Tuesday, 6 February 2018

ভাইজ্যাগ ইস্পাত কারাখানার ( আর.আই.এন.এল ) এর ইউনিয়ন স্বীকৃতি নির্বাচনে সি.আই.টি.ইউ জয়ী ।




দুর্গাপুর,৬ই ফেব্রুঃ : গতকাল অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রায়ত্ব ইস্পাত কারখানা ভাইজ্যাগ স্টিল প্ল্যান্ট ( আর.আই.এন.এল ) এর ইউনিয়ন স্বীকৃতি নির্বাচনে সি.আই.টি.ইউ জয়ী হয়েছে । সি.আই.টি.ইউ অনুমোদিত স্টিল প্ল্যান্ট এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন  নিকটতম আই.এন.টি.ইউ.সি ইউনিয়ন  কে ১৯৮ ভোট পরাস্ত করে জয়ী হয়েছে । প্রদত্ত ১১,১২৪ ভোটের মধ্যে সি.আই.টি.ইউ – ৩৭৮৪,আই.এন.টি.ইউ.সি-৩৫৮৬ ও এ.আই.টি.ইউ.সি – ৩২৩৪ টি ভোট পেয়েছে।বি.এম.এস মাত্র ১২৬টি ভোট পেয়েছে।

স্টিল ওয়ার্কার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (সি.আই.টি.ইউ ) এর পক্ষে সম্পাদক পি.কে.দাস এই জয়ের জন্য ভাইজ্যাগ স্টিল প্ল্যান্ট ( আর.আই.এন.এল ) এর শ্রমিকদের অভিন্দন জানিয়েছেন ।



Sunday, 4 February 2018

প্রয়াত পার্টি সদস্য অজয় দাসের স্মরণসভা ।




দুর্গাপুর,৪ঠা ফেব্রুঃ : আজ বেনাচিতি অঞ্চলের সুভাষপল্লীতে অনুষ্ঠিত হল প্রয়াত পার্টি সদস্য অজয় দাসের স্মরণসভা । গত ১৪ই জানুঃ তিনি প্রয়াত হয়েছেন । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ । তাঁর একমাত্র কন্যা,৯০-রোর্দ্ধ মা,দাদা-দিদি-বোন বর্তমান ।
প্রয়াত পার্টি সদস্য অজয় দাসের আদি বাড়ী আসামের পাণ্ডু শহরে । ১৯৬২ সালে বাবার হাত ধরে দুর্গাপুরে আসেন । বাবা ছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । পরিবারের তীব্র আর্থিক অনটনের জন্য  অজয় দাসের প্রথাগত শিক্ষা খুব বেশী দুর এগোয় নি ।এই সময়ে বেনাচিতির রাধাকৃষ্ণ পল্লী ( জলখাবার গলি ) তে বসবাসের সময়ে পার্টি সমর্থক ও দরদীদের সংশ্পর্ষে আসেন ও পার্টি-দরদী হয়ে ওঠেন । ১৯৭১ সালে তিনি দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় ঠিকা শ্রমিক হিসাবে কাজ যোগদান করেন ও ঠিকা শ্রমিকদের সংগঠন ইউ.সি.ডব্লু.ইউ এর আগুসারি কর্মী হিসাবে পরিনত হয়েছিলেন । এই অপরাধে ১৯৭৪ সালে ৭০০ জন ঠিকাশ্রমিক সাথে তিনিও কাজের জায়গা থেকে উচ্ছেদ হয়েছিলেন । ১৯৭৬ সালে কাজ ফিরে পান । ১৯৯১ সালে স্হায়ী শ্রমিক হিসাবে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ব্লাষ্ট ফার্ণেসে বিভাগে কাজে যোগ দেন ও ২০১৪ সালে অবসর গ্রহন করেন ।
যুব ফ্রন্টের মাধ্যমে ১৯৮২ সালে পার্টি সভ্যপদ লাভ করেন । বেনাচিতি অঞ্চলে যুব সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছিলেন । পরবর্তীকালে বেনাচিতি অঞ্চলে সি.আই.টি.ইউ অনুমোদিত রিক্সা ও ভ্যানচালক ইউনিয়নের অন্যতম সংগঠক হয়ে উঠেছিলেন । পার্টির লোক্যাল ও জোনাল কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি পার্টির দুর্গাপুর পশ্চিম-১ এরিয়া কমিটির ১৭-নং শাখার সদস্য ছিলেন । ৭০-এর দশকে আধা-ফ্যাসিাদী সন্ত্রাস এর সময় শারীরিক ভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন । মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হয় । ২০১৬ সালে নির্বাচনে ভোট-লুঠ রুখতে গিয়ে তৃণমূলীদের হাতে আক্রন্ত হয়েছিলেন । কিন্তু পার্টি-অন্ত প্রান প্রয়াত অজয় দাস সন্ত্রাসের মধ্যেও পার্টির কাজে ছিলেন অবিচলিত । যেমন ছিলেন গরীব মানুষের খুব কাছের মনুষ । বেনাচিতি অঞ্চল জুড়ে  পার্টির প্রচার করতেন । শ্লোগান দেওয়া থেকে গণ সংগীত গেয়ে মানুষ কে উদ্বুদ্ধ করা – সব কাজেই তিনি আগুয়ান ছিলেন । ছিল মানুষের সাথে নিবির যোগাযোগ ।
আজ তার স্মরণসভায় ভীড় উপচে পড়ে । সভার শুরুতে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন পার্টির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্পাদক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জী,মহাদেব পাল,মহাব্রত কুন্ডু , সন্তোষ দেবরায় , বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী , পার্থ মুখার্জী , পঙ্কজ রায় সরকার , সুবীর সেনগুপ্ত, শ্যামা ঘোষ ও প্রয়াত অজয় দাস এর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর ভাইপো তন্ময় দাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও অসংখ্য মানুষ । শোকপ্রস্তাব উথ্থাপন করেন আশিষ সিংহরায় । স্মরণসভায় নেতৃবৃ্ন্দের পক্ষ থেকে প্রয়াত অজয় দাস এর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয় ।













Monday, 29 January 2018

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর প্রস্তাবিত বিলগ্নীকরন রুখতে ও দুর্গাপুর ইস্পাতের আধুনিকীকরন-সম্প্রসারনের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ।




দুর্গাপুর,২৯শে জানুঃ : আজ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সি.ই.ও দফ্তরের সামনে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ 
সমাবেশ যে কোন মূল্যে মোদি সরকারের প্রস্তাবিত অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর  স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট কে রোখার শপথ নেয় । গত দেড় বছর ধরে যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে ইস্পাত শ্রমিক ও দুর্গাপুরের বাসিন্দাদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর প্রস্তাবিত বিলগ্নীকরন রুখতে ও দুর্গাপুর ইস্পাতের আধুনিকীকরন-সম্প্রসারনের দাবীতে লড়াই-আন্দোলন পরিচালনা করা হচ্ছে ।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সি.ই.টি.ইউ এর পশ্চিম বর্ধমান জেলা সম্পাদক বংশগোপাল চৌধুরী রাজ্যের তৃণমূল সরকার কে মোদি সরকারের প্রস্তাবিত অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর  স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট এর বিষয়ে অবস্হান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান । তিনি বলেন যে মোদি সরকারের প্রস্তাবিত স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্টের তালিকায় সেইলের বিশেষ ইস্পাত উৎপাদক সংস্হা সালেম ও ভদ্রাবতী থাকলেও যথাক্রমে তমিলনাড়ু ও কর্নাটক সরকারের প্রকাশ্যে তীব্র আপত্তি থাকায় কোন সংস্হা ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেষ্ট ‘ দেখানোর সাহস পায় নি । কেন একই অবস্হান গ্রহন করে পঃ বঙ্গ সরকার অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসছেন না ? এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যৌথমঞ্চের যৌথ আহ্বায়ক বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী ও বিকাশ ঘটক , পি.কে.দাস , বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,আমীর হায়দার, অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে এই লড়াই আরও ঐক্যবদ্ধ ও প্রসারিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে ।
সমাবেশ চলাকালীন যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে সি.ই.ও দফ্তরে স্মারকলিপি  জমা দিয়ে অবিলম্বে প্রস্তাবিত অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর  স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট ও সংশ্লিষ্ট ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেষ্ট ‘  বাতিলের দাবী জানানো হয়েছে ।





Sunday, 28 January 2018

প্রস্তাবিত এফ.আর.ডি.আই বিল আমানতকারীদের সঞ্চয় লুঠ ও রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কিং ব্যবস্হা কে সমূলে ধ্বংস করার চক্রান্ত : প্রদীপ বিশ্বাস




দুর্গাপুর,২৮শে জানুঃ : আজ বিকালে ইস্পাতনগরীতে অবসরপ্রাপ্ত ইস্পাত শ্রমিক-আধিকারিকদের দুই সংগঠন যথাক্রমে ‘এক্স-এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোঃ অফ ডিএসপি এ্যান্ড সেইল “ ও “ দুর্গাপুর সহমর্মী “এক্স-এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোঃ অফ এ.এস.পি.”–র যৌথ উদ্যোগে প্রস্তাবিত দানবীয়  এফ.আর.ডি.আই. বিল এর বিরুদ্ধে আয়োজিত এক জনসভায় একথা বলেন ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া-র সর্বভারতীয় সম্পাদক প্রদীপ বিশ্বাস ।
তিনি বলেন যে ১৯৬৯ সালের ১৯শে জুলাই ভারতের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্হা জাতীয়করন ,স্বাধীন ভারতের অর্থনৈতিক ব্যবস্হায় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিল । রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক এর অসামান্য অবদান হল সবুজ বিপ্লব , যা দেশ কে খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করে তুলেছিল । এই প্রথম ভারতের কৃষক মহাজনী-ঋন থেকে অনেকটা মুক্ত হয়ে ফসল উৎপাদনের প্রাথমিক বাধা কাটাতে সংক্ষম হয়ে উঠতে শুরু করেন । পরবর্তীকালে গ্রামীন ব্যাঙ্ক ( ১৯৭৫ ) ও নাবার্ড ( ১৯৮০ ) গঠন ভারতের গ্রামীন অর্থনীতির উন্নয়নে যথেষ্ঠ সহায়ক হয়ে ওঠে । এর আগে বেসরকারী ব্যাঙ্কিং ব্যবস্হায় গ্রামীন ক্ষেত্র পুরোপুরি অবহেলিত ছিল । নির্দেশিকা অনুসারে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক এর মোট বিনিয়োগের ৪০%  কৃষি ( ১৮% )- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প – স্বনির্ভর গোষ্ঠী – শিক্ষা ঋনে জন্য বরাদ্দ ছিল । জাতীয়করনের আগে দেশে ব্যাঙ্কের শাখা ছিল ৮০০০ ও মূলতঃ শহর-কেন্দ্রীক । জাতীয়করনের পরে ১৯৯১ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক এর শাখা ৬৫০০০ এর কাছে পৌছায় । কর্মী সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়ায় ২ লক্ষ (জাতীয়করনের আগে)  থেকে ৯ লক্ষ । কিন্তু ১৯৯১ সালে দেশে নয়া উদার অর্থনীতি চালু হওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্হার উপরে আঘাত আসতে শুরু করে । ১৯৯৩ সালে আইন সংশোধন করে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক এর ৪৯% শেয়ার বেসরকারী হাতে বেচে দেওয়ার রাস্তা খুলে দেওয়া হয় । এর মধ্যেও রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক এর ভুমিকায় ২০০৮ বিশ্বজোড়া অর্থনীতির ধ্বসের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি বেঁচে যায় । রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক এর এই অনবদ্য ভুমিকা, উদরনীতিবাদের প্রবক্তারাও মানতে বাধ্য হন । কিন্তু ২০১৪ সালে মোদি সরকার এর আমলে এক দিকে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কিং ব্যবস্হার উপরে চরম আঘাত আসতে শুরু করেছে । বলা হচ্ছে ব্যাঙ্ক কেবল ব্যবসা করবে । আগে ব্যাঙ্কার্স কনফারেন্সের (ব্যাঙ্ক-কন ) এ বক্তব্য রাখতেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা । এখন বক্তব্য রাখেন ধর্মীয় গুরুরা ! বিশেষতঃ ২০১৫ সালে ‘ইন্দ্রধনুষ’  ঘোষনায় রাষ্ট্রায়ত্ব  ব্যাঙ্কিং ব্যবস্হার মৃ্ত্যু পরোয়ানা ঘোষনা করা হয়েছে । অন্যদিকে পরিচিত ও শাসকদলের ঘনিষ্ঠ কর্পোরেট গোষ্ঠীর কাছে অনাদায়ি ঋনের পরিমান বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১০ লক্ষ কোটি টাকা । সর্বদা লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ব  ব্যাঙ্ক এবার ১৫০০ কোটি টাকার লোকসান করেছে । এরপরে মোদি সরকারের পক্ষ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে ভয়ংকরতম এফ.আর.ডি.আই বিল যা ‘বেইল আউট’এর বাহানায় সরাসরি ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সঞ্চয় প্রকৃতপক্ষে লুঠ করার পাকাপাকি ব্যবস্হা । প্রস্তাবিত এফ.আর.ডি.আই বিল এর বিশেষ করে ৫২ ও ৬৫ নং ধারায় এর ভয়াবহ ইঙ্গিত মিলেছে ।
তাই দেশের সেবায় নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ব  ব্যাঙ্ক ও আমানতকারীদের সঞ্চয় লুঠ করা রুখতে তিনি দল-মত নির্বিশেষ সাধারন মানুষ কে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সর্বাত্মক লড়াই গড়ে তোলার আহ্বান জানান ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু আচার্য,অশোক চক্রবর্তী,ব্রজমানিক চক্রবর্তী,অর্ধেন্দু দাক্ষী,বিকাশ ঘটক,দেবাশীষ লাহিড়ী ও পি.কে.দাস । উপস্হিত ছিলেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।









Saturday, 27 January 2018

এন.এস.পি.সি.এল এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোঃ এর নির্বাচনে সব কটি আসনে সি.আই.টি.ইউ জয়ী ।




দুর্গাপুর,২৭ জানুঃ : দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্হা এন.এস.পি.সি.এল এর ইউনিয়ন স্বীকৃতি নির্বাচনে তৃণমূল অভূতপুর্ব সন্ত্রাস চালিয়ে সি.আই.টি.ইউ কে হারিয়েছিল । এন.এস.পি.সি.এল এর শ্রমিকরা এটা কোন মতেই মেনে নিতে পারেন নি । এন.এস.পি.সি.এল এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোঃ এর নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী দিতেই পারল না । এন.এস.পি.সি.এল এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোঃ এর নির্বাচনে ৮ টি আসনের মধ্যে ৮ টিতেই সি.আই.টি.ইউ এর প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় জয়ী হয়েছেন । শ্রমিক ও আধিকারিক মিলিয়ে ১৭২ জন ভোটার ছিলেন এই নির্বাচনে । এন.এস.পি.সি.এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের ( সি.আই.টি.ইউ ) এর পক্ষে ওবি-কনভেনর পালমিন্দার সিং এ কথা জনিয়েছেন । এন.এস.পি.সি.এল এর শ্রমিক ও আধিকারিকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।

বামফ্রন্টের ডাকে ইস্পাতনগরী ও কারখানায় মানববন্ধন পালিত হল ।




দুর্গাপুর,২৬শে জানুঃ : আজ সাধারনতন্ত্র দিবসে বামফ্রন্টের ডাকে জাতীয় সংহতি , ঐক্য ও সম্প্রীতির রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ইস্পাতনগরীর আশীষ-জব্বার ভবনের সামনে ও চন্ডিদাস বাজারে , দুর্গাপুর ইস্পাত ও মিশ্র ইস্পাত কারখানায় মানববন্ধন পালিত হয় ও শপথ বাক্য পাঠ করা হয় ।






Wednesday, 24 January 2018

শ্রমজীবি মানুষের কাছে প্রস্তাবিত এফ.আর.ডি.আই বিল এক অশনি সংকেত ।



দুর্গাপুর,২৪শে জানুঃ :আজ সন্ধ্যায় , ইস্পাতনগরীর বি.টি.রণদিভে ভবনে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) এর উদ্যোগে আয়োজিত দেশের কর্মচারী-শ্রমজীবি মানুষের আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত প্রয়াত সুকোমল সেন এর স্মরণসভা ও স্মারক বক্তৃতা-আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন সারা ভারত কর্মচারী ফেডারেশনের অন্যতম নেতৃত্ব ।    প্রনব চট্টোপাধ্যায় ।তিনি বলেন নয়া উদার অর্থনীতি ও বিশ্বায়নের অমোঘ পরিনতি হল প্রস্তাবিত এফ.আর.ডি.আই বিল । বিশ্ব পুঁজিবাদ শ্রমজীবি মানুষ কে নয়া উদার অর্থনীতি ও বিশ্বায়নের গাড্ডায় ফেলে দিয়ে তাদের কে নিঃস্ব – রিক্ত – হত দরিদ্রে পরিনত করেছে । ভারতেও উদার অর্থনীতি ও বিশ্বায়নের বিষময় ফল জীবনের সর্ব ক্ষেত্রে অনিবার্য ভাবেই দেখা দিয়েছে । ধান্দার পুঁজিবাদ ইতিমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ১০ লক্ষ কোটি টাকার বেশী আত্মসাৎ করেছে । এখন সরাসরি হাত বাড়িয়েছে জনগনের শেষ সঞ্চয়ের আমানত গ্রাস করার জন্য । প্রস্তাবিত এফ.আর.ডি.আই বিল প্রত্যাহারের জন্য তিনি চুড়ান্ত লড়াই এর আহ্বান জানান ।

সভার শুরুতে প্রয়াত সুকোমল সেন এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও নীরবতা পালন করা হয় । তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জী ,দেবাশীষ লাহিরী ও প্রনব চট্টোপাধ্যায় । সভাপতিত্ব করেন রথীন রায় । বক্তৃতা শোনার জন্য হলে ভীড় উপচে পড়ে ।