Sunday, 5 March 2017

রক্ষা কর দুর্গাপুর – এই আহ্বান জানিয়ে ক্রীড়াবিদরা অংশ নিলেন ঐতিহাসিক রিলে দৌড়ে ।




দুর্গাপুর , ৫ই মার্চ – আজ সকালে দুর্গাপুর ইস্পাতনগরীর স্টেডিয়াম চত্বর , যেখানে রয়েছে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নেহেরু স্টেডিয়াম ও অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্টেডিয়াম , সেখানে দলে দলে বিভিন্ন খেলার সাথে যুক্ত ক্রীড়াবিদরা জড়ো হতে শুরু করেন । তারা জড়ো হলেন এক ঐতিহাসিক দৌড়ে অংশ নিতে । শহর দুর্গাপুর অনেক দৌড়ের সাক্ষী । এই শহর দেখেছে কিংবদন্তী দৌড়বিদ এমিল ও ডানা জাটোপেকের দৌড় । সাক্ষী রয়েছেন অসংখ্য  ভারত-বিখ্যাত ক্রীড়াবিদের ক্রীড়া নৈপুন্যের । কিন্তু আজ সকালে এক নয়া দৌড় শুরু করলেন দুর্গাপুরের খেলোয়াররা – নিজের শহরের কারখানা বাঁচাতে, রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা বাঁচাতে । সারা বিশ্বে এমন নজির মেলা ভার , যে খানে একটি শহর বাঁচাতে , শিল্প বাঁচাতে শহরের খ্যাত-অখ্যাত সমস্ত খেলোয়াররা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দৌড়ের মধ্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের বার্তা পৌঁছে দিলেন শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত । কিসের টানে খেলোয়াররা একত্রিত হলেন ? এমন কি দুর্গাপুরের বাইরে চলে গেছেন , এ রকম খেলোয়াররা যোগ দিলেন আজকের দৌড়ে অংশ নিতে ? দুর্গাপুর শহরের জন্মই হয়েছে কল-কারখানার জঠরে । গত শতাব্দীর ৫০-এর দশকে ২য় পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনা চলাকালীন সময়ে শিল্পনগরী দুর্গাপুর শহরের জন্ম হয় দামোদর নদের পাশে ৬৪ টি জঙ্গল ঘেরা গ্রামের জমি অধিগ্রহন করে আর এই শিল্প শহরের প্রান ভোমরা হল রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা । রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হাগুলির পরিকল্পিত টাউনশিপের অসংখ্য বড় বড় খেলার মাঠ ,স্টেডিয়াম,জিম,সুইমিংপুল ,অসংখ্য ক্লাব ,অগুনিত ক্রীড়ামোদি মানুষ এবং একদল নিবেদিত ক্রীড়া সংগঠক দুর্গাপুরকে শিল্পের সাথে সাথে জেলা ও রাজ্যে স্তরের ,এমন কি  জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের খেলোয়ারদের  তৈরি করছে । আবার বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা গুলি  কৃতি খেলোয়ারদের চাকুরী দেওয়ার সুবাদে , বিভিন্ন জায়গা থেকে খেলোয়াররা দুর্গাপুরে এসেছেন , দুর্গাপুরের ক্রীড়া-জগৎ কে সমৃদ্ধ করেছেন । কিন্তু শহর আজ বিপন্ন । বন্ধ হয়ে গিয়েছে ২০ বেসরকারী কারখানা সহ ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব । লক্ষাধিক মানুষ কাজ হারিয়েছেন । কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রায়াত্ব ইস্পাত উৎপাদক ‘নবরত্ন’ সংস্হা সেইলের সালেম ,ভদ্রাবতী সহ দুর্গাপুরের বিশ্ব বিখ্যাত অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট কে বেসরকারি হাতে বিক্রি করে দেবে । রাজ্যের তৃণমূল সরকার একই ভাবে দুর্গাপুর কেমিক্যালস কে বেসরকারি হাতে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার , উভয়েরই রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা বিরোধী মনোভাবের জন্য ধুঁকছে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা,ডিপিএল ও ডিটিপিএস । বিপন্ন গোটা দুর্গাপুর শহরের অস্তিত্ব । জীবন-জীবিকার টানে জোট বাঁধছেন শ্রমিকরা সহ শহরের সর্বস্তরের মানুষ ।

শহরের ক্রীড়া জগৎ সহ জীবন-জীবিকা বাঁচানোর টানেই , আজ দুর্গাপুরের খেলোয়াররা , দুর্গাপুর স্পোর্টস লাভার্স  অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বানে দৌড়ে অংশ নিলেন ।এমন কি যোগ দিলেন শিল্প সুরক্ষা বাহিনীর খেলোয়াররা । সকালে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্টেডিয়াম থেকে দৌড় শুর হয় । দৌড় শুরুর আগে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ সুবীর সরকার,স্বপন গুহ,গোলাম মুস্তাফা খান,এম.গঙ্গাধরন,তপন মাল,সন্ত কুমার মন্ডল,মেঘনাদ আঢ্য,গৌতম দে,সুবীর সিনহা,সলিল গাঙ্গুলী,জি.সোনার,সফদর খান ও নাজির খান কে সংবর্ধনা দেওয়া হয় । তাদের হাতে পুষ্প স্তবক তুলে দেন দুর্গাপুর ( পুর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেব রায় । দৌড়ের সূচনায় উপস্হিত ছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী,বিকাশ ঘটক,পি.কে.দাস , ডঃএন.এন.কুলশ্রেষ্ঠ,সুখময় বোস সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ । দৌড় শুরু হয়ে ইস্পাতনগরীর বিভিন্ন জায়গা ঘুরে যায় সিটি সেন্টার সহ দুর্গাপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং ২৫ কিমি পথ অতিক্রম করে শেষ হয় ইস্পাতনগরীর নেহেরু স্টেডিয়ামে । দৌড়ের পিছনে ক্রীড়া প্রেমিকদের বিশাল বাইক মিছিল ছিল চোখে পড়ার মত । জায়গায় জায়গায় মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসে খেলোয়ারদের ফুল ছিঠিয়ে অভ্যর্থনা জানান,তাদের হাতে জলের বোতল তুলে দেন । দৌড় শেষে নেহেরু স্টেডিয়ামে খেলোয়ারদের দুর্গাপুর স্পোর্টস লাভার্স  অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং ১৯৮৫ সালে সাফ গেমস জয়ী ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সদস্য সুবীর সরকারের হাতে স্মারক তুলে দেন স্বপন গুহ ।




































Friday, 3 March 2017

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ দুর্গাপুরের রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ক্রীড়াবিদরা দৌড় এ অংশ নেবেন ।



দুর্গাপুর , ৩রা মার্চ – রাজ্য ও দেশের সাথে  আন্তর্জাতিক স্তরেও  দুর্গাপুরের ক্রীড়াবিদরারা যোগ্যতা প্রদর্শন করেছেন ।দেশের হয়ে অংশ নিয়েছেন , পদক জিতেছন  এশিয়াড ,কমনওয়েলথ গেমস ,সাফ গেমস সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীতায় ।এই ক্রীড়াবিদরা অনেকে দুর্গাপুরের রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানার কাজ করেছেন অথবা করছেন । আবার জন্মসূত্রে অনেক ক্রীড়াবিদ  দুর্গাপুরে তাদের ক্রীড়া জীবনের সূচনা ও বিকাশ ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠা পেয়ে অন্যত্র চলে গেলেও দুর্গাপুরের রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানাগুলির টাউনশিপের  উন্নত ক্রীড়া পরিকাঠামো ও ক্রীড়ামোদী মানুষ , ক্রীড়া সংগঠক/ক্লাবের সাথে নাড়ির টান অনুভব করেন । আজ সেই দুর্গাপুরের অস্তিত্বের সংকট । ৬ টি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে । কেন্দ্রের মোদি সরকার অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও রাজ্যে তৃণমূল সরকার দুর্গাপুর কেমিক্যালস বিক্রীর সিদ্ধান্ত ঘোষনা করেছে । বিপন্ন দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা, ডিপিএল ও ডিটিপিএস । বিপন্ন ভারতের ‘রূঢ়’ নামে খ্যাত দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল , বিপন্ন মানুষের জীবন-জীবিকা , বিপন্ন ক্রীড়া জগৎ ও ক্রীড়াবিদরা । তাই অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ দুর্গাপুরের রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা রক্ষায় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকরা জোট বেঁধেছেন । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ দুর্গাপুরের রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে আগামী ৫ই মার্চ ( রবিবার ) ‘ শিল্প-কর্ম সংস্হান ও ক্রীড়ার ‘ জন্য ২৫ কি.মি ব্যাপি রিলে দৌড়ের আয়োজন করেছে দুর্গাপুর স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশন । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে ইস্পাতনগরী ও দুর্গাপুরের বিভিন্ন জায়গা পরিক্রমা করে শেষ হবে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নেহেরু স্টেডিয়ামে । বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের সাথে এই দৌড়ে অংশ নেবেন স্হানীয়  নবীন ক্রীড়াবিদরা । আজ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্টেডিয়ামের গ্যাল্যারিতে দুর্গাপুর স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনর পক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানানো হয় । ঐ অনুষ্ঠানে উপস্হিত থাকবেন সুবীর সরকার , অশোকলাল চক্রবর্তী,গোলাম কিব্রিয়া সহ বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদরা ।








Thursday, 2 March 2017

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বেসরকারীকরন চেয়ে দরপত্রের প্রক্রিয়া শুরু : বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ইস্পাত শ্রমিকরা ।



দুর্গাপুর ,২রা মার্চ : এ এক বিস্ময়কর সাদৃশ্যতা ! সারা বিশ্ব জেনে গেছে কারগিল যুদ্ধের শহীদ এর কন্যা গুরুমেহের কাউর কিভাবে সংঘ পরিবারের আক্রমনের শিকার হয়েছেন । ঠিক সেই সময়ে , কেন্দ্রের মোদি পরিচালিত এনডিএ-বিজেপি সরকার , কারগিল যুদ্ধের আরেক নায়ক অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টে , যার উৎপাদিত বিশেষ ইস্পাত বোফর্স কামানের গোলার খোল তৈরি কাজে ব্যবহার করা হয় , তা কে বেসরকারী হাতে বেঁচে দেওয়ার জন্য আইনী পরামর্শদাতা ও  হস্তান্তর বিশেষজ্ঞ নিয়োগ এবং বিক্রীর জন্য টেন্ডার  প্রক্রিয়া শুরু করে দিল । গত ২৭ ফেব্রুঃ , সেলের ওয়েবসাইটে  দরপত্র ও আনুষাঙ্গিক প্রক্রিয়া চেয়ে  বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের সাথে সাথে রাষ্ট্রায়ত্ব ইস্পাত উৎপাদক ও ‘নবরত্ন’ সংস্হা স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ( সেইল ) এর অপর দুই বিশেষ ইস্পাত এর কারখানা সালেম ও ভদ্রাবতির প্ল্যান্টের নামও এই টেন্ডার  প্রক্রিয়াতে আছে । প্রসঙ্গতঃ , আন্তর্জাতিক খ্যাত সম্পন্ন বিশেষ ইস্পাত উৎপাদক অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টে ৫০০ ধরনের বিশেষ ইস্পাত উৎপাদিত হয় যার চাহিদা দেশ-বিদেশের পরমানু গবেষনা থেকে মহাকাশ গবেষনা সহ প্রায় প্রতিটি শিল্পে । মাত্র ১১০০ কোটি টাকা খরচ করলে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত  গুরু্বপূর্ন  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের আধুনিকীকরন করা যায় । অথচ তার পরিবর্তে বেসরকারী হাতে বেঁচে দিয়ে , কোন ‘জাতীয়তাবাদ’ এর পরিচয় দিচ্ছে মোদি সরকার , সেই প্রশ্ন এখন দুর্গাপুরবাসীর মুখে মুখে ঘুরছে । গত বছরের ফেব্রুঃ মাস থেকে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বেসরকারীকরন এর চক্রান্তের আঁচ পেয়ে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) লাগাতার আন্দোলন শুরু করে এবং নভেঃ মাস থেকে অন্যান্য ইউনিয়ন যোগ দেয় ও যৌথ মঞ্চ তৈরি হলে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় । ইতিমধ্য গত পরশু , দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু নজরে আসতেই শ্রমিকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন । অবিলম্বে বেসরকারীকরনের প্রক্রিয়া বাতিলের দাবীতে, গতকাল সকালে যৌথ মঞ্চের ডাকে  কারখানার গেটে শ্রমিকরা বিক্ষোভ দেখান । আজ সকাল পাঁচ টায় মর্নিং শিফটের শুরুর আগে থেকেই কারখানার গেটে গেটে বিক্ষোভ-অবরোধ শুরু হয়ে যায় ।অভূতপূর্ব শ্রমিক ঐক্যের নজীর তৈরী হয় । এই প্রথম আই.এন.টি.টি.ইউ.সির নেতৃত্ব ও শ্রমিক সদস্যরা যৌথ মঞ্চের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভ-অবরোধে যোগ দেন ।       আধিকারিকরাও ভেতরে ঢুকতে পারেন নি । উৎপাদন কার্যতঃ বন্ধ হয়ে যায় । কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ,  যৌথ মঞ্চ বেলা ১১টার সময় অবরোধ তুলে নিলে , উৎপাদন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের মেইন গেটে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সি.আই.টি.ইউ এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী , আই.এন.টি.ইউ.সির বর্ধমান জেলার সভাপতি বিকাশ ঘটক ,  এস.ডব্লু এফ.আই এর সাধারন সম্পাদক পি.কে.দাস ,মলয় ভট্টাচার্য ও বিজয় সাহা (হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন , সি.আই.টি.ইউ ),মনিলাল সিনহা (আই.এন.টি.ইউ.সি) ও সাধন সিনহা (আই.এন.টি.টি.ইউ.সি) । উপস্হিত ছিলেন রথীন রায়,সুবীর সেনগুপ্ত সহ অন্যান্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ।
পাশে দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে । ই.ডি.( ওয়ার্কর্স ) এর দফ্তরে শয়ে শয়ে শ্রমিক  বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন । গেটে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত,ললিত মিশ্র ((হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন , সি.আই.টি.ইউ ),রানা সরকার (আই.এন.টি.ইউ.সি) ও শম্ভু প্রামানিক (এ.আই.টি.ইউ.সি)।
 এ দিকে, আজ বিধান সভার অধিবেশনে যোগ দিয়ে,সন্ধ্যায় দুর্গাপুরে ফিরে আসেন  দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । তিনি বর্তমান পরিস্হিতির কথা বিবেচনা করে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধির জন্য যৌথ আন্দোলন আরও প্রসারিত ও মজবুত করার আবেদন জানিয়েছেন ।


















Tuesday, 28 February 2017

রেশন-টেট দূর্ণীতি-বস্তি উন্নয়ন-কালা কানুনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্রোত আছড়ে পড়ল দুর্গাপুরের এস.ডি.এম এর দফ্তরে ।



দুর্গাপুর,২৮শে ফেব্রুঃ – আজ দুপুরে ,ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদী ) –র দুর্গাপুর ইস্পাত ও দুর্গাপুর পশ্চিম জোনাল কমিটির যৌথ আহ্বানে , পাঁচ দফা অধিকার রক্ষার দাবীতে এক বিশাল মিছিল সিটি সেন্টারের সরোজ মুখোপাধ্যায় ভবন ( গনশক্তি দফ্তর ) এর সামনে থেকে শুরু হয়ে এস.ডি.এম এর দফ্তরে যায় এবং শেষে সিটি সেন্টারের বাস টার্মিনাসে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।
রেশন প্রাপকদের ন্যায্য প্রাপ্য কার্ড থেকে বঞ্চনা-হয়রানি ও রেশন কার্ড নিয়ে তৃণমূলীদের দূর্ণীতি-দলবাজি, প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মী নিয়োগে চরম দূর্ণীতি-দলবাজি, দুর্গাপুর পৌর নিগম অঞ্চলে বস্তির প্রকৃত উন্নয়ন ও সকল বস্তিবাসির জন্য ঘর , দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম) বিধায়ক সন্তোষ দেব রায়ের  এম.এল.এ ফান্ডের টাকা খরচে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা অবিলম্বে দুর করা  এবং “ ওয়েষ্ট বেঙ্গল মেইন্টেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার বিল ২০১৭ “ – সহ সমস্ত কালা কানুন অবিলম্বে বাতিলের দাবীতে আজকের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সন্তোষ দেব রায়,মহাদেব পাল,আল্পনা চৌধুরী ও আশীষ সিংহ রায় চৌধুরী । সভাপতিত্ব করেন শ্যামা ঘোষ । উপস্হিত ছিলেন কমঃ রথীন রায় ।
 সন্তোষ দেব রায় এর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল  এস.ডি.এম এর কাছে দাবী-সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেয় ।  প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন মহাদেব পাল ,মহাব্রত কুন্ডু,প্রফুল্ল মন্ডল ও স্বপন ব্যানার্জী । 


















Thursday, 23 February 2017

যৌথ মঞ্চ এর পক্ষ থেকে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও আন্দোলন কে আরও প্রসারিত ও নিবিড় করার ডাক ।



দুর্গাপুর,২৩ ফেব্রু - শ্রমিক সংগঠন সমূহের যৌথ মঞ্চ এর পক্ষ থেকে  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও আন্দোলন কে আরও প্রসারিত ও নিবিড় করার ডাক দেওয়া হল । আজ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের প্রশাসনিক ভবন ইস্পাত ভবনের সামনে দুর্গাপুর মিশ্র ইস্পাত কারখানা ( অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ) ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের এক বিশাল গন জমায়েতে যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয় । কেন্দ্রের মোদি সরকারের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বিক্রী ও বেসরকারীকরের চক্রান্তের আঁচ পেয়ে,গত বছরে ২৩ শে ফেব্রুঃ থেকে সি.আই.টি.ইউ এর নেতৃত্বে ইস্পাত শ্রমিকরা লাগাতার আন্দোলন গড়ে তোলে । ইতিমধ্যে,গত নভেম্বর মাসে নবরত্ন রাষ্ট্রয়ত্ব ইস্পাত উৎপাদক সংস্হা সেইলের বিশেষ ইস্পাত উৎপাদনের জন্য জগৎ-বিখ্যাত  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সালেম ও ভদ্রাবতী স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রী ও বেসরকারীকরনের চিঠি ফাঁস হতেই অন্যান্য শ্রমিক সংগঠন গুলি ( তৃণমূল বাদে ) অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও আন্দোলনে সামিল হয়ে যৌথ মঞ্চ গড়ে তোলে এবং যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে দুর্গাপুর মিশ্র ইস্পাত কারখানা ( অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ) ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিকরা লাগাতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ।
আজকের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন সাংসদ জীবন রায় , দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায়, আই.এন.টি.ইউ.সি-র বর্ধমান জেলার সভাপতি  বিকাশ ঘটক , রবি ঠাকুর ( এ.আই. টি.ইউ.সি)  ,অনিত মল্লিক (টি.ইউ.সি.সি),মলয় ভট্টাচার্য,ললিত মিশ্র (সি.আই.টি.ইউ) সহ অন্যান্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ । উপস্হিত ছিলেন হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সি.আই.টি.ইউ ) এর সভাপতি রথীন রায় ও সি.আই.টি.ইউ এর বর্ধমান জেলার সভাপতি  বিনয়কৃষ্ণ চক্রবর্তী ।
সমাবেশে চলাকালীন  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর ই.ডি.-র কাছে যৌথ মঞ্চ এর এক  প্রতিনিধি দল স্মারক লিপি জমা দেয় । স্মারক লিপিতে অবিলম্বে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সালেম ও ভদ্রাবতী স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রী ও বেসরকারীকরনের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট  ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারন,আধুনিকীকরন ও উভয় কারখানার উন্নতির জন্য প্রয়োজনে আংশিক একীকরনের দাবী জানানো হয় ।











Sunday, 12 February 2017

দুর্গাপুর বাঁচাতে ,অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা রক্ষার শপথ নিল ইস্পাতনগরীর মানব-বন্ধন ।



দুর্গাপুর , ১২ই ফেব্রুঃ – আজ সকালে , ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ মঞ্চের ডাকে, ১১-০০ থেকে ১১-১৫ পর্যন্ত ,ইস্পাতনগরীর কেন্দ্রস্হলে এ-জোনের ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের মূর্তির পাদদেশ থেকে বি-জোনে স্বামী বিবেকানন্দ মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মানব-বন্ধনের কর্মসূচী পালিত হল ।
ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের স্বপ্নের শহর দুর্গাপুর এর ভিত্তি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা সমূহ । কেন্দ্রে বিগত এনডিএ সরকারের আমলে রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা ধ্বংসের অভিযানে দুর্গাপুরে এম.এ.এম.এম.সি. , ফার্টিলাইজার ( এফ.সি.আই),বি.ও.জি.এল সহ ৬ টি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা বন্ধ হয়ে যায় । সেই সময়ে এনডিএ সরকারের অন্যতম মন্ত্রী রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কিন্তু সেই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা বন্ধের বিরুদ্ধে কোন উদ্যোগই গ্রহন করেন নি । উপরন্তু রাজ্যের বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এম.এ.এম.এম.সি. পুনরুজ্জীবনের জন্য কনসোর্টিয়াম গঠনের উদ্যোগে কে ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে বর্তমান তৃনমূল সরকার । বর্তমানে দুর্গাপুর আবার রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানার ‘নিধন-যজ্ঞ’ শুরু করার প্রচেষ্টা নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার ও রাজ্যের মমতা সরকার । মোদী সরকার ইতিমধ্যে সারা দেশে ৭৪ টি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা বিক্রী / বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার অন্যতম অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট । দেশের প্রতিরক্ষা,রেল,পরমানু  সহ প্রায় প্রতিটি শিল্পের জন্য বিশেষ বিশেষ স্টিল উৎপাদন করে দেশের ‘মহারত্ন’ রাষ্ট্রায়ত্ব ইস্পাত উৎপাদনকারী স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড ( সেইল ) এর অন্যতম হেরিটেজ কারখানা অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট । বিপন্ন সেইল এর অপর অন্যতম দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট ,দুর্গাপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশন ( ডি.টি.পি.এস ) এবং ডিভিসির অন্তর্গত দুর্গাপুর ব্যারেজ তথা দুর্গাপুরের শিল্প ও পানীয় জলের সরবরাহ। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার এ বিষয়ে নিশ্চুপ । দুর্গাপুর লোকসভার কেন্দ্রের তৃণমূলের নির্বাচিত সাংসদ সংসদে এ বিষয়ে কোন আলোচনা করা দুরে থাক , দুর্গাপুরের মানুষ তাঁর নামও ইতিমধ্যে ভুলতে বসেছেন । তবে রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানার ‘নিধন-যজ্ঞ’ এ কেন্দ্রের মোদি সরকারের অন্যতম দোসর হয়ে উঠেছে রাজ্যের মমতা সরকার । ইতিমধ্যে রাজ্য পরিচালনাধীন  ৯০ টি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা সঙ্কুচিত করে ৪৬টি সংস্হায় পরিনত করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের মমতা সরকার । বিক্রী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্গাপুর কেমিক্যালস । চরম বিপন্ন তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্হা ডিপিএল । ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা সহ বন্ধ হয়েছে মোট ২২ টি কারখানা । লক্ষ লক্ষ মানুষ কাজ হারিয়েছে । বিপন্ন দুর্গাপুর জনপদ । ভয়ংকর বিপদ ঘনাচ্ছে রাজ্যের অর্থনীতিতে । সি.আই.টি.ইউ যে লড়াই শুরু করেছিল , আজ ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ আন্দোলনে পরিনত হয়েছে , দুর্গাপুরের সমস্ত অংশের মানুষের জীবন-জীবিকা বাঁচানোর লড়াই এর রূপ নিচ্ছে ।

আজকের মানব-বন্ধন কর্মসূচীতে উপস্হিত ছিলেন সি.আই.টি.ইউ এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়েন্দ্রকৃষ্ণ চক্রবর্তী , আই.এন.টি.ইউ.সি এর বর্ধমান জেলার সভাপতি বিকাশ ঘটক , দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় , শ্রমিকনেতা রথীন রায় , বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,মলয় ভট্টাচার্য,বিজয় সাহা, নির্মল ভট্টাচার্য,সুবীর সেনগুপ্ত,নিমাই ঘোষ,জীবন আইচ,উমাপদ দাস, অনীত মল্লিক, সহ বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ । মানব-বন্ধন চলাকালীন বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুর বাঁচাতে ,অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট সহ সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ব  সংস্হা রক্ষার লড়াই এর জন্য সব ধরনের আত্মত্যাগ করার  শপথ-বাক্য পাঠ করানো হয় ।









Wednesday, 8 February 2017

জমি-মাফিয়াদের হাত থেকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার জমি উদ্ধার ও কোয়ার্টার-জমি লিজিং-লাইসেন্সিং এর দাবীতে বিশাল জমায়েত ।



দুর্গাপুর,৮ই ফেব্রুঃ – আজ দুপুরে , দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার প্রশাসনিক দফ্তরে সামনে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ )-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই.টি.ইউ.সি- এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি - স্টিল এমপ্লয়িজ ফোরাম – লাইসেন্সিং অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ আহ্বানে অবিলম্বে জমি-মাফিয়াদের হাত থেকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার উদ্বৃত্ত জমি উদ্ধার করে চাকুরীরত ও অবসরপ্রাপ্ত সমস্ত ধরনের ইস্পাত ও আনুষাঙ্গিক শ্রমিক-কর্মচারীদের সমবায় প্রথায় জমির লিজিং,  কোয়ার্টার লিজিং-লাইসেন্সিং , এন.জে.সি.এস অনুসারে প্রাপ্য হাউস রেন্ট অ্যালাউন্স , একতরফা ভাবে লাইসেন্সিং ঘরের ফী বৃদ্ধি প্রত্যাহার ও সুষ্ঠ নাগরিক পরিষেবার  দাবীতে এক বিশাল জমায়েত হয় । বক্তব্য রাখেন স্বপন মজুমদার ( এইচ.এস.ই.ইউ , সি.আই.টি.ইউ ), সুব্রত ভট্টাচার্য ( আই.এন.টি.ইউ.সি ),শম্ভূ প্রামানিক (এ.আই.টি.ইউ.সি),বিশ্বনাথ মন্ডল (এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি ),সুরেশ মুখার্জী (স্টিল এমপ্লয়িজ ফোরাম ) ও স্বপন মুখার্জী (লাইসেন্সিং অ্যাসোসিয়েশন ) । জমায়েত চলাকালীন  এক যৌথ প্রতিনিধি দল দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সি.ই.ও দফ্তরে দাবী সম্বলিত স্মারক লিপি জমা দিয়ে , অবিলম্বে ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য দাবী জানান । পরে প্রতিনিধি দলের পক্ষে ললিত মিশ্র ( এইচ.এস.ই.ইউ , সি.আই.টি.ইউ ) জমায়েতে বক্তব্য রেখে , কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরেন ।সভাপতিত্ব করেন কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত ।

এ দিকে , গতকাল , হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) এর ডাকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ই.ডি. দফ্তরে , অবিলম্বে বকেয়া বেতন চুক্তি করার জন্য সেইলে-র  এন.জে.সি.এস এর আলোচনা শুরু ও বিগত এন.জে.সি.এস এর বেতন চুক্তি অনুসারে প্রাপ্য বকেয়া অবিলম্বে মেটানোর দাবীতে শ্রমিকরা বিক্ষোভ দেখান । ইউনিয়নের পক্ষ থেকে  ই.ডি. দফ্তরে দাবী সম্বলিত স্মারক লিপি জমা দেওয়া হয় ।