Wednesday, 8 November 2017

ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের দুর্গাপুর পশ্চিম আঞ্চলিক কমিটির ২-য় সম্মেলন ।



দুর্গাপুর,৮ই নভেঃ – আজ  ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের দুর্গাপুর পশ্চিম আঞ্চলিক কমিটির ২-য় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল বেনাচিতির সুশীল ঘোষ ভবনে ফিদেল কাস্ত্রো নগর ও অর্ণব বোস মঞ্চে ।
 সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের বর্ধমান ( পশ্চিম ) জেলা কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শুভজিত রায়। সম্মেলন কে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপঙ্কর দে ।

 উপস্হিত  ৮৩ জন প্রতিনিধির মধ্যে ছাত্রী প্রতিনিধি ছিলেন ৪৫ জন । সম্মেলন নব নির্বাচিত ১৯ জনের নতুন আঞ্চলিক কমিটির মধ্য ৪ জন ছাত্রী সদস্য । নব নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদক হয়েছেন যথাক্রমে উন্মেষ প্রামানিক ও উৎসব ঘোষ । উল্লেখ্য, গতকাল ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের দুর্গাপুর পশ্চিম আঞ্চলিক কমিটির অন্তর্গত আমরাই ইউনিটের সম্মেলনে উপস্হিত ৩২ জন সদস্যই ছিলেন ছাত্রী এবং ইউনিট সম্মেলন ২০-জন ছাত্রী কে নিয়ে নতুন ইউনিট কমিটি নির্বাচিত করে ।


নোট-বন্দীর প্রতিবাদে দুর্গাপুর জুড়ে প্রবল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ।



দুর্গাপুর,৮ই নভেঃ : নোট-বন্দীর প্রতিবাদে আজ দুর্গাপুর জুড়ে প্রবল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সংগঠিত হয়।পার্টির দুর্গাপুর ইস্পাত ২-নং ও ১-নং এরিয়া কমিটির যৌথ উদ্যোগে চন্ডিদাস বাজারে পথসভায় বক্তব্য রাখেন কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত , প্রকাশতরু চক্রবর্তী ও স্বপন মজুমদার । পার্টির দুর্গাপুর ( পূর্ব ) ৩-নং এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এমএএমসি টাউনশীপ থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে মামড়া বাজারে শেষ হয় । পার্টির দুর্গাপুর ( পূর্ব ) ১-নং এরিয়া কমিটির উদ্যোগে দুর্গাপুর বাজারে ও দুর্গাপুর ( পূর্ব ) ২-নং এরিয়া কমিটির উদ্যোগে বীরভানপুরে পথসভা হয়। পার্টির দুর্গাপুর ( পশ্চিম ) ২-নং এরিয়া কমিটির উদ্যোগে মায়াবাজার ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার মেইন গেটে পথসভা হয় । মায়াবাজারে বক্তব্য রাখেন বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী ও হারাধন ঘোষ এবং মেইন গেটে বক্তব্য রাখেন সলিল দাসগুপ্ত ও কামরে আলম । উভয় পথসভায় উপস্হিত ছিলেন শ্যামা ঘোষ । পার্টির দুর্গাপুর ( পশ্চিম ) ১-নং এরিয়া কমিটির উদ্যোগে বেনাচিতি বাজারের কাইজার মোড়ে পথসভা হয় । বক্তব্য রাখেন বীরেশ্বর মন্ডল  বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী ও আশীষ সিংহরায়। উপস্হিত ছিলেন মহাদেব পাল ।

ডি.ওয়াই.এফ.আই এর উদ্যোগে ৩৮-নং ওয়ার্ড ও মামড়া বাজারে পথসভা হয়।


Tuesday, 7 November 2017

ইস্পাতনগরীতে পালিত হল মহান নভেম্বর বিপ্লবের শতবর্ষ ।



দুর্গাপুর,৭ই নভেঃ : আজ মহান নভেম্বর বিপ্লবের শতবর্ষ পালিত ইস্পাতনগরী জুড়ে । এই উপলক্ষ্য রক্তপতাকা দিয়ে সাজানো হয় আশিষ-জব্বর ভবন , বি.টি.রণদিভে ভবন , চিত্তব্রত মজুমদার ভবন ও অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের ইউনিয়ন দফ্তর । সকালে আশিষ-জব্বর ভবনে রক্তপতাকা উত্তোলন করেন সন্তোষ দেবরায় । বিকালে দুর্গাপুর ইস্পাত ২ নং এরিয়া কমিটির উদ্যোগে  নভেম্বর বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে মিছিল সেইল সমবায় আবাসন অঞ্চলে বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে ।



Sunday, 5 November 2017

ডি.ওয়াই.এফ.আই এর ২১-তম পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্মেলন উপলক্ষ্যে মহঃ সেলিমের জনসভা ঘিরে জোরকদমে প্রচার ।


দুর্গাপুর,৫ই নভেঃ : আগামী ১০ই-১১ই নভেঃ দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হবে ডি.ওয়াই.এফ.আই এর ২১-তম  পশ্চিম বর্ধমান জেলার  সম্মেলন । আগামী ১০ই নভেঃ  সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে  মহঃ সেলিমের জনসভা ও সম্মেলন  ঘিরে জোরকদমে প্রচার ও বিভিন্ন কর্মসূচী চলছে । ৩০০০০ লিফলেট বিলি করা হয়েছে , শহর জুড়ে ১০০টি ফ্লেক্স লাগানো হয়েছে । বিভিন্ন জায়গায় দেওয়াল লিখনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে । গতকাল সকালে রক্তদান শিবির ও বিকালে যুবরা মশাল মিছিল করেন । আজ সকালে ডি.ওয়াই.এফ.আই এর দুর্গাপুর ( পূর্ব ) ১,২ ও ৩ নং অঞ্চল কমিটির যৌথ উদ্যোগে একটি বিশাল বাইক মিছিল পিসিবিএল থেকে শুরু হয়ে এন.বি.এস.টি.সি বাস গ্যারেজ-ডিপিএল কলোনী – বীরভানপুর- সুকুমার নগর-রায়ডাঙ্গা – দুর্গাপুর বাজার – মুচিপাড়া – বিধান নগর – হাডকো – ফুলঝোড় – হরিবাজার হয়ে জেমুয়া গ্রামে শেষ হয় । প্রায় ৩৫ কিমি রাস্তা অতিক্রম করে এই বাইক মিছিলটি । ৩০০ জন যুব সহ সুসজ্জ্বিত ট্যাবলো সহ এই মিছিলে ছিলেন অভ্যর্থনা সমিতির সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার সহ অন্যান্য বর্তমান ও প্রাক্তন যুব নেতৃবৃ্ন্দ । মিছিল শেষে জেমুয়া গ্রামে সভায় বক্তব্য রাখেন ডি.ওয়াই.এফ.আই এর রাজ্য কমিটির সদস্য সিদ্ধার্থ বসু ও প্রাক্তন যুব নেতা রাকেশ শর্মা ।









Friday, 3 November 2017

স্হায়ীকরনের দাবীতে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আন্দোলনরত ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টদের পাশে দাঁড়ালো সি.আই.টি.ইউ ।



দুর্গাপুর,৩রা নভেঃ - দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ২৫০ জন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্ট ভয়ংকর সমস্যার মুখোমুখি । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার জন্মলগ্ন থেকে রীতি অনুসারে ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টরা ট্রেনিং চলাকালীন অথবা ট্রেনিং শেষে শ্রমিক হিসাবে কারখানায় জোগদান করেন । কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে ২০১৬ সালে আগষ্ট মাসে যে ৬০ জন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্ট কারখানায় ট্রেনিং এ জোগদান করেন,তাদের ১ বছরের মাথায় কারখানার কর্তৃপক্ষ বসিয়ে দেয় । এর ফলে ঐ ৬০ জন সহ বর্তমানে ট্রেনিং রত আরও প্রায় ১৮০ জন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টের জীবনে অন্ধকার নেমে এসেছে । এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমেছেন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টরা । অবিলম্বে স্হায়ীকরনের দাবীতে পথে নেমেছেন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টরা । তাদের পাশে দৃঢ় ভাবে এসে দাঁড়িয়েছে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) । ইউনিয়নের পক্ষ থেকে যুগ্ম সম্পাদক প্রকাশতরু চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টদের স্হায়ীকরনের দাবী অত্যন্ত যৌক্তিক । এই মুহুর্তে কারখানায় স্হায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা আশংকাজনক ভাবে কমে গেছে । ট্রেনিং-প্রাপ্ত দক্ষ শ্রমিক ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টরা বরাবর স্হায়ী শ্রমিক হিসাবে কারখানায় যোগদান করে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অবদান রেখেছেন । আসলে ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্ট দের ট্রেনিং শেষে বসিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ব ইস্পাত কর্তৃপক্ষ বকলমে বেসরকারী সংস্হার মত ‘ হায়ার অ্যান্ড ফায়ার ‘ নীতি চালু করতে চাইছে । সি.আই.টি.ইউ এই নীতির তীব্র বিরোধীতা করছে ।
এদিকে গতকাল ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টরা দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার মেইন গেট থেকে মিছিল করে ইস্পাত ভবনের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখান ও অবস্হান-সমাবেশ করেন । সংহতি জানিয়ে উপস্হিত ছিলেন হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) এর নেতৃবৃন্দ । সংহতি জানিয়ে ইউনিয়ন এর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ললিত মিশ্র । ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস্টদের পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধি দল ইস্পাত কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে   অবিলম্বে স্হায়ীকরনের দাবী জানিয়ে একটি স্মারক লিপি জমা দেন । সঙ্গে ছিলেন হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) এর নেতৃবৃন্দ কালী সান্যাল , সৌরভ দত্ত ও জয়ন্ত কুমার দাস ।









Thursday, 2 November 2017

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে জনগনের মন কি বাত শুনতে হবে : ডঃ অসীম দাসগুপ্ত




দুর্গাপুর,২রা নভেঃ : আজ দুর্গাপুর ইস্পাতনগরীর চিত্তব্রত মজুমদার সভাগৃহে         ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের আসন্ন পশ্চিম বর্ধমান জেলা ২১ তম সম্মেলন ( দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গায় ১০-১১ই নভেঃ ) উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘ মন কি বাত : ডিমনেটাইজেশন থেকে জিএসটি ‘ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ডঃ অসীম দাসগুপ্ত একথা বলেন ।
তিনি বলেন যে প্রায় ফ্যাশিষ্ট সুলভ বাগাড়ম্বর করে  প্রধানমন্ত্রী তথাকথিত বি-মুদ্রাকরন বা ডিমনেটাইজেশন এই বলে শুরু করেছিলেন যে এর ফলে সরকার কালো টাকা উদ্ধার করবেন । এখনও পর্যন্ত ৯৯.৯৮% টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে ফেরৎ এলেও কালো টাকার উদ্ধার হয়েছে অতি সামান্যই । সাধারন মানুষ প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা কে বিশ্বাস করেছিলেন । কিন্তু এই বিশ্বাসের মূল্য চোকাতে হয়েছে সাধারন মানুষ কে । ১০০ জনের বেশী খেটে খাওয়া মানুষ প্রান হারিয়েছেন । কৃষি ও বিশেষ করে ছোট শিল্প বিপর্যস্ত হয়ে পরে । অথচ কালো টাকা উদ্ধারের জন্য কার্যকরী বিকল্প পথ থাকা সত্বেও প্রধানমন্ত্রী সে পথে জাননি । প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুইস ব্যাঙ্কে কালো টাকা আছে এমন ৮০০ জনের নামের তালিকা আছে । অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না । মরিশাস-রুট ধরে যে কালো টাকা আসছে প্রধানমন্ত্রী তাকে বিদেশি বিনিয়োগ বলে মহিমান্বিত করেন । কিন্তু কালো টাকা উদ্ধার দুরস্ত । প্রধানমন্ত্রী , আপনার মন কি বাত জনগন অনেক শুনেছেন , কিন্তু এবার আপনা কে জনতার মন কি বাত শুনতে হবে । ডঃ অসীম দাসগুপ্ত পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন যে সাম্প্রতিক হিসাব অনুসারে ( ২০১০ সাল ) দেশের জাতীয় আয়ের ২৫% কালো টাকা । অর্থমূল্যে প্রায় ৩৫ লক্ষ কোটি টাকা , যা উদ্ধার করা গেলে দেশের কর্মসংস্হান সহ অন্যান্য কল্যানকামী কাজে অসাধারন উন্নতি ঘটানো যাবে । এর রেশ ধরেই ডঃ দাসগুপ্ত বলেন যে জিএসটি লাগু করার ক্ষেত্রে ও একই রকম ভাবে তালগোল পাকানো নীতি নেওয়ার জন্য উন্নত, যুক্তিনির্ভর ও সরলীকৃত কর-ব্যবস্হার বদলে একটি জটিল এবং ক্ষতিকারক কর ব্যবস্হা চালু হয়েছে । তিনি বলেন যে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে ২০০০-২০১০ পর্যন্ত এমপাওয়ারড কমিটির সভাপতি  হিসাবে তিনি কাজ করেছিলেন । সেই কমিটি দেশে উন্নত, যুক্তিনির্ভর ও সরলীকৃত কর-ব্যবস্হা চালু করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ভ্যাট কর-ব্যবস্হা চালুর সুপারিশ করেছিল এবং ২০০৫ সাল থেকে এই ব্যবস্হা চালু হলে ২২% হারে বার্ষিক রাজস্ব বৃদ্ধি ঘটে এবং জনগনের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের একটা বড় অংশই করের ছাড় পায় । করাদাতাদের প্রশিক্ষিত করা হয়েছিল । ভ্যাট কর-ব্যবস্হা কে উন্নত করার জন্য জিএসটি কর-ব্যবস্হা চালু করার জন্য তার নেতৃত্বে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের পর্যন্ত এমপাওয়ারড কমিটির সুপারিশ তৎকালীন ইউপিএ সরকার মেনে নিলেও তৎকালীন গুজরাটের মোদি সরকার ও অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্য সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে তা লাগু হতে দেন নি । তিনি এই বিষয়টি বিজেপি নেতাদের বোঝানো চেষ্টা করেছিলেন র মধ্যে বর্তমান অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি ছিলেন । তিনি বলেন যে জেটলি বর্তমানের ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি কর-ব্যবস্হা চালু করতে গিয়ে ঐ ঘটনার বিকৃত ব্যাখ্যার অবতারন করেছেন । ডঃ দাসগুপ্ত বলেন যে অবিলম্বে ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি কর-ব্যবস্হার সংশোধন করে এমপাওয়ারড কমিটির সুপারিশ অনুসারে জিএসটি চালু করলে জনগনের উপরে অযথা করের বোঝা লাঘব হবে ,প্রভূত রাজস্ব আদায় ঘটবে,রাজ্য গুলি করের নায্য ভাগ পাবে এবং জীবনদায়ী ওষুধ প্রভৃতির ক্ষেত্রে কর বসবে না । অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ভোলানাথ ঘোরুই । সেমিনারের সূচনায় বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি সন্তোষ দেবরায় ও সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার । উপস্হিত ছিলেন গৌরাঙ্গ চ্যাট্যার্জী ,রথীন রায়,অজিত মুখার্জি,বিনয়েন্দ্রকিশোর  চক্রবর্তী ,নির্মল ভট্টাচার্য,সুবীর সেনগুপ্ত,সলিল দাসগুপ্ত,বিশ্বরূপ ব্যানার্জী, সিদ্ধার্থ বসু , শুভাশীষ মাইতি সহ প্রাক্তন ও বর্তমান যুব নেতৃবৃন্দ এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ।
এদিকে ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের আসন্ন পশ্চিম বর্ধমান জেলা ২১ তম সম্মেলন উপলক্ষ্য দুর্গাপুর জুড়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে । সম্মেলনের জন্য যুব সদস্যদের প্রত্যেকে অর্থদান করছেন । অর্থ সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন শ্রমিকরা ও সাধারন মানুষ । সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে আগামী ১০ই নভেঃ সগরভাঙ্গায় বক্তব্য রাখবেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সম্পাদক ও সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম ।























Wednesday, 1 November 2017

বাস্তবতার নিরিখে কর্মসংস্হানে ব্যর্থ দিল্লি ও নবান্ন উভয় : মানব মুখার্জী

  

দুর্গাপুর,১লা নভেঃ : আজ দুর্গাপুরের বেনাচিতি-র আনন্দধারা সভাগৃহে         ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের আসন্ন পশ্চিম বর্ধমান জেলা ২১ তম সম্মেলন ( দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গায় ১০-১১ই নভেঃ ) উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে একথা বলেন প্রাক্তন যুবনেতা মানব মুখার্জী । কর্মসংস্হান ও বাস্তবতা : দিল্লি টু নবান্ন  শীর্ষক সেমিনারে একমাত্র বক্তা মানব মুখার্জী বলেন যে পুঁজিবাদী ব্যবস্হার সাথে বেকারী অঙ্গাঙ্গী ভাবে যুক্ত । পুঁজি মুনাফার পিছনে দৌড়ায় । সেই দৌড়ের সাথে কর্মসংস্হান বৃদ্ধির সম্পর্ক বিপরীতমুখী না হলেও খুব সহায়কও নয় । প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে সংকটগ্রস্হ পুঁজিবাদী ব্যবস্হায় কর্মসংস্হান এর জন্য কেইন্সীয় দাওয়াই এর ফলে রাষ্ট্রের ‘ সোশ্যাল-ওয়েলফেয়ার ‘ এর দায়িত্বও আজ নয়া উদারনৈতিক বাদের ঠেলায় বিপর্যস্ত । স্বাধীনোত্তোর ভারতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্রের মাধ্যমে কর্মসংস্হানের যে উদ্যোগ নেওয়া হয় , প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই স্বল্প ছিল । আসলে ভারতীয় পুঁজিপতিদের তৎকালীন দূর্বল পুঁজি কে বিকাশ ঘটানোর জন্য ভারতীয় রাষ্ট্র কে ব্যবহার করার নীতি নেওয়া হয়েছিল । কিন্তু আজ সেই নীতিও পরিত্যাগ করে রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্র কে ধ্বংস করার জন্য রাষ্ট্র কে ব্যবহার করা হচ্ছে । কর্মসংস্হানের দায়িত্ব থেকে রাষ্ট্র কে হাত গুটিয়ে , বাজারের হাতে তুলে দেওয়ার যে নীতি নেওয়া হয়েছে । বাজারের আগ্রাসী নীতির  সাথে পাল্লা দিয়ে কমছে কর্মসংস্হান । ফাটকা বাজারী বিনিয়োগে অতি ধনীদের অকল্পনীয় মুনাফায় কাজের সংস্হান তলানিতে ঠেকেছে শিল্প ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রেই । এই সর্বনাশা বাজারী অর্থনীতির প্রয়োগের ক্ষেত্রে দিল্লি থেকে নবান্ন উভয়েই ব্যাকুল । পঃ বঙ্গে গোদের উপরে বিষফোঁড়া তৃণমূলের তোলা ও সিন্ডিকেট রাজ । যে রাজ্যে একটা লেদ মেশিন বসাতেও তোলা দিতে হয় , সেখানে কে শিল্পে বিনিয়োগ করতে আসবে ? যে উইপ্রো-ইনফোসিস এর নামে বাজার মাত করার চেষ্টা করার চেষ্টা করছে , সেই উইপ্রো-ইনফোসিস তো আসছে রিয়াল এস্টেটে বিনিয়োগ করতে , আই.টি তে বিনিয়োগ অথবা কর্মসংস্হানের জন্য নয় । মানব মুখার্জী  ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের আসন্ন পশ্চিম বর্ধমান জেলা ২১ তম সম্মেলন কে কর্মসংস্হানের জন্য বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান  জানান ।  সেমিনারের সূচনায় সঞ্চালক প্রখ্যাত সাংবাদিক ত্রিদিব ভট্টাচার্য ফোর্বস পত্রিকার থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে সারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বিকাশের হার কমেছে ভারতে । তাই সকলের জন্য কাজের দাবীতে ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের লড়াই এর ভিত্তি আরও প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে । সেমিনারের সূচনায় বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি সন্তোষ দেবরায় ও সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার । উপস্হিত ছিলেন গৌরাঙ্গ চ্যাট্যার্জী , পার্থ মুখার্জী , মহাব্রত কুন্ডু , বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী , পরেশ মন্ডল, সিদ্ধার্থ বসু , শুভাশীষ মাইতি সহ প্রাক্তন ও বর্তমান যুব নেতৃবৃন্দ ।

এদিকে ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের আসন্ন পশ্চিম বর্ধমান জেলা ২১ তম সম্মেলন উপলক্ষ্য দুর্গাপুর জুড়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে । সম্মেলনের জন্য যুব সদস্যদের প্রত্যেকে অর্থদান করছেন । অর্থ সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন শ্রমিকরা ও সাধারন মানুষ । সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে আগামী ১০ই নভেঃ সগরভাঙ্গায় বক্তব্য রাখবেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সম্পাদক ও সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম । সম্মেলনের বার্তা পৌঁছে দিতে আগামীকাল ইস্পাতনগরীর চিত্তব্রত মজুমদার ভবনে আরেকটি সেমিনার হবে । মন কি বাত : ডিমনেটাইজেশন থেকে জিএসটি শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখবেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অসীম দাসগুপ্ত ।