতায়
অংশ গ্রহন করে । দুটি মঞ্চের উদ্বোধন করেন যথাক্রমে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের বর্ধমান জেলার
সভাপতি ও সম্পাদক শ্রী মৃদুল সেন এবং শ্রী অভিজিৎ মিত্র । অনুষ্ঠানে , বর্ধমান জেলার
বিশিষ্ট নাট্য-ব্যাক্তিত্ব শ্রী সুনীল দাস-কে সম্বর্দ্ধিত করা হয় ।
Sunday, 2 February 2014
ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ৭০-বৎসর পূর্তি উপলক্ষ্যে সর্বসাধারনের জন্য দু-দিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ।
দুর্গাপুর , ২রা ফেব্রুঃ – সর্বসাধারনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা উদযাপন কমিটির
উদ্যোগে , আজ থেকে শুরু হোল ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ৭০-বৎসর পূর্তি উপলক্ষ্যে দু-দিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা । এই উপলক্ষ্যে
ইস্পাতনগরীর ১নং বিদ্যাসাগর এভিন্যুতে বি টি রণদিভে ভবনে এক সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের
মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগীতা শুরু হয় । অনুষ্ঠানের সূচনা হয় গণনাট্য সংঘের পতাকা উত্তোলনের
মধ্য দিয়ে । পতাকা উত্তোলন করেন ভারতীয় গণনাট্য সংঘের বর্ধমান জেলার সভাপতি শ্রী মৃদুল
সেন । উদ্বোধনী ভাষনে শ্রী মৃদুল সেন বলেন যে মেহেনতী মানুষের সংগ্রাম প্রগতিশীল সংস্কৃতি
ব্যতিরেক হয় না । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – নজরুল ইসলামের মহান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের যোগ্য উত্তরসূরী ভারতীয় গণনাট্য সংঘ মেহেনতী
মানুষের সংগ্রামের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সৃজনশীল শিল্প সৃষ্টি করে চলেছে । তাই বারে বারে
শাসকশ্রেনীর আক্রমনের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতীয় গণনাট্য সংঘকে । কিন্তু আক্রমনের মুখেও
ভারতীয় গণনাট্য সংঘ তার পতাকা উড্ডীন রেখে পুঁজিবাদী – সাম্রজ্যবাদী পচাগলা ভোগ-সর্বস্ব
পলায়নকামী সংস্কৃতির বিকল্প সুস্হ সংস্কৃতি প্রসারে সৃজনশীল শিল্প সৃষ্টির প্রতি দায়বদ্ধ । অভ্যর্থনা
সমিতির পক্ষে শ্রমিকনেতা ও প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শ্রী জীবন রায় বলেন যে গণনাট্য
সংঘ ভারতের হাজার হাজার বছরের ঐতিহ্যশীল সংস্কৃতির সাথে প্রগতিশীলতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে
জনগনের জন্য যে শিল্প সৃষ্টি করেছে তা স্বাধীনোত্তর ভারতে শিল্প সচেতনার ভিত্তিভূমি
তৈরি করেছে আর এই ভিত্তিভূমি সৃষ্টি করছে বহু কালজয়ী শিল্পী ও শিল্পকর্ম । শ্রী রায়
আশাপ্রকাশ করেন যে আগামীদিনে ভারতীয় গণনাট্য সংঘ ভারত তথা সারা বিশ্বের প্রগতি শিল্প-সংস্কৃতি
আন্দোলনকে একই ভাবে নতুন শিল্প সৃষ্টিতে উজ্জীবিত করবে । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্হিত
ছিলেন ভারতীয় গণনাট্য সংঘের বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক শ্রী অভিজিত মিত্র , রমেন
দাস , অভিজিত ঘোষ , সুজাতা ভট্টাচার্য , অশোক দাস সহ বহু বিশিষ্ট শিল্পী ও সাংস্কৃতিক
আন্দোলনের নেতৃত্ব । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ উপজাতি নৃত্য পরিবেশন করেন পঃ বঙ্গ
আদিবাসী ও লোক শিল্পী সংঘের শিল্পীরা ।
সর্বসাধারনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা
উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী আশীষতরু চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে এই প্রতিযোগীতায়
সমগ্র বর্ধমান জেলা থেকে ২০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহন করেছেন । তিনি আরও জানান যে , গণসংগীত
প্রতিযোগীতা হবে অজিত পান্ডে মঞ্চে , একক গানের
প্রতিযোগীতা হবে মান্না দে মঞ্চে , আবৃতি প্রতিযোগীতা
হবে ঝর্ণা দাসগুপ্ত – তমাল দাসগুপ্ত মঞ্চে এবং নৃত্য প্রতিযোগীতা হবে জ্যোতিরিন্দ্র
মৈত্র মঞ্চে । আগামীকাল চিল্ড্রেন্স অ্যাকাডেমীর মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে নাট্য প্রতিযোগীতা
।
Saturday, 1 February 2014
তৃণমূল সরকার পঃ বঙ্গের ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও ক্ষতি করছে – বিমান বসু
দুর্গাপুর , ১লা ফেব্রুঃ – আগামী ৯ই ফেব্রুঃ ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করার আহ্বান
জানিয়ে আজ বামফ্রন্টের ডাকে স্হানীয় পলাশডিহার পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মূ ময়দানে এক
বিশাল জনসভায় বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান কমরেড বিমান বসু অভিযোগ করেন যে বিগত ৩২ মাস ধরে
, রাজ্যের তৃণমূল সরকার সার্বিক ভাবে ব্যর্থ হয়েছে ।পঃ বঙ্গে কল-কারখানায় কালো দিন
নেমে এসেছে । কৃষিতেও অভূতপূর্ব সংকট তৈরি করেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার । বামপন্হী কর্মী
ও নেতৃত্বের উপর ভয়ংকর আক্রমন চালানোর সাথে সাথে , সাধারন মানুষের জীবন-জীবিকার উপরও
আক্রমন চালাছ্ছে তৃণমূলীরা । রাজ্যে , ক্রমবর্ধমান নৈরাজ্যের জন্য কমরেড বসু মমতা ব্যানার্জীর
সরকারের অপদার্থতাকে দায়ী করেন । একই সাথে কমরেড বিমান বসু তৃণমূল সরকারের একের পর
এক আর্থিক কেলেংকারির কথা উল্ল্যখ করে বলেন যে সাম্প্রতিক টেট্ কেলেংকারি পঃ বঙ্গের
শিক্ষাক্ষেত্রে সূদুরপ্রসারি ক্ষতি করবে । কেবলমাত্র তৃণমূলের নেতা-নেত্রী – এমএলএ
দের নিকট আত্নীয় হওয়ার সুবাদে , শিক্ষাগত যোগ্যতার গুনমানকে নস্যাৎ করে তাদের কে শিক্ষক
নিয়োগ করা হচ্ছে । এরফলে , পঃ বঙ্গের ভবিষ্যত প্রজন্মকে শিক্ষাগত দিক থেকে পঙ্গু করে
দেওয়া হবে বলে , কমরেড বিমান বসু আশংকা প্রকাশ করেন । একই সাথে কমরেড বসু বলেন যে
, আগামী লোকসভা নির্বাচনে নেতা নয় নীতির জন্য লড়াই হবে । বামপন্হীরা কংগ্রেসের
জনবিরোধী নয়া উদার অর্থনীতি ও বিজেপি-র সাম্প্রদায়িকতা - উভয়ের বিরুদ্ধেই লড়াই চালাবে ।
এর আগে , জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক
কমঃ অমল হালদার সভায় রাখেন । তিনি বলেন যে তৃণমূল কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে , বামপন্হী
হওয়ার অপরাধে কেবলমাত্র দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় ৩৫০০ সিআইটিইউ সদস্যের কাজ কেড়ে
নিয়েছে । নতুন কারখানা হচ্ছে না । চালু কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে । জেলায় বন্ধ হয়ে যাওয়া
রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা MAMC সহ অন্যান্য কারখানাগুলি চালু করার জন্য বামপন্হী এমপি-রা
আপ্রান চেষ্টা চালালেও , তৃণমূল সরকার নিষ্ক্রিয়
।
এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন , দুর্গাপুরের
সাংসদ কমঃ সাইদুল হক , নরেন চ্যাট্যার্জী ( ফঃ বঃ ) , জগৎ দত্ত ( আরএসপি ) , আর সি
সিং ( সিপিআই ) । সভাপতিত্ব করেন কমঃ রথীন রায় ।
এদিকে , আজ সকালে , সিপিআই(এম)-এর
কর্মীরা মুচিপাড়া অঞ্চলে জাতীয় সড়কে লাল পতাকা বাঁধ ছিলেন , তখন পুলিশের সামনেই , খোকন রুইদাসের নেতৃত্বে একদল তৃণমূলী দুষ্কৃতি
আক্রমন চালায় । এই ঘটনায় , সিপিআই(এম)-এর সগরভাঙ্গা লোক্যাল কমিটির সম্পাদক সৌমেন চক্রবর্তী
আহত হয়েছেন । এর প্রতিবাদে , সিপিআই(এম)-এর কর্মীরা জাতীয় সড়ক জিটি রোড অবরোধ করলে , পুলিশের সামনেই
তৃণমূলী দুষ্কৃতি আবার আক্রমন চালায় । সিপিআই(এম)-এর পক্ষ থেকে এই হামলার ঘটনা সম্পর্কে
পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়ছে ।
Saturday, 25 January 2014
লাভপুর গনধর্ষন সহ রাজ্যে খুন – সন্ত্রাস ও ধর্ষনরাজের প্রতিবাদে সরব হল দুর্গাপুর ইস্পাতের কারখানার শ্রমিকরা ~
দুর্গাপুর , ২৫শে জানুঃ – আজ , দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার অভ্যন্তরে প্ল্যান্ট
সিভিলে , লাভপুরে আদিবাসী যুবতীর গনধর্ষন সহ গোটা পঃ বঙ্গে জুড়ে মহিলাদের উপর এবং বিরোধী
রাজনৈতিক কর্মী , বিশেষ করে বামপন্হীদের উপর নৃশংস আক্রমন নেমে এসেছে শাসকদল তৃণমূল
কংগ্রেসের নেতৃত্বে , তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ
ইউনিয়নের ( HSEU ) DSP-শাখার পক্ষ থেকে এক শ্রমিক-কনভেনশনের আয়োজন করা হয় । ব্যপক সংখ্যায়
শ্রমিকের উপস্হিতিতে কনভেনশন কার্যতঃ সভার রূপ নেয় । কমঃ স্বপন মজুমদার বলেন যে , পার্ক
স্ট্রীট থেকে লাভপুর - সর্বত্র তৃণমূল সরকার ব্যর্থ হয়েছে মহিলাদের ইজ্জত রক্ষা করতে
। পুলিশ নিষ্ক্রিয় । সেই সুযোগে , তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদতে সমাজবিরোধীরা
দাপিয়ে বেড়াচ্ছে , মেয়েদের ইজ্জত লুঠ করছে , তোলাবাজির রাজ কায়েম করছে । আর এই সমাজবিরোধীদের
তৃণমূল ব্যবহার করছে উপর এবং বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী , বিশেষ করে বামপন্হীদের উপর নৃশংস
হামলা চালানোর জন্য , শ্রমিক আন্দোলন দমন করার
জন্য । এই নৈরাজ্য প্রতিরোধে শ্রমিকদের এগিয়ে আসার জন্য তিনি আহ্বান জানান । কনভেনশনে
সভাপতিত্ব করেন কমঃ কাজল মজুমদার ।
Subscribe to:
Posts (Atom)