Monday, 19 March 2018

ওহি নক্সা কদম পর চলনা হ্যায় – মহঃ আমিনের স্মরণসভায় নেতৃবৃন্দের আহ্বান ।






দুর্গাপুর , ১৯শে মার্চ : আজ ইস্পাতনগরীর বি.টি.রণদিভে ভবনে সি.আই.টি.ইউ এর পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির আহ্বানে আয়োজিত প্রয়াত মহঃ আমিনের স্মরণসভায় এই আহ্বান জানালেন সি.আই.টি.ইউ এর রাজ্য সম্পাদক অনাদি কুমার সাহু। তিনি বলেন যে ভারত তথা ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাধীনতার আগে ও পরে ৭০ বছরের বেশী সময় ধরে শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিক শ্রেনীর সংগ্রামের নেতৃত্ব প্রবাদপ্রতিম নেতা মহঃ আমিনের জীবনাবসানে যে শূণ্যতা তৈরি হয়েছে তা পূরনের লক্ষ্যে তাঁরই প্রদর্শিত পথ ধরে সহজ-সরল-অনাড়ম্বর জীবন যাপন , মার্কসবাদ-লেনিনবাদের গভীর অধ্যায়ন-আত্মস্হিকরন-প্রয়োগ ও কোন অবস্হাতে সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদ-সাম্প্রদায়িকতার কাছে আত্মসমর্পন নয় এই শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে । বাবার হাত ধরে উত্তর প্রদেশ থেকে মাত্র ১৪ বৎসর বয়েসে বরানগর জুট মিলে কাজে যোগ দেন । প্রথাগত শিক্ষা না পেলেও নিজের অদম্য চেষ্টায় উর্দুর সাথে অনায়েস বিচরন ছিল হিন্দি,ইংরাজি ও বাংলায় । উর্দু ভাষায় বিশিষ্ট শায়ের ও বয়েৎ রচনাকার মহঃ আমিন কে উর্দু সাহিত্যে বিশেষ স্হান দিয়েছে । এহেন মহঃ আমিন শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব থেকে শ্রমিকশ্রেনীর পার্টি কমিউনিষ্ট পার্টির নেতৃত্বে উঠে আসেন । দেশভাগের পর পার্টির নির্দেশে মাত্র ২৪ বছর বয়েসে তৎকালিন পূর্ব পাকিস্হান অধুনা বাংলাদেশে কমিউনিষ্ট পার্টি গড়ার কাজে যান । কিন্তু সেখানের শাসকের রোষে জেলে যেতে হয় ,প্রান সংশয় হয় । এই অবস্হায় পার্টির নির্দেশে দেশে ফেরেন এবং পার্টি ও ট্রেড ইউনিয়নের কাজে আত্মনিয়োগ করেন । ১৯৬৪ সালে পার্টি ভাগের সময়ের থেকে সিপিআইএমে এর এবং ১৯৭০ সালে সিআইটিইউ গঠনের সময় থেকে নেতৃত্ব দানের ভূমিকা পালন করেন । পরবর্তি সময়ে সিপিআইএমে এর পলিটব্যুরো সদস্য ও সিআইটিইউ এর সর্বভারতীয় সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন । যুক্তফ্রন্ট ও বামফ্রন্টের তিন দফায় মন্ত্রি ও রাজ্য সভার সদস্য হয়েছিলেন । প্রত্যেক ক্ষেত্রে তিনি কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন । কিন্তু কোন ক্ষেত্রেই সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হন নি । জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছিলেন সেই জুট মিলের শ্রমিক আদি অকৃত্রিম মহঃ আমিন । জুট ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন এবং বস্তিবাসি সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার সময়ে মানুষ কে কিভাবে সংগঠিত করে টেনে নিয়ে আসতে হয় ,কি ভাবে ভিন্ন মতাবলম্বী মানুষের সাথে মিলে সংগ্রামী জোট গঠন করতে হয় তা অনবদ্য ভঙ্গিমায় হাতে কলমে প্রয়োগ করেছেন মহঃ আমিন । তাই আজকে সারা দেশের প্রধান বিপদ হিসেবে উঠে আসা সাম্প্রদায়িক বিজেপি কে পরাস্ত করার যে ঐতিহাসিক কর্তব্য বামপন্হিদের সামনে এসেছে , মহঃ আমিনের জীবন ও সংগ্রাম সেই সংগ্রামের পাথেয় হবে ।
বিপিএমও-র রাজ্য আহ্বায়ক শ্যামল চক্রবর্তী বলেন যে পার্টি ও ট্রেড ইউনিয়নের পরিচালনা ও মতাদর্শগত সংগ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন বাঁকে মহঃ আমিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব আজকের দিনের সংগ্রাম পরিচালনায় অত্যন্ত মূল্যবান উপাদান হিসাবে কাজ করে যাবে । এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সি.আই.টি.ইউ এর পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক বংশগোপাল চৌধুরী ও বিশ্বরূপ ব্যানার্জী । সভাপতিত্ব করেন সি.আই.টি.ইউ এর পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সভাপতি বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী ।

সভার শুরুতে প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও নিরবতা পালন করা হয়শোক প্রস্তাব পাঠ করেন বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী ।


উপস্হিত ছিলেন রথিন রায় , সন্তোষ দেবরায় , পি.কে.দাস , বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী,নির্মল ভট্টাচার্য,সুবীর সেনগুপ্ত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।





















Sunday, 18 March 2018

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচানোর লড়াই কে জোরদার করতে পথে নামল ডি.ওয়াই.এফ.আই ।




দুর্গাপুর,১৮ই মার্চ : দুর্গাপুরের কর্মসংস্হানের অন্যতম দুই উৎস হল অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা । মোদি সরকার স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্টের পোষাকি নামের আড়ালে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট কে বিক্রি করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা রোখা না গেলে সমূহ বিপদ নেমে আসতে চলেছে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা সহ সমগ্র আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে । এর বিরুদ্ধে গত দেড় বছরের বেশী সময় ধরে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ মঞ্চ যে লড়াই চালাচ্ছে সেই লড়াই এর অংশীদার ডি.ওয়াই.এফ.আই । এই লড়াই কে আরও জোরদার করা ও ডি.ওয়াই.এফ.আই এর সদস্য পত্র গ্রহন করার আহ্বান জানিয়ে আজ ইস্পাতনগরীর রাণাপ্রতাপ রোড থেকে ডি.ওয়াই.এফ.আই এর দুর্গাপুর ইস্পাত এ-জোন আঞ্চলিক কমিটির ডাকে একটি মিছিল শুরু হয়ে আশিষ মার্কেট অঞ্চল ঘুরে শেষ হয় ।

Wednesday, 14 March 2018

অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি রুখতে গণ প্রতিরোধের ডাক দিল কেন্দ্রিয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথমঞ্চ ।




দুর্গাপুর,১৪ই মার্চ : আজ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সি.ই.ও এর দফ্তরের সামনে গণ অনশনের ( সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা ) ধর্ণা মঞ্চ থেকে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি রুখতে গণ প্রতিরোধের ডাক দিল কেন্দ্রিয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির নেতৃবৃন্দ । এই বিষয়ে বিভিন্ন বক্তা দাবি আদায়ের উদাহরন হিসাবে মহারাষ্ট্রে কৃষক সভার নেতৃত্বে কৃষকদের লঙ মার্চ এর সাফল্যের কথা তুলে ধরেন ।  আগামী ১১ই এপ্রিল ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট ‘ এর পোষাকি নামের আড়ালে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রির দরপত্র ( টেন্ডার ) জমা দেওয়ার শেষ দিন । আগামী ২রা মে দরপত্র প্রকাশের দিন । এই নিয়ে দুর্গাপুরে উত্তেজনার পারদ চড়ছে । গত দেড় বছর ধরে যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে ইস্পাত শ্রমিক ও দুর্গাপুরের বাসিন্দাদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট এর প্রস্তাবিত বিলগ্নীকরন রুখতে ও দুর্গাপুর ইস্পাতের আধুনিকীকরন-সম্প্রসারনের দাবীতে কেন্দ্রিয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথমঞ্চ লড়াই-আন্দোলন পরিচালনা করছে । মোদি সরকারের প্রস্তাবিত স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্টের তালিকায় সেইলের বিশেষ ইস্পাত উৎপাদক সংস্হা সালেম ও ভদ্রাবতী থাকলেও যথাক্রমে তমিলনাড়ু ও কর্নাটক সরকারের প্রকাশ্যে তীব্র আপত্তি থাকায় কোন সংস্হা ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেষ্ট ‘ দেখানোর সাহস পায় নি । কেন একই অবস্হান গ্রহন করে পঃ বঙ্গ সরকার অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসছেন না ? - এই প্রশ্ন এখন দুর্গাপুরের বাসিন্দাদের মুখে মুখে ঘুরছে । গোটা দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চল জুড়ে শিল্পে যেন মড়ক লেগেছে । বেসরকারি কল-কারখানার সাথে সাথে এই মড়ক ছড়িয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন শিল্প সংস্হায় । বন্ধ হয়েছে হিন্দুস্হান কেবলস । বন্ধের মুখে বার্ণ স্ট্যান্ডার্ড । ধুঁকছে ডিটিপিএস । অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বিক্রি রোখা না গেলে গভীর সংকটে পরবে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা । ইতিমধ্যে কেন্দ্রিয় সরকার কয়লা শিল্পের বেসরকারিকরনের নির্দেশ জারি করেছে । ফলে রাজ্যের সবচেয়ে শিল্প-সমৃদ্ধ দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলের সাথে সাথে রাজ্যের অর্থনীতির সংকট ভয়াবহ রূপ ধারন করতে চলেছে । পলি পড়ে শুকিয়ে যেতে বসেছে দামোদর ও সংলগ্ন সেচ-খাল ।এর ফলে গ্রীষ্ম কালে দুর্গাপুরে জল-সংকট চরম আকার নিচ্ছে , বর্ষায় শহর ভাসছে । শিল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনায় পিছিয়ে নেই রাজ্য সরকারও । দুর্গাপুর কেমিক্যালস এর ১০০% বেসরকারীকরন , দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেড ( ডিপিএল ) এর কোক ওভেন বন্ধ সহ রুগ্নতার দিকে ঠেলে দেওয়া , যৌথ উদ্যোগে গড়ে ওঠা অণ্ডালে প্রস্তাবিত বিমান নগরীর জায়গায় কেবল বিমান ওঠা-নামার মধ্য সীমাবদ্ধ করা এবং তাও প্রায় বন্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া – এই সবই রাজ্যের তৃনমূল সরকারে মোদি সরকারে নীতির অনুসরন এর সাক্ষ্য দিচ্ছে । নতুন শিল্পের কোন নাম-গন্ধ নেই । নতুন কাজ সৃষ্টি হচ্ছে না । কর্মরতরা নতুন করে বেকার হচ্ছে । দুর্গাপুর ‘দুর্দশাপুর‘ হওয়ার দিকে এগোচ্ছে ।
এই অবস্হায় অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি বাতিল , অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আধুনিকিকরন ও সম্প্রসারনের দাবিতে কেন্দ্রিয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির (সিআইটিইউ-আইএনটিইউসি-এআইটিউসি-এইইউটিইউসি-ইউটিইউসি) যৌথমঞ্চ লাগাতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে । সাম্প্রতিক কালে পুনরায় যোগ দিয়েছে বিএমএস ।
আজ যৌথমঞ্চের ডাকে গণ অনশন ও ধর্নায় বসেন অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিকরা । ধর্না মঞ্চে এসে যোগ দেন ছাত্র-যুব-মহিলা সহ অবসরপ্রাপ্ত ইস্পাত শ্রমিকরা । সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  সংলগ্ন কয়লা শিল্পের শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ,বর্তমান ও প্রাক্তন সাংসদ-বিধায়ক সহ যৌথমঞ্চ ও ইস্পাত শ্রমিক আন্দোলনের ও অবসরপ্রাপ্ত ইস্পাত শ্রমিকদের সংগঠনের  নেতৃবৃন্দ । অনশন-বিক্ষোভ চলাকালিন সময়ে যৌথমঞ্চের এক প্রতিনিধিদল সি.ই.ও দফ্তরে অবিলম্বে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি বাতিল , অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আধুনিকিকরন ও সম্প্রসারনের দাবিতে স্মারক লিপি জমা দেয় ।
বক্তব্য রেখেছেন যৌথমঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী ও বিকাশ ঘটক , দুর্গাপুরের প্রাক্তন সাংসদ সুনীল খান ও সেখ সাইদুল হক , রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ জীবনবিহারী রায় ও আর.পি.সিং , পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জী, দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ,এসডব্লুএফআই এর সম্পাদক পি.কে.দাস, বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,বিশ্বজিত বিশ্বাস, আমির হায়দার,শম্ভুনাথ প্রামানিক,অনিত মল্লিক,বিশ্বনাথ মন্ডল,শিবু দাস,মলয় ভট্টাচার্য ,বিজয় সাহা,অরূপ রায় ,অশোক চক্রবর্তী প্রমূখ । সভাপতিত্ব করেন রথীন রায় ।















Sunday, 11 March 2018

অ্যালয় স্টিল বাঁচানোর দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় কে স্মারকলিপি জমা দিল যৌথ মঞ্চ ।




দুর্গাপুর,১১ই মার্চ : আজ দুর্গাপুরে কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প দফ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ও আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়-র কাছে অ্যালয় স্টিল বাঁচানোর জন্য তার হস্তক্ষেপের দাবি  জানিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ করা হয় । একই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দ্যেশে পৃথক একটি স্মারকলিপি  বাবুল সুপ্রিয়-র কাছে যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় । অপর দিকে দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.( এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় একই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়-র হস্তক্ষেপ চেয়ে দু’টি পৃথক চিঠি বাবুল সুপ্রিয়-র হাতে তুলে দেন । এর আগে যৌথ মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সি.আই.টি.ইউ এর পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী মন্ত্রীর কাছে দেশ গঠনের ক্ষেত্রে অ্যালয় স্টিল , দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা সহ দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলের কেন্দ্রীয় শিল্প সংস্হা গুলির অপরিসিম অবদান ও অসীম সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন ও কিভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির জন্য সেগুলি বন্ধ অথবা বিক্রি হয়ে যাওয়ার ফলে এই অঞ্চলে ভয়াবহ আর্থ-সামাজিক সংকটের সৃষ্টি হতে চলেছে মন্ত্রীর কাছে ব্যাখা করেন ।এর সাথে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি হলে ,প্রথমেই বিপদে পড়বে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা ও পরে সমগ্র দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চল ।  দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.( এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় বলেন এর আগেই কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট তথা বিক্রি বন্ধ করার জন্য একাধিকবার যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে । মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় স্বীকার করেন যে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের যে প্রযুক্তি আছে তা ভারতে তো বটেই , সমগ্র এশিয়া মহাদেশে তা বিরল । তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট প্রস্তাব খারিজের জন্য যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দল কে নিয়ে ‘ নীতি আয়োগে’ এর সাথে আগামী এক মাসের মধ্যে আলোচনায় বসাবার চেষ্টা করবেন ও অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি বন্ধ করার জন্য চেষ্টা করবেন । এর আগে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিশেষ ইস্পাতের তৈরি একটি স্মারক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এর হাতে তুলে দেন যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জী , বিশ্বজিত বিশ্বাস , অনীত মল্লিক,শম্ভূ প্রামানিক সহ অন্যান্যরা ।
এদিকে  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট প্রস্তাব খারিজের জন্য হস্তক্ষেপ চেয়ে পুনরায় মুখ্যমন্ত্রীকে গত ১৮ই ফে্রুঃ চিঠি দিয়েছেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.( এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।

দুর্গাপুর,১১ই মার্চ : আজ দুর্গাপুরে কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প দফ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ও আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়-র কাছে অ্যালয় স্টিল বাঁচানোর জন্য তার হস্তক্ষেপের দাবি  জানিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ করা হয় । একই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দ্যেশে পৃথক একটি স্মারকলিপি  বাবুল সুপ্রিয়-র কাছে যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় । অপর দিকে দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.( এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় একই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়-র হস্তক্ষেপ চেয়ে দু’টি পৃথক চিঠি বাবুল সুপ্রিয়-র হাতে তুলে দেন । এর আগে যৌথ মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সি.আই.টি.ইউ এর পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী মন্ত্রীর কাছে দেশ গঠনের ক্ষেত্রে অ্যালয় স্টিল , দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা সহ দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলের কেন্দ্রীয় শিল্প সংস্হা গুলির অপরিসিম অবদান ও অসীম সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন ও কিভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির জন্য সেগুলি বন্ধ অথবা বিক্রি হয়ে যাওয়ার ফলে এই অঞ্চলে ভয়াবহ আর্থ-সামাজিক সংকটের সৃষ্টি হতে চলেছে মন্ত্রীর কাছে ব্যাখা করেন ।এর সাথে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি হলে ,প্রথমেই বিপদে পড়বে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা ও পরে সমগ্র দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চল ।  দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.( এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় বলেন এর আগেই কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট তথা বিক্রি বন্ধ করার জন্য একাধিকবার যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে । মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় স্বীকার করেন যে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের যে প্রযুক্তি আছে তা ভারতে তো বটেই , সমগ্র এশিয়া মহাদেশে তা বিরল । তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট প্রস্তাব খারিজের জন্য যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দল কে নিয়ে ‘ নীতি আয়োগে’ এর সাথে আগামী এক মাসের মধ্যে আলোচনায় বসাবার চেষ্টা করবেন ও অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিক্রি বন্ধ করার জন্য চেষ্টা করবেন । এর আগে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের বিশেষ ইস্পাতের তৈরি একটি স্মারক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এর হাতে তুলে দেন যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জী , বিশ্বজিত বিশ্বাস,অনীত মল্লিক,শম্ভূ প্রামানিক,অরূপ রায় সহ অন্যান্যরা ।

এদিকে  অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের স্ট্র্যাটেজিক ডিসইনভেষ্টমেন্ট প্রস্তাব খারিজের জন্য হস্তক্ষেপ চেয়ে পুনরায় মুখ্যমন্ত্রীকে গত ১৮ই ফে্রুঃ চিঠি দিয়েছেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.( এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।






Thursday, 8 March 2018

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে কনভেনশন ।




দুর্গাপুর,৮ই মার্চ : আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস । এই উপলক্ষ্যে সারা ভারত গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দুর্গাপুর ইস্পাত জোনালের পক্ষ থেকে ইস্পাতনগরীর বি.টি.রণদিভে ভবনে আজ বিকালে মহিলা কনভেনশনের আয়োজন করা হয় । বক্তব্য রাখেন সারা ভারত গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সদস্যা মৈত্রেয়ী দাস । সভাপতিত্ব করেন শুভ্রা গাঙ্গুলী । এছাড়াও উপস্হিত ছিলেন আল্পনা চৌধুরী,মিতা ভট্টাচার্য,রাজলক্ষী দে সহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ ।





Wednesday, 7 March 2018

কমরেড লেনিনের আহ্বানে চলে মুক্তি সেনানী …….




দুর্গাপুর,৭ই মার্চ : বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে  ত্রিপুরায় আরএসএস-বিজেপি-র গেরুয়া বাহিনীর নারকীয় ফ্যাসিবাদি সন্ত্রাসের বলি হাজার হাজার সিপিইএম কর্মী-সমর্থক । ত্রিপুরার বিলোনিয়া ও সাব্রুমে  তালিবানি কায়দায় গেরুয়া বাহিনী গুঁড়িয়ে দিয়েছে মহান চিন্তাবিদ ,বিপ্লবী ও ভারতবন্ধু লেনিনের মূর্তি । প্রতিবাদে পার্টির ডাকে আজ বিকালে ইস্পাতনগরীর এ’জোনের আশিষ মার্কেট থেকে হর্ষবর্ধন , বি’জোনের বি.টি.রণদিভে ভবন থেকে চন্ডিদাস বাজার ও সেইল আবাসন অঞ্চলে কবিগুরু ( দ্বিতীয় স্টপেজ ) থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে শেষ হয় ।



Sunday, 4 March 2018

ডাঃ নর্মান হেনরী বেথুন-এর ১২৮তম জন্মদিবস উপলক্ষ্যে রক্তদান শিবির ।




দুর্গাপুর,৪ঠা মার্চ : বিশ্ববরেণ্য চিকিৎসক,মানবতাবাদী সমাজসেবী ডাঃ নর্মান হেনরী বেথুন -এর আজ ১২৮তম জন্মদিবস।স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলার সময় যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈনিকদের চিকিৎসায় রক্তদানের জন্য ১৯৩৬ সালে তিনি বিশ্বের প্রথম ভ্রাম্যমান ব্লাড ব্যাঙ্কের উদ্ভাবন করেন তাঁর জন্মদিবস পালন উপলক্ষ্যে আজ দুর্গাপুরের বিবেকানন্দ হাসপাতালে দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরাম ও দুর্গাপুর অবসর এর যৌথ উদ্যোগে এক রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয় ২১ জন রক্তদান করেছেন তাদের মধ্যে ১ জন মহিলা।এর আগে বিধাননগর ডেয়ারি কলোনি সংলগ্ন  তাঁর নামে নামাঙ্কিত রাস্তায় শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান হয়।