Wednesday, 18 January 2017

এসপি-ডিএসপি বাঁচাও, দুর্গাপুর বাঁচাও দাবীতে - মহা মিছিলে গন প্লাবন ।



দুর্গাপুর,১৮ই জানুঃ – আজ বিকালে, অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা বাঁচাও,দুর্গাপুর বাঁচাও – এই দাবীতে সি.আই.টি.ইউ সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের সংযুক্ত মঞ্চের ডাকে , অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট থেকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা পর্যন্ত মহা মিছিলে যোগ দিলেন হাজার হাজার  ইস্পাত  শ্রমিক। যাত্রাপথে এন.এইচ ২( জি.টি.রোড) তে মিছিল পৌঁছালে , জাতীয় সড়ক কার্যতঃ রুদ্ধ হয়ে যায়।

  এছাড়াও  মিছিলে হাঁটেন সি.আই.টি.ইউ এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী,বিকাশ ঘটক ( আই.এন.টি.ইউ.সি-র বর্ধমান জেলার সভাপতি ) সহ অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ও দুর্গাপুরের প্রাক্তন সাংসদ সাইদুল হক ।












Sunday, 15 January 2017

আগামী ১৮ই জানুঃ মহা মিছিলের জন্য জোর প্রস্তুতি চলছে ।


দুর্গাপুর,১৫ই জানুঃ - অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা বাঁচাও,দুর্গাপুর বাঁচাও – এই দাবীতে সি.আই.টি.ইউ সহ অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ মঞ্চের ডাকে আগামী ১৮ই জানুঃ মহা মিছিলের জন্য জোর প্রস্তুতি চলছে । ১৮ই জানুঃ মহা মিছিলের সফল করার জন্য উভয় কারখানার বিভাগে বিভাগে , ইস্পাতনগরী সহ সংলগ্ন গ্রামাঞ্চলে চলেছে ছোট ছোট সভা । আজ রবিবার,ইস্পাতনগরীর দুটি বাজার আশীষ মার্কেটে ও চন্ডিদাস বাজারে দুটি বড় পথসভা হয় যথাক্রমে সকাল ও সন্ধ্যায় । আশীষ মার্কেটের পথসভায় বক্তব্য রেখেছেন আমীর হায়দার ( এ.আই.টি.ইউ.সি),মনিলাল সিনহা ও অসীম সাহা ( আই.এন.টি.ইউ.সি) এবং এইচ.এস.ই.ইউ (সি.আই.টি.ইউ ) এর পক্ষে গুরুপ্রসাদ ব্যানার্জী ও বিশ্বরূপ ব্যানার্জী । সভাপতিত্ব করেন আমীর হায়দার ।  চন্ডিদাস বাজারের পথসভায় বক্তব্য রেখেছেন বিশ্বনাথ মন্ডল ( এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি), মনিলাল সিনহা ও সুব্রত ভট্টাচার্য্য ( আই.এন.টি.ইউ.সি) এবং এইচ.এস.ই.ইউ (সি.আই.টি.ইউ ) এর পক্ষে কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত , বিজয় সাহা ও অরুন চৌধুরী । সভাপতিত্ব করেন কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত ।






Friday, 13 January 2017

মেহেনতী মানুষের সংগ্রামে এস.কে.এন চৌধুরীর অসামান্য ভূমিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শিক্ষনীয় হয়ে থাকবে : অমল হালদার




দুর্গাপুর,১৩ই জানুঃ : বিষন্নতা ,বিষাদের সুরে গত ১৩ই ডিসেঃ  ইস্পাতনগরী দুর্গাপুর বিদায় জানিয়েছিল প্রিয় নেতা সুনীল কান্তি নারায়ন চৌধুরী ,মানুষের কাছে তিনি এস.কে.এন চৌধুরীর নামেই সমাধিক পরিচিত ছিলেন । কনকনে ঠান্ডায় ইস্পাতনগরীর তিলক রোডে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এর অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট শাখার দফ্তর সংলগ্ন ময়দানে আজ বিকাল ছুঁয়ে সন্ধ্যায় জনাকীর্ণ শোকসভায় কাতারে কাতারে মানুষ ভীড় বুঝিয়ে দিল মেহেনতী ও গনতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কত আপনজন ছিলেন তিনি ।উপস্হিত ছিলেন অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর কারখানার শ্রমিকরা সহ দুর্গাপুরে  সর্বস্তরের মানুষের । ভীড় জানান দিল তিনি কেবল ট্রেড ইউনিয়ন অথবা পার্টি নেতা ছিলেন তাই নয় ,তিনি হয়ে উঠেছিলেন তাদের আপনজন । নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে উঠে এল সাথে ট্রেড ইউনিয়ন অথবা পার্টি প্রতিষ্ঠা করার সাথে সাবলীল ভাবে  সমবায়-বিজ্ঞান-সাক্ষরতা আন্দোলন নেতৃত্ব দিয়েছেন । ইস্পাতনগরীর বুকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তিনি অন্যবদ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন । তাঁর কর্মস্হল অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর ভবিষ্যৎ আজ বিপন্ন । বিক্রী করার চেষ্টা চলছে । এর বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে যৌথ শ্রমিক আন্দোলন । ২০০২ সালে বিগত বিজেপি-এনডিএ সরকারের আমলে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট কে এমনি ভাবে বিক্রী করার চেষ্টা ব্যর্থ করার জন্য অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সফল যৌথ শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম সেনাপতি ছিলেন তিনি । বিরোধীদের কাছেও তিনি  সমানভাবে আস্হাভাজন ও শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট কে ক্রমান্বয়ে বঞ্চনার করার ইতিহাস , তিনি প্রাঞ্জলভাবে লিপিবদ্ধ করেন তাঁর লিখিত ,” এ.এস.পি-র হত্যাকান্ড : তদন্তে ঐ শিল্পের এক মজুর “ বইটি তে ।
 অমল হালদার বলেন যে মেহেনতী মানুষের সংগ্রামে এস.কে.এন চৌধুরীর সহ সেই প্রজন্মের নেতৃত্ব লড়াই শুরু করে ছিলেন,সেই লড়াই এর ব্যাটন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে দেওয়ার জন্য নিজেদের যোগ্য করে তোলার মধ্য দিয়েই এস.কে.এন চৌধুরীর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন রথীন রায়,সন্তোষ দেবরায়,জীবন রায়,অর্ধেন্দু দাক্ষী,বিকাশ ঘটক প্রমূখ ।














Wednesday, 11 January 2017

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত বাঁচাতে দুর্গাপুরে লাগাতার আন্দোলন চলছে ।



দুর্গাপুর,১১ জানুঃ  – গত ৯ই জানুঃ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে ,” শিল্প বাঁচাও -  এ.স.পি বাঁচাও – ডি.এস.পি বাঁচাও – আমাদের গর্বের শহর দুর্গাপুর বাঁচাও “ – এই দাবীতে সি.আই.টি.ইউ-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই.টি.ইউ.সি-বি.এম.এস- এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি- টি.ইউ.সি.সি এর যৌথ মঞ্চের ডাকে শয়ে শয়ে শ্রমিক-কর্মচারী সহ সমাজের অন্যান্য অংশের মানুষ সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত গন অনশনের কর্মসূচীতে যোগ দেন । 

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের নেতিবাচক পরিনতি হলে সরাসরি প্রভাব পড়বে,ক্ষতিগ্রস্হ হবে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা । সামগ্রিক ভাবে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার যে কোন খারাপ পরিনতি শুধুমাত্র দুর্গাপুর নয় বর্ধমান জেলা সহ রাজ্যের অর্থনীতিতে অত্যন্ত বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে এবং দুর্গাপুর শহর নিশ্চিত ধ্বংসের মুখোমুখি হবে । তাই  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত বাঁচাতে দুর্গাপুরে লাগাতার আন্দোলন চলছে । 
এর বিরুদ্ধে লড়াই এ নেমেছে সি.আই.টি.ইউ-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই.টি.ইউ.সি-বি.এম.এস- এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি- টি.ইউ.সি.সি । যৌথ কনভেনশন করে আন্দোলনের কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে । 
যৌথ মঞ্চের পক্ষে আগামী ১৮ই জানুঃ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট থেকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার মেইন গেট পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে ।

আজ সন্ধ্যায় দুর্গাপুর স্টেশন যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে পথসভায় বহু উৎসুক্য মানুষ ধৈর্য ধরে বক্তব্য শোনেন । লিফলেট বিলি করা হয় । বক্তব্য রাখেন সি.আই.টি.ইউ এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী , রামপঙ্কজ গাঙ্গুলী ও বিশ্বরূপ ব্যানার্জী ( হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, সি.আই.টি.ইউ ), স্বপন ব্যানার্জী ( আই.এন.টি.ইউ.সি ),রবি ঠাকুর ( এ.আই.টি.ইউ.সি ),তাপস মাজি ( এ.এস.পি.সি.ইউ ), হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি রথীন রায় ও দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।সভাপতিত্ব করেন বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী ।









Monday, 9 January 2017

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত বাঁচাতে সর্বাত্মক লড়াই এর পথে দুর্গাপুর ।




দুর্গাপুর,৯ই জানুঃ – আজ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে ,” শিল্প বাঁচাও -  এ.স.পি বাঁচাও – ডি.এস.পি বাঁচাও – আমাদের গর্বের শহর দুর্গাপুর বাঁচাও “ – এই দাবীতে সি.আই.টি.ইউ-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই.টি.ইউ.সি-বি.এম.এস- এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি- টি.ইউ.সি.সি এর যৌথ মঞ্চের ডাকে শয়ে শয়ে শ্রমিক-কর্মচারী সহ সমাজের অন্যান্য অংশের মানুষ সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত গন অনশনের কর্মসূচীতে যোগ দিলেন । তৃণমূলের বাধা দানের জন্য নির্ধারিত এস.ডি.এম অফিসের পরিবর্তে শ্রম দফ্তরের আঞ্চলিক অফিসের সামনে গন অনশনের কর্মসূচী পালিত হয় । তৃনমূলের এই বাধাদানের জন্য শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে । নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা প্রশমিত হলেও ,পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ।
কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সর্বনাশা নীতির পরিনামে ধ্বংসের পথে  দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল ।হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচ্যূত হয়েছেন । নতুন শিল্পের কোন আশা নেই । বেকার যুবকেরা কাজের খোঁজে দুর্গাপুর ছাড়ছে । ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা সহ ২২টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে । ধুঁকছে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ডি.টি.পি.এস (কেন্দ্রীয় সংস্হা ) ও ডি.পি.এল (রাজ্য সংস্হা ) । রাজ্য সরকার দুর্গাপুর কেমিক্যালস এর ১০০% বিলগ্নীকরন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । এবার  আক্রমনের সূচীমুখ দুর্গাপুরের ভরকেন্দ্র কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ব ইস্পাত উৎপাদক  ‘মহারত্ন’ সেইলের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা । মোদি সরকার সেইলের বিশেষ ইস্পাত উৎপাদক সংস্হা দুর্গাপুরের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সালেম ও ভদ্রাবতী স্টিল প্ল্যান্টের ‘ স্ট্র্যাটেজিক সেল ‘ করে বেসরকারী হাতে তুলে দিতে চাইছে । দুর্গাপুরের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ৫০০’টির বেশী গ্রেডের বিশেষ ইস্পাত উৎপাদন করতে পারে যা দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ অভিযান/গবেষনা সহ প্রায় প্রতিটি শিল্পের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে । এমন কি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও দুর্গাপুরের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিশেষ ইস্পাত চাহিদা রয়েছে ।
একই ভাবে সেইলের আধুনিকীকরন ও সম্প্রসারনের জন্য ৭০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের মধ্যে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার জন্য বরাদ্দ মাত্র ২,৮৭৫ কোটি টাকার বরাদ্দ করে বঞ্চনা করার রাস্তা নিয়েছে । এর ফলে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা সেইলের সবচেয়ে ছোট ইন্টিগ্রেডেড স্টিল প্ল্যান্টে পরিনত হবে । তাছাড়াও , অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বেসরকারীকরন হলে সরাসরি প্রভাব পড়বে,ক্ষতিগ্রস্হ হবে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা ।
এর বিরুদ্ধে লড়াই এ নেমেছে সি.আই.টি.ইউ-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই.টি.ইউ.সি-বি.এম.এস- এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি- টি.ইউ.সি.সি । যৌথ কনভেনশন করে আন্দোলনের কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের ‘ স্ট্র্যাটেজিক সেল ‘ এর সিদ্ধান্ত বাতিল, অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টে সেইলের বিশেষজ্ঞ সংস্হা ‘সেট’ এর প্রস্তাব কার্যকর করা,অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আধুনিকীরন ও সম্প্রসারন সহ ৫ দফা দাবীতে , দাবী পুরন না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যৌথ মঞ্চ । ইতিমধ্যে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সি.আই.টি.ইউ ও আই.এন.টি.ইউ.সি প্রতিনিধিবৃন্দ কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রীর সাথে দেখা করে দাবী গুলি জানিয়ে এসেছে । সাথে ছিলেন সি.আই.টি.ইউ এর সর্ব ভারতীয় সম্পাদক ও রাজ্যসভার সাংসদ তপন সেন , কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য , দুর্গাপুরের প্রাক্তন লোকসভা সাংসদ সুনীল খান, দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ও এস.ডব্লু.এফ.আই এর সাধারন সম্পাদক পি.কে.দাস । ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তিনটি চিঠি দিয়েছেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । গতকাল বোকারো শহরে যৌথ কনভেনশনে , দুর্গাপুরের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সালেম ও ভদ্রাবতী স্টিল প্ল্যান্টের ‘ স্ট্র্যাটেজিক সেল ‘ এর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবীতে, কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ব ইস্পাত উৎপাদক সংস্হার  সেইলের সব কারখানার শ্রমিক নেতৃবৃ্ন্দ যোগ দেন এবং যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচী গ্রহন করেছে ।
আজকের কর্মসূচী চলাকালীন বক্তব্য রেখেছেন সি.আই.টি.ইউ এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী , আই.এন.টি.ইউ.সি এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিকাশ ঘটক , হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ) এর সভাপতি  রথীন রায় ,বিশ্বনাথ মন্ডল (এ.আই.টি.ইউ.সি ), বিশ্বপতি চ্যাটার্জী  ( এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি ),অনীত মল্লিক (টি.ইউ.সি.সি ), দুর্গাপুরের প্রাক্তন লোকসভা সাংসদ সাইদুল হক , দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় , এস.ডব্লু.এফ.আই এর সাধারন সম্পাদক পি.কে.দাস , অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিক নেতৃবৃ্ন্দ সহ অন্যান্য কারখানার শ্রমিক নেতৃবৃ্ন্দ এবং বিভিন্ন গন সংগঠনের নেতৃবৃ্ন্দ । কর্মসূচী চলাকালীন এক যৌথ প্রতিনিধি দল এস.ডি.এম অফিসে স্মারক লিপি জমা দেয় 

যৌথ মঞ্চের পক্ষে আগামী ১৮ই জানুঃ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট থেকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার মেইন গেট পর্যন্ত  মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে ।







Sunday, 8 January 2017

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ শিল্প বাঁচাতে দুর্গাপুর বাঁচাতে জেলা জুড়ে যুবরা আন্দোলন গড়ে তুলবে ।




দুর্গাপুর,৮ই জানুঃ – আজ সন্ধ্যায়, ইস্পাতনগরীর চন্ডিদাস বাজারে এক বিশাল পথসভায় একথা জানালেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এর বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক পরেশ মন্ডল । তিনি বলেন ভারতের ‘ রূঢ় ‘ অঞ্চল বলে খ্যাত দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল জেলা সহ রাজ্যের কর্মসংস্হানের অন্যতম  ক্ষেত্র । সেই দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল , রাজ্য ও কেন্দ্রীয় উভয় সরকারের শিল্প-বিরোধী নীতির জন্য ভয়ংকর ভাবে সংকটাপন্ন । তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উভয়ে নিবার্চনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে যথাক্রমে বছরে ২ কোটি ও ১০ লক্ষ বেকারের চাকরী দেবেন । সেই প্রতিশ্রুতি কোথায় গেল ? উল্টে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নীতির ফলে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে । রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা কে বিক্রী করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বেসরকারীকরনের নামে দেশের সম্পদ লুঠ করার রাস্তা করে দেওয়া হচ্ছে । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচানোর লড়াই এর প্রতি ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এর বর্ধমান জেলা কমিটির পূর্ণ সংহতি জানিয়ে তিনি তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান । এছাড়াও বক্তব্য রেখেছেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এর দুর্গাপুর ইস্পাত জোনালের সভাপতি বিশ্বজিত ধর চৌধুরী ও হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) এর পক্ষে বিজয় সাহা । সভাপতিত্ব করেন বিশ্বজিত ধর চৌধুরী । উপস্হিত ছিলেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এর দুর্গাপুর ইস্পাত জোনালের সম্পাদক পলাশ ব্যানার্জী সহ অন্যান যুব নেতৃবৃন্দ ।

এদিকে , আগামীকাল দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে এস.ডি.ও দফ্তরের সামনে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচানোর দাবীতে , সি.আই.টি.ইউ সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সম্মিলিত ভাবে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত গন অনশনের কর্মসূচী নিয়েছে ।


Friday, 6 January 2017

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা না বাঁচলে,দুর্গাপুর বাঁচবে না -লড়াই তীব্রতর হচ্ছে ।



দুর্গাপুর,৬ই জানুঃ – শিল্পনগরী দুর্গাপুর ভয়াবহ পরিনতির দিকে এগিয়ে চলেছে । নতুন শিল্প আসা দুরে থাক , চলতি প্রায় সমস্ত কারখানা ( রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা ও বেসরকারী উভয় ) সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে । ইতিমধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা সহ ২২টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে । হাজার হাজার শ্রমিক কাজ হারিয়েছে , শ্রমিক পরিবার গুলি অবর্ণনীয় দুর্দশায় পড়েছে । দুর্গাপুরের সমগ্র অর্থনীতি শিল্পের উপর নির্ভরশীল । দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে উপর সামগ্রিকভাবে অনেকটাই  নির্ভরশীল বর্ধমান জেলা সহ রাজ্যের অর্থনীতি । এরই মধ্য রাজ্য সরকার দুর্গাপুর কেমিক্যালসের ১০০% বিলগ্নীকরন ও ডিপিএল এর কোকওভেন বন্ধ করেছে ।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার মহারত্ন স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া সংক্ষেপে সেইলে এর বিশেষ ধরনের ইস্পাত উৎপাদক কারখানা অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সালেম ও ভদ্রাবতী স্টিল প্ল্যান্ট কে ‘ স্ট্র্যাটেজিক সেল ‘ করতে চেয়ে নিলামে চড়াতে চাইছে । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারন-আধুনিকীকরনের জন্য প্রয়োজনীয়  বরাদ্দ করে নি ।   

ইতিমধ্যে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা বাঁচাতে দুর্গাপুরে , সি.আই.টি.ইউ-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই.টি.ইউ.সি-বি.এম.এস-টি.ইউ.সি.সি-এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি যৌথ কনভেনশন করে লড়াই-আন্দোলন তীব্রতর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আগামী ৯ই জানুঃ এস.ডি.ও দফ্তরে ( সিটি সেন্টার ) গন অনশন কর্মসূচী ও ১৮ই জানুঃ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট থেকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা পর্যন্ত মহা মিছিলের ডাক দিয়েছে । এই কর্মসূচী কে সফল করার আহ্বান জানিয়ে আজ সন্ধ্যায় ব্যস্ততম বেনাচিতি বাজার এর কাইজার মোড়ে এক পথ সভায় বক্তব্য রাখেন গন আন্দোলনের নেতৃত্ব তরুন বাগচী , সি.আই.টি.ইউ এর পক্ষে মলয় ভট্টাচার্য , স্বপন মজুমদার , নিমাই ঘোষ ও তাপস মাজি , আই.এন.টি.ইউ.সি এর পক্ষে মনিলাল সিংহ ও অসীম সাহা এবং এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি  এর পক্ষে বাবলা ভট্টাচার্য । সভাপতিত্ব করেন তরুন বাগচী । । উপস্হিত ছিলেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় , রথীন রায় , নির্মল ভট্টাচার্য , সুবীর সেনগুপ্ত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।