Sunday, 19 November 2017

প্রয়াত পার্টি সদস্যা শিখা বল এর স্মরন সভা ।



দুর্গাপুর, ১৭ই নভেঃ – গত ১১ই নভেঃ প্রয়াত হয়েছেন পার্টি সদস্যা শিখা বল । তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১। তাঁর দুই পুত্র,দুই পুত্রবধূ ও নাতি বর্তমান।
শিখা বল ১৯৫৬ সালে খড়গপুরে হিজলীতে জন্মগ্রহন করেন । বিবাহসূত্রে তিনি দুর্গাপুরে আসেন । তাঁর স্বামী দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিক আশুতোষ বল প্রয়াত হলে সন্তান সহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিকুলতার মধ্যে পারিবারিক দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে তিনি গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির কাজের সাথে যুক্ত হয়ে নেতৃত্বের ভুমিকা পালন করেন । পার্টির দুর্গাপুর ইস্পাত ৩নং এরিয়া সাংগঠনিক কমিটির অন্তর্গত শিবাজী রোড শাখার পার্টি সদস্যা শিখা বল গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির ইস্পাতনগরীর এ-জোন জোনাল কমিটির সদস্যা ছিলেন । ২০০৩ সালে তিনি পার্টি সভ্যপদ লাভ করেন ।
জনপ্রিয় ও পার্টির শৃংখলাবদ্ধ সৈনিক শিখা বলের স্মরনে আজ পার্টির দুর্গাপুর ইস্পাত ৩নং এরিয়া সাংগঠনিক কমিটির পক্ষ থেকে শিবাজী রোড সেক্টর অফিসে আয়োজিত স্মরন সভায় বহু মানুষের সমাগম হয় ।
শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জীবন আইচ । স্মৃতিচারন ও বক্তব্য রাখেন পার্টির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সন্তোষ দেবরায় , নির্মল ভট্টাচার্য , সারা ভারত গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির পঃ বঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্যা আল্পনা চৌধুরী,কাজল চ্যাটার্জী,কে.এস.ব্যানার্জী প্রমূখ । উপস্হিত ছিলেন পার্টির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সুবীর সেনগুপ্ত , প্রাক্তন বিধায়িকা অর্চনা ভট্টাচার্য প্রমূখ ।








Friday, 17 November 2017

প্রয়াত পার্টি সদস্যা শিখা বল ।



দুর্গাপুর, ১৭ই নভেঃ – গত ১১ই নভেঃ প্রয়াত হয়েছেন পার্টি সদস্যা শিখা বল । তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১। তাঁর দুই পুত্র,দুই পুত্রবধূ ও নাতি বর্তমান।

পার্টির দুর্গাপুর ইস্পাত ৩নং এরিয়া কমিটির অন্তর্গত পার্টি সদস্যা শিখা বল গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির এ-জোন জোনাল কমিটির সদস্যা ছিলেন । ২০০৩ সালে তিনি পার্টি সভ্যপদ লাভ করেন ।

Saturday, 11 November 2017

প্রয়াত পার্টির ঘনিষ্ঠ দরদী পি.এস.ঘোষ ।



দুর্গাপুর, ১১ই নভেঃ – গত ৭ই নভেঃ প্রয়াত হয়েছেন পার্টির ঘনিষ্ঠ দরদী ও ইস্পাত ঠিকা শ্রমিক আন্দোলনের সূচনা লগ্নের অন্যতম অগ্রনী নেতা পি.এস.ঘোষ । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫। তাঁর স্ত্রী,কন্যা ও পুত্র বর্তমান। তাঁর মরদেহ ইস্পাতনগরীর চিত্তব্রত মজুমদার ভবনে নিয়ে আসা হলে নেতৃত্ব সহ বহু সাধারন মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান ।
গত শতাব্দীর ৬০ এর দশকের শেষভাগে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ঠিকা শ্রমিক আন্দোলনের সূচনায় প্রতিষ্ঠিত হয় ইউনাইটেড কন্ট্রাক্টার ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ( ইউ.সি.ডব্লু.ইউ ,সি.আই.টি.ইউ ) । প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই পি.এস.ঘোষ ইউ.সি.ডব্লু.ইউ এর অন্যতম নেতা হয়ে ওঠেন ও পরবর্তীকালে ইউয়নের যুগ্ম-সম্পাদক হয়েছিলেন । তিনি ইস্পাত শ্রমিকদের সর্ব-ভারতীয় সংগঠন এস. ডব্লু.এফ.আই (সি.আই.টি.ইউ ) এর কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন । ৬০ এর দশকের শেষভাগে পার্টি সভ্যপদ লাভ করেন । পরবর্তীকালে পার্টির আঞ্চলিক কমিটির সদস্য হয়েছিলেন । ১৯৯৪ সালে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার স্হায়ী শ্রমিক হয়েছিলেন । সেক্টর সংগঠন ও ক্লাব সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রও গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন । শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে তাঁকে বহুবার দৈহিক ও বিবিধ আক্রমনের শিকার হতে হয় , জেলে যেতে হয় । রোগগ্রস্হ হয়ে শারীরিক অক্ষমতার জন্য সাম্প্রতিককালে পার্টি সভ্যপদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন ।
তাঁর মৃ্ত্যুতে ইউ.সি.ডব্লু.ইউ এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে ।



যে কোন পরিস্হিতি মোকাবিলার জন্য উপযুক্ত সংগঠন গড়ার আহ্বান জানিয়ে শেষ হল পশ্চিম বর্ধমান জেলার যুব সম্মেলন ।



দুর্গাপুর,১১ই নভেঃ – আজ বিকালে দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গায় শেষ হল ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২-দিন ব্যাপি জেলা সম্মেলন । আজ সম্মেলনে  বক্তব্য রাখেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সায়নদীপ মিত্র । এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অভ্যর্থনা সমিতির পক্ষে সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার । উপস্হিত ছিলেন অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি ও দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।

সম্মেলন ৫০ জনের জেলা কমিটি নির্বাচিত করেছে । সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে হেমন্ত প্রভাকর ও অনামিকা সরকার । কোষাধ্যক্ষ ও যুবশক্তির দায়িত্বে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে জয় বারুই ও বৃন্দাবন রুইদাস ।







অত্যাচারি-শোষকদের মুখ বদলেছে , আসল লক্ষ্য হোক শোষন-বঞ্চনার অবসান : মহঃ সেলিম



দুর্গাপুর ,১০ই নভেঃ : আজ দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গা হাউসিং কলোনীর পোষ্ট অফিস ময়দানে ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২১-তম জেলা সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় একথা বলেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সম্পাদক ও সিপিআই(এম) এর পলিট ব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম । তিনি বলেন যে ভারতের ব্রিটিশ শাসনের অবসানে স্বাধীনোত্তোর ভারতে একে একে বিভিন্ন দল ক্ষমতায় এসেছে ও বিদায় নিয়েছে কিন্তু শোষন-বঞ্চনা-দূ্র্ণীতির অবসান হয় নি ,বরং বেড়েছে । নেতাদের মুখ বদল হয়েছে কিন্তু নীতি বদল হয় নি । এখানেই পার্থক্য বাম রাজনীতির সাথে দক্ষিনপন্হী রাজনীতির । ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনে কোন মুখ সামনে রেখে চলে না , কেবল মাত্র নীতি-আদর্শবোধে অবিচল , সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে স্হির ।কেবল চাকরীর জন্য নয় , ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনে সমস্ত ধরনের অমঙ্গলের বিরুদ্ধে ও সব কটি মৌলিক অধিকারের জন্য লড়াই করছে ।   ২০১৪ সালে ভারতের রাজনীতিতে হৈ-হুল্লোর সৃষ্টি করে ‘ অবতার ‘ মোদি কালো টাকা উদ্ধার ও প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছলেন । পরে নোট-বন্দী করলেন । কালো টাকা উদ্ধার হল কোথায় ? প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি কোথায় গেল ? পানামা পেপার,প্যারাডাইস পেপার এর তদন্ত কোথায় হল ?উল্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিত সিং , অমিত শাহর ছেলে  জয় শাহ অথবা জাতীয় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ছেলের দূর্ণীতি সামনে আসছে । একই অবস্হা রাজ্যের ।নারদা-সারদা কেলেংকারির সাথে বাই ওয়ান গেট ওয়ান – এর মত মমতা ব্যানার্জীর সাথে তার ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জীর ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ড’ সংস্হার কেলেংকারী আজ প্রকাশ্যে এসেছে । ‘মা-মাটি-মানুষ’ এর শ্লোগানের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক নির্মম প্রতারনা । ‘মা’এর মর্ম বুঝেছেন বিমল গুরুং,কিষানজী ।  ‘মাটি’ বাংলার ভবিষ্যত কে  কাদায় পরিনত করেছে এবং ‘মানুষ’ এর নামে অমানুষে পরিনত করার চেষ্টা হচ্ছে । মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন চিটফান্ড কেলেংকারীর নায়কদের ধরবেন । উল্টে সিবিআই তদন্তের নামে নাটক করছে । এখন আবার দূর্ণীতির অন্যতম নায়ক মুকুল রায় কে দলে নিয়েছেন । অন্যদিকে মিডিয়ার একাংশ তুবড়ির মত ফুলঝড়ি ছড়িয়ে ‘দিদিভাই-মোদিভাই’-কে শিরোনামে রাখার চেষ্টা করছে । কিন্তু ফুলঝড়ির শেষে যেমন পোড়া সুতলি পড়ে থাকে,আজকে তেমনি  তৃণমূল ও বিজেপির দূর্ণীতিগ্রস্হ কংকালসার চেহারা লুকিয়ে রাখা যাচ্ছে না । বামপন্হীরা মানুষ কে সাথে নিয়ে সমস্ত ধরনের  শোষন-বঞ্চনা-দূ্র্ণীতির অবসানে জোরদার লড়াই সংগঠিত করছে । এই লক্ষ্য ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২১-তম জেলা সম্মেলন আলোচনা হবে ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্হা গ্রহন করবে ।
এর আগে ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পঃ বঙ্গ রাজ্য সম্পাদক জামির মোল্লা বলেন যে তৃণ থাকলে গরু চড়তে আসে ।তৃণমূল যতই সন্ত্রাস করুক না কেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনে কোন ভাবেই মাথা নোয়াবে না । এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাংগঠনিক কমিটির আহ্বায়ক পরেশ মন্ডল । সভাপতিত্ব করেন শুভাশীষ মাইতি ।
এর আগে দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গার অভিনন্দন লজের রোহিত ভেমুলা মঞ্চ ও গৌরি লঙ্কেশ নগরে শুরু হয় ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২১-তম জেলা সম্মেলন । পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাংগঠনিক কমিটির সহ-সভাপতি ওয়াসিমুল হক ।

সম্মেলন চলবে আগামীকাল অবধি । প্রকাশ্য সমাবেশে শেষ হওয়ার পর প্রতিনিধি সম্মেলন শুরু হয়েছে । উদ্বোধনী ভাষন দিয়েছেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পঃ বঙ্গ রাজ্য সম্পাদক জামির মোল্লা ।





































Thursday, 9 November 2017

কঠিন সময়ের চ্যালেঞ্জর মোকাবিলায় ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২১-তম জেলা সম্মেলনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত ।



দুর্গাপুর,৯ই নভেঃ : রাত পেরোলেই দুর্গাপুরের সগরভাঙ্গার অভিনন্দন লজের রোহিত ভেমুলা মঞ্চ ও গৌরি লঙ্কেশ নগরে শুরু হবে ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২১-তম জেলা সম্মেলন । দু-দিন ব্যাপি ( ৯-১০ নভেঃ )  সম্মেলনের সূচনায় প্রকাশ্য সমাবেশে সগরভাঙ্গার হাউসিং কলোনীর পোষ্ট অফিস ময়দানে বক্তব্য রাখবেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সম্পাদক ও সিপিআই(এম) এর পলিট ব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম । অভ্যর্থনা সমিতির সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার জানিয়েছেন যে সারা জেলার থেকে আগত ২৫০ জন প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশ নেবেন । সম্মেলনে উদ্বোধন করবেন ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পঃ বঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক জামির মোল্লা। এই সম্মেলন ঘিরে ইতিমধ্যই শিল্পনগরী দুর্গাপুর জুড়ে প্রচার ও অর্থ সংগ্রহ চলেছে । ৩০,০০০ লিফলেট বিলি হয়েছে , ১০০ ফেস্টুন লাগানো হয়েছে । হয়েছে অজস্র দেওয়াল লিখন । দুটি সেমিনার হয়েছে । বক্তব্য রেখেছেন ডঃ অসীম দাসগুপ্ত ও মানব মুখার্জী ।
আজ সম্মেলন স্হল ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে । এক ঝাঁক যুব ও যুবতী কর্মী সম্মেলন স্হল নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলেছেন । তাদের সাথে হাত লাগিয়েছেন অন্যান্য গণ আন্দোলনের কর্মীবৃন্দ । উপস্হিত অভ্যর্থনা সমিতির সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার জানালেন যে সম্মেলন স্হল ২৯-নং ওয়ার্ডে অবস্হিত । গত ১৩ই আগষ্ট দুর্গাপুর পৌর নির্বাচনের দিন তৃণমূলের ভয়ংকর তম সন্ত্রাসের সামনে রুখে দাঁড়িয়েছিল এই ওয়ার্ডের বাম কর্মী-সমর্থকরা।

শিল্প-কেন্দ্রীক এই জেলা রাজ্যের সর্বাধিক শিল্প-নিবির জেলা হিসাবে পরিচিত । বিশেষ করে রাজ্যের সবচেয়ে বেশী বৃহৎ ও ভারী শিল্প এবং কয়লা খনি অঞ্চল আছে এই জেলায় । কিন্তু কেন্দ্রের মোদি ও রাজ্যের মমতা ব্যানার্জী সরকারের ‘কৃপাদৃষ্টি’ তে রাজ্যের মূল শিল্পাঞ্চল শুকিয়ে মরা’র উপক্রম হয়েছে । তার সাথে যুক্ত হয়েছে পুলিশের সহযোগিতায়  তৃণমূলের সর্বব্যাপি প্রায় ফ্যাসিবাদী কায়দায় চরম সন্ত্রাস এবং বিজেপি-আরএসএস ও তৃণমূলের সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়ানোর কুটিল চক্রান্ত । 

তাই জেলার সাথে সাথে সারা রাজ্যের যুবক-যুবতীরা , কঠিন সময়ের চ্যালেঞ্জর মোকাবিলায় ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের পশ্চিম বর্ধমান জেলার ২১-তম জেলা সম্মেলন কি সিদ্ধান্ত নেয় সে দিকে গভীর আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করে আছে ।