Monday, 21 July 2014

শহীদ কমরেড নীরদ মন্ডলের স্মরনসভা পালিত হল ।

        


দুর্গাপুর , ২১শে : আজ , ইস্পাতনগরী দুর্গাপুর সংলগ্ন কমলপুরে , সারা ভারত কৃষকসভার পারুলিয়া অঞ্চল কমিটির পক্ষ থেকে শহীদ কমরেড নীরদ মন্ডলের স্মরনে সভা করা হল কমলপুর বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে । ১৯৮৪ সালে আজকের দিনে কংগ্রেসী ঘাতকবাহিনী নৃশংসভাবে খুন করেছিল কৃষকসভার আগুসারির কর্মী কমরেড নীরদ মন্ডলকে । শহীদবেদীতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে সভার কাজ শুরু হয় । প্রধান বক্তা ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য  কমঃ নির্মল ভট্টাচার্য বলেন যে , সমাজ পরিবর্তনের লড়াইএ সামিল বামপন্হীরা মৃত্যুকে ভয় পায় না । সেদিন কমঃ নীরদ মন্ডল প্রান দিয়েছিলেন বামফ্রন্টকে রক্ষা করতে , আজকে পঃ বঙ্গে বামপন্হীরা খুন হচ্ছেন , আক্রান্ত হচ্ছেন , তৃণমূলের হাতে ভুলুন্ঠিত গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার লড়াইএ নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে । কিন্তু যতই আক্রমন করা হোক ,  বামপন্হীরা নতজানু হবে না , মেহেনতী মানুষের স্বার্থে শক্তিশালী  গন-আন্দোলন গড়ে তুলবেন।কমঃ নির্মল ভট্টাচার্য আরও বলেন যে , যতই প্রচার করা হোক , এই গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার লড়াইএর ঝান্ডা বিজেপি বহন করতে পারে না কারন তারা ভারতের কর্পোরেট শক্তি ও সাম্প্রদায়িক শক্তির মেলবন্ধনে তৈরি সেই কট্টর শক্তি , যারা তৃণমূলের মতই মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার ও রুটিরুজির লড়াই এর ভয়ংকর বিরোধী ।  এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন কমঃ কাজল চ্যাটার্জী ও অজিত মন্ডল । সভাপতিত্ব করেন কমঃ ধীরাজ দাস । 




Saturday, 19 July 2014

কমরেড জ্যোতি বসুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা ।

দুর্গাপুর , ১৯শে জুলাই : আজ , ইস্পাতনগরীর আশীষ-জব্বর ভবনে ,  কমরেড জ্যোতি বসুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতের কম্যুনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১বি জোনাল কমিটির উদ্যোগে ,” কমরেড জ্যোতি বসুর জীবনালোকে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য “ শীর্ষক    আলোচনাসভা  অনুষ্ঠিত হয় । আলোচনা করেন ভারতের কম্যুনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র পঃ বঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্য কমঃ রথীন রায় । তিনি বলেন যে কমরেড জ্যোতি বসুর নেতৃত্ব পার্টি সঠিক মতাদর্শগত অবস্হান থেকে , ভারতের সংসদীয় গনতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে শ্রমিক-কৃষকের মৈত্রীকে ভিত্তি করে  যে শক্তিশালী গন-আন্দোলন গড়ে তুলেছে , তা বিশ্ব কম্যুনিষ্ট আন্দোলনে অন্যন্য নজীর সৃষ্টি করেছে । দুর্গাপুরের শক্তিশালী শ্রমিক-কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য কমরেড জ্যোতি বসুর অসামান্য অবদানের কথাও তিনি উল্ল্যেখ করেন । সভাপতিত্ব করেন কমঃ সুশান্ত ব্যানার্জী । 



Friday, 18 July 2014

অবিলম্বে বকেয়া দাবীপূরন ও একতরফা ভাবে বিদ্যুৎ-বাড়ীভাড়া বৃদ্ধির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ-সমাবেশ ।

 দুর্গাপুর , ১৮ই জুলাই : আজ  ,  দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ইডি ওয়ার্কসে , হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিউ ) এর ডাকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ব্যাপক সংখ্যায় শ্রমিকরা  বিক্ষোভ-সমাবেশে অংশ গ্রহন করেছেন । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার উৎপাদন রেকর্ড পরিমানে বৃদ্ধি পেলেও , দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের  বিভিন্ন ন্যায়সংগত বকেয়া  দাবীদাওয়ার পূরনের বিষয়ে উদাসীন । ক্যান্টিন ভাতা , নতুন ইনসেনটিভ স্কীম ও ডিপিআই পুনরায় চালু করার মত ন্যায্য দাবীগুলির বিষয়ে  টালবাহানার মধ্যেই কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে  বিদ্যুৎ-বাড়ীভাড়ার উপরে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে বিদ্যুৎ-বাড়ীভাড়া বৃদ্ধির অপচেষ্টা করছে । আজকের সমাবেশে , ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষের এইধরনের আচরনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করে , অবিলম্বে বকেয়া দাবী পূরন না করা হলে ,বৃহত্তর লড়াইএর ডাক হয় এবং স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় বিদ্যুৎ-বাড়ীভাড়া বৃদ্ধির কর্তৃপক্ষের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় । কমঃ ললিত মিশ্রের নেতৃত্বে ইউনিয়নের এক প্রতিনিধিদল ইডি ওয়ার্কসের কাছে এই বিষয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেয় এবং ফিরে এসে সভাকে আলোচনার বিষয়ে বক্তব্য রাখেন । এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কমঃ অরুন চৌধুরী ও কাজল মজুমদার । সভাপতিত্ব করেন কমঃ কাজল মজুমদার 

Wednesday, 16 July 2014

বিশ্ব কমিইনিষ্ট আন্দোলনের মতাদর্শগত বিভ্রান্তির যুগে কমরেড জ্যোতি বসুর নেতৃত্বে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী ) সঠিক মতাদর্শগত অবস্হান গ্রহন ও প্রয়োগে সফল হয়ছিল : কমঃ অরিন্দম কোঙার

  
         


দুর্গাপুর , ১৬ই জুলাই : কমরেড জ্যোতি বসুর জন্ম-শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ও কমরেড বিটি রণদিভের স্মরণে , ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির উদ্যোগে গত এক বৎসর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে ।  আজ এই উপলক্ষ্যে , ইস্পাতনগরীর বি’জোনের দেশবন্ধু ভবনে ,” কমরেড জ্যোতি বসুর কর্মধার আলোকে বর্তমান পরিস্হিতে আমাদের করনীয় কাজ “ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা আয়োজন করা হয় । আলোচক ছিলেন  ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমঃ অরিন্দম কোঙার । ভারতের কমিউনিষ্ট আন্দোলন এবং শ্রমিক আন্দোলনের এই মহান নেতৃত্বদ্বয়ের সাথে দুর্গাপুরের সম্পর্ক বিশেষ করে ইস্পাত শ্রমিক আন্দোলনের ওতপ্রোত সম্পর্ক ছিল । সেই সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির পক্ষ থেকে ,” দুই কিংবদন্তি ও সংগ্রামী দুর্গাপুর  “ নামে এক স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়েছে । সেই স্মরণিকা কমঃ অরিন্দম কোঙারের হাতে তুলে দেন ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির সম্পাদক কমঃ সন্তোষ দেবরায় । ভীড়ে ঠাসা এই সভায় সভাপতিত্ব করেন কমঃ সন্তোষ দেবরায় । 

      










Friday, 4 July 2014

প্রকাশ্যে খুন-ধর্ষনের উস্কানিদাতা তৃণমূলী সাংসদ তাপস পালের বিরুদ্ধে ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরের মহিলারা থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন ।

                                      


দুর্গাপুর , ৪ঠা জুলাই : পরিবর্তনের জমানায়  পঃ বঙ্গে জুড়ে এখন খুন – ধর্ষন – সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে । এহ বাহ্য , তৃণমূলী সাংসদ তাপস পাল প্রকাশ্য জনসভায় ফ্যাসিবাদী কায়দায় , সিপিআইএম কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে খুন-ধর্ষনের জন্য তৃনমূলীদের আহ্বান জানাচ্ছেন । সাংসদ তাপস পালের এই অপরাধমূলক সর্বনাশা ভয়ংকর আইনবিরুদ্ধ কাজের বিরুদ্ধে আজ দুর্গাপুর থানায় ( অরবিন্দ এ্যাভিন্যু )  ভারতের গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং অবিলম্বে ঐ সাংসদের গ্রেফ্তারের দাবী জানানো হয়েছে । থানায় উপস্হিত হয়েছিলেন , কমঃ আল্পনা চৌধুরী , শুভ্রা গাঙ্গুলী , অপর্ণা পাল সহ অন্যান্য মহিলা নেতৃবৃন্দ এবং সাধারন মহিলারা ।


Thursday, 3 July 2014

খুন-ধর্ষনের উস্কানিদাতাকে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী আশ্রয় দিচ্ছে কেন ? – প্রশ্ন করছে ইস্পাতনগরীর মহিলারা ।

                                 


দুর্গাপুর , ৩রা জুলাই : বামপন্হীদের বিরুদ্ধে খুন ও ধর্ষনকে  রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করার পক্ষে  প্রকাশ্যেই ভয়ংকর প্রচার চালাচ্ছে কৃষ্ণনগরের  তৃণমূলী সাংসদ তাপস পাল । সেই খুন-ধর্ষনের উস্কানিদাতাকে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী আশ্রয় দিচ্ছে কেন ? এই প্রশ্নে আজ আসমুদ্র হিমাচল জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে । সেই প্রতিবাদের ঝড় আছড়ে পড়েছে  ইস্পাতনগরীতেও ।  প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে , ভারতের গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দুর্গাপুর ১নং জোনাল কমিটির ডাকে , আজ সন্ধ্যায়  মহিলারা ইস্পাতনগরীর বি’জোন চণ্ডীদাস বাজারের মোড়ে পথসভায় হাজির হয়েছিলেন । বহুসংখ্যক সাধারন মানুষ ও পথচারীরাও  সভায় বক্তাদের কথা মনোযগ সহকারে শুনেছেন । বক্তব্য রাখেন কমঃ আল্পনা চৌধুরী ও শুভ্রা গাঙ্গুলী । সভাপতিত্ব করেন কমঃ অপর্না  পাল। 


          


Wednesday, 2 July 2014

প্রয়াত হলেন কমরেড রমেন দাস ।

                                    


দুর্গাপুর , ২রা জুলাই : গতকাল রাত্রি ৮-৪০ মিনিটে প্রয়াত হলেন কমরেড রমেন দাস  । গত ২২শে জুন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত কমরেড রমেন দাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । চিকিৎসকদের আপ্রান চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে তিনি গেলেন । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ ।
    আজ সকালে , তাঁর মরদেহ আশীষ – জব্বর ভবনে নিয়ে আসা হলে , মৃতদেহকে রক্তপতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত করেন ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র পঃ বঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্য কমঃ রথীন রায় । এরপরে মরদেহে একে একে মাল্যদান করে - কমঃ রথীন রায় , অজিত মুখার্জী , বিপ্রন্দু চক্রবর্তী , সুবীর সেনগুপ্ত , আল্পনা চৌধুরী , নির্মল ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ । এরপরে মৃতদেহ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় যথাক্রমে  হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) এর দফ্তর , দুর্গাপুর চিলড্রেন্স অ্যাকাদেমী , পার্টির ৩নং এলসি দফ্তর ও তাঁর বাসভবনে । পরে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় । প্রয়াত কমরেড রমেন দাসের স্ত্রী , এক পুত্র ও এক কন্যা বর্তমান ।
কমরেড রমেন দাসের মৃত্যুতে , ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটি ও ৩ নং আঞ্চলিক কমিটি , হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) , ভারতীয় গণনাট্য সংঘ সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক-সংগঠন ও গন-সংগঠন এর পক্ষ থেকে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়ছে এবং তাঁর স্ত্রী ও পরিবারে প্রতি মর্মবেদনা জানান হয় ।
    সংক্ষিপ্ত জীবনী : ১৯৪০ সালে অধুনা বাংলাদেশের ঢাকা জেলার নারায়নগঞ্জের বিখ্যাত বারোদি গ্রামে জন্মগ্রহন করেন রমেন দাস । দেশভাগের পর ১৯৫০ সালে কলকাতায় আসেন এবং বঙ্গবাসী কলেজ থেকে পড়াশুনা শেষ করে ১৯৬১ সালে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার হুইল এ্যান্ড অ্যাক্সেল বিভাগে শ্রমিক হিসাবে কাজে যোগদান করেন । প্রথম থেকেই তিনি হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সদস্য হয়েছিলেন এবং অচিরেই ইউনিয়নের বিভাগীয় নেতৃত্ব উন্নীত হয়েছিলেন ।
      শ্রমিক আন্দোলনের সাথে সাথে তিনি দুর্গাপুরের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন । নাট্যকার , পরিচালক ও অভিনেতা হিসাবে তাঁর জেলাব্যাপী খ্যাতি ছিল । কবি ও আবৃতিকার হিসেবেও তিনি সমান পারদর্শী ছিলেন । তিনি ভারতীয় গণনাট্য সংঘের পঃ বঙ্গ রাজ্য কমিটি ও বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন ।
  ১৯৭৫ সালে তিনি ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র সভ্যপদ অর্জন করেন এবং মৃত্যুকালে , ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির অন্তর্গত ৩ নং আঞ্চলিক কমিটির সদস্য ছিলেন ।