Monday, 1 October 2018

অবিলম্বে বার্ষিক বোনাসের দাবিতে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশ।




দুর্গাপুর,১লা অক্টোঃ – ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথ মঞ্চের ডাকে  আজ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সি.ই.ও দফ্তরে অবিলম্বে বার্ষিক বোনাসের ( যা পূজো বোনাস নামে বেশী পরিচিত ) দাবিতে  শ্রমিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন । বিক্ষোভ চলাকালিন যৌথ মঞ্চের এক প্রতিনিধিদল এই দাবি এক স্মারক লিপি কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন । বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,ললিত মিশ্র,কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত ( সি.আই.টি.ইউ ) ও শম্ভু প্রামানিক ( এ.আই.টি.ইউ.সি ) ।

সামাজিক ন্যায় মঞ্চের পক্ষ থেকে তপশিলি জাতি-উপজাতি-দলিতদের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমনের বিরুদ্ধে ইস্পাতনগরীতে প্রতিবাদ সভা ।




দুর্গাপুর,১লা অক্টোঃ – আজ সন্ধ্যায় ইস্পাতনগরীর আশিষ মার্কেটে সামাজিক ন্যায় মঞ্চের পক্ষ থেকে দেশ ও রাজ্য জুড়ে তপশিলি জাতি-উপজাতি-দলিতদের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার  আয়োজন করে । বক্তারা এই আক্রমনের বিরুদ্ধে সংগঠিত গন-আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান । এছাড়াও অবিলম্বে এসসি/এসটি  সাব-প্ল্যান কার্যকরি করা, বেসরকারী ক্ষেত্রের চাকুরীকে সংরক্ষনের আওতায় নিয়ে আসা,এসসি/এসটি  সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ সহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্দোলোন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয় । বক্তব্য রেখেছেন রথিন রায়,মলয় ভট্টাচার্য,পানমনি টুডু প্রমূখ । এছাড়াও সাঁওতালি গান ও কবিতা আবৃতি করেন বিভিন্ন শিল্পী ।

Sunday, 30 September 2018

অনুষ্ঠিত হল পশ্চিমবঙ্গ গনতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের দুর্গাপুর ইস্পাত ২ আঞ্চলিক কমিটির ১০-তম সম্মেলন ।




দুর্গাপুর,৩০শে সেপ্টে আজ সন্ধ্যায় ইস্পাতনগরীর ডিভিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল পশ্চিমবঙ্গ গনতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের দুর্গাপুর ইস্পাত আঞ্চলিক কমিটির ১০-তম সম্মেলন ১৫-জনের নতুন কমিটিতে সভাপতি সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে সোমনাথ গাঙ্গুলি সীমান্ত তরফদার সম্মেলনে বিশিষ্ট কবি মৃণাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাব্যগ্রন্হচলা-পথের দুটি পাশেপ্রকাশিত হয়

Saturday, 29 September 2018

দুর্গাপুর কে দুর্বৃত্তদের নগরীতে পরিনত করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই গড়ে তোলার আহ্বান জানালো সিপিআইএম ।




দুর্গাপুর,২৯শে সেপ্টেঃ : গত ২০১১ সালের ‘পরিবর্তন‘ এর নামে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন এর সাথে সাথে দুর্গাপুর জুড়ে শুরু হয়ে যায় শাসক তৃণমূলের সমাজবিরোধী- দুর্বৃত্তদের বিভৎস তাণ্ডব । আক্রান্ত হয় মূলতঃ সিপিআইএম সহ বামপন্হিরা । এক সিপিইএম দম্পতি কে খুন করা হয় ভিরিঙ্গী অঞ্চলে । শ’য়ে শ’য়ে কর্মি-নেতা শারীরিক আক্রমনের শিকার হন । অনেকের অঙ্গহানি হয় । একটার পর একটা সিপিইএম এর পার্টি অফিস ও বিভিন্ন গন-সংগঠনের দফ্তর দখল, ভাঙ্গচূর অথবা তালা মেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় । মারাত্মক আঘাত নেমে আসে জীবিকার ওপরে । সিআইটিইউ করার অপরাধে কয়েক হাজার ঠিকা শ্রমিক কাজের জায়গা থেকে উৎখাত হয়ে যান । কেবল মাত্র দুর্গাপুর ইস্পাত কারাখানা থেকে উৎখাত হয়ে যান সাড়ে তিন হাজার ঠিকা শ্রমিক । সমবায় নির্বাচন থেকে শ্রমিক ইউনিয়ন স্বীকৃতি নির্বাচন সবক্ষেত্রে চলেছে তৃণমূলের সমাজবিরোধী- দুর্বৃত্তদের নেতৃত্বে অবাধ ভোট-লুঠ যা চরমে ওঠে গত ২০১৭ সালের ১৩ই আগষ্ট পৌর নির্বাচনের দিন । প্রায় ১৫ হাজার বহিরাগত সমাজবিরোধী- দুর্বৃত্তদের জড়ো করে পুরোপুরি ভোট-জালিয়াতি করে তৃণমূল দুর্গাপুর পৌরসভার দখল নেয় । শাসক তৃণমূলের রাজনৈতিক দুর্বৃত্বায়নের পুরোপুরি সুযোগ ভোগ করে ফায়দা তুলছে সমাজবিরোধী- দুর্বৃত্তরা । একদিকে চলছে কয়লা-বালি-স্ক্র্যাপ মাফিয়াদের অবাধ কারবার । রমরমিয়ে চলছে মদ-গাঁজার অবৈধ ব্যবসা । পরিকল্পিত ইস্পাতনগরী সহ গোটা দুর্গাপুর জুড়ে চলছে জমি-মাফিয়াদের পরিকল্পিত জমি-লুঠ । লুঠ হচ্ছে বন্ধ কারখানার যন্ত্রপাতি – কারখানার শেড । তোলাবাজির শিকার সাধারন মানুষ থেকে ব্যবসায়ী । খুন-জখম-ছিনতাই-রাহাজানি থেকে ডাকাতি-শ্লিলতাহানি-ধর্ষনের মত অপরাধ বেড়েই চলেছে । এই সুযোগে সাম্প্রদায়িক শক্তি শহরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গা কে লক্ষ্যবস্তু করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে । সামনে উৎসবের মরসুমে সাধারন আইন-শৃংখলা থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি – প্রতিটি বিষয় ঘিরে নাগরিক উদ্বেগে তৈরি  হয়েছে । অন্য দিকে পুলিশ দলদাসের মত আচরন করছে । সিপিআইএম এর নেতা-কর্মিদের অসংখ্য মিথ্যা মামলা করছে । অথচ শাসকদলের সমাজবিরোধী- দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা নিচ্ছে না । সাধারন মানুষ বিভিন্ন ভাবে পুলিশ ও সিভিক পুলিশের হাতে হেনস্হা-নির্যাতন ভোগ করছে ।  আজ বিকালে সিপিআইএম এর দুর্গাপুর ইস্পাত ১,২,৩ এবং দুর্গাপুর পশ্চিম ১ ও ২ এরিয়া কমিটির পক্ষ থেকে দুর্গাপুর থানায় যৌথ ভাবে বিক্ষোভ-কর্মসূচি পালন করা হয় । বিক্ষোভ-কর্মসূচি চলাকালিন এক প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি জমা দিয়ে আসন্ন উৎসবের মরসুমে সাধারন আইন-শৃংখলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা,মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্হা গ্রহন , রাজনৈতিক কর্মি ও সাধারন মানুষের উপরে পুলিশ ও সিভিক পুলিশের হাতে হেনস্হা-নির্যাতন বন্ধ এবং রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ চালানোর জন্য তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আইন সংগত ব্যবস্হা নেওয়ার দাবি জানানো হয় । সমাবেশে নেতৃবৃন্দের পক্ষে পুলিশ-প্রশাসন কে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে জনগন সঠিক পদক্ষেপ নেবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় । বক্তব্য রেখেছেন বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী,সন্তোষ দেবরায় ,মহাদেব পাল,সুবীর সেনগুপ্ত,দিপক ঘোষ ও আল্পনা চৌধুরী ।












Monday, 24 September 2018

কর্তৃপক্ষের একতরফা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধি ঘোষনায় ক্ষোভের আগুন ছড়াচ্ছে দুর্গাপুর ইস্পাত ও অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টে ।




দুর্গাপুর,২৪শে সেপ্টেঃ : গত ১৫ই সেপ্টেঃ , দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নগর প্রশাসনের পক্ষে জারি করা বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধি সংক্রান্ত দুটি সার্কুলার ঘিরে দুর্গাপুর ইস্পাত ও অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের শ্রমিক-কর্মচারি-অবসরপ্রাপ্ত সহ ইস্পাতনগরীর অন্যান্য বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে বিক্ষোভ চরমে উঠেছে । সার্কুলারে রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ মাসুল নির্ধারনকারি সংস্হা ডব্লু.বি.ই.আর.সি ( ওয়েষ্ট বেঙ্গল ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটারি কমিশন ) এর আদেশ অনুসারে ডব্লু.বি.এস.ই.ডি.সি.এল (ওয়েষ্ট বেঙ্গল ইলেক্ট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউ্যুশন কোম্পানি লিমিটেড ) যে বিদ্যুৎ মাসুল ২০১৫ সালে নির্ধারিত করেছে এবং ২০১৬ সালে পরিবর্তিতি হারে মাসুল নির্ধারিত করেছে, সেই অনুসারে কোয়ার্টারে বসবাস করে এমন কর্মরত  ইস্পাত শ্রমিক-কর্মচারি-অন্যানরা বসবাস করেন তাদের কে বর্ধিত হারে ২০১৪-১৫ সাল থেকে বর্ধিত হারে বিদ্যুৎ মাসুল ( এরিয়ার সহ ) গুনতে হবে । এক্ষেত্রে কর্মরতদের বিদ্যুৎ মাসুলের হার হবে ৫.০৪ টাকা/প্রতি ইউনিট ( ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ সাল ) এবং ৫.৪৫ টাকা/প্রতি ইউনিট ( ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮) । আগামী নভেম্বর মাস থেকে ১২ মাসের ইনস্টলমেন্টে এরিয়ার কাটা হবে ।
অপর দিকে বহিরাগতদের জন্য অর্থাৎ অবসরপ্রাপ্ত ও লিজ-লাইসেন্সিং কোয়ার্টারে বসবাসকারিদের জন্য পরিবর্তিত বিদ্যুৎ মাসুলের হার হবে ৬.৪১ টাকা/প্রতি ইউনিট ( ০১/০৪/২০১৬ থেকে ৩০/০৩/২০১৮ )।
এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে ইস্পাত শ্রমিক-কর্মচারিদের ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথ মোর্চা । আজ যৌথ মোর্চার ডাকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নগর প্রশাসনিক ভবনে ( টি.এ.বিল্ডিং ) এক বিশাল প্রতিবাদ সভায় যৌথ মোর্চার নেতৃত্ব কর্তৃপক্ষ কে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে অবিলম্বে এই ‘বেআইনি‘ মাসুল বৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে । কারন  দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা কোনভাবেই রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ মাসুল নির্ধারনকারি সংস্হা ডব্লু.বি.ই.আর.সি ( ওয়েষ্ট বেঙ্গল ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটারি কমিশন ) এর আওতাধীন নয় । এছাড়া গত এন.জে.সি.এস এর চুক্তির পরিপন্হি এই মাসুল বৃদ্ধি । এমনকি দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট যখন রাষ্ট্রায়ত্ব এন.এস.পি.সি.এল এর অধীনে যায় সেই সময়ের চুক্তিরও পরিপন্হি  এই মাসুল বৃদ্ধি । অপরদিকে বিদ্যুৎ মাসুল সংক্রান্ত একটি মামলা এই সময়ে কেন্দ্রিয় ট্র্যাইবুনালে চলছে । প্রশ্ন উঠেছে বিচারাধীন অবস্হায় থাকা বিদ্যুৎ মাসুল কর্তৃপক্ষ কি ভাবে বাড়াতে পারে ? সমাবেশ চলাকালিন যৌথ মোর্চার এক প্রতিনিধি দল কর্তৃপক্ষ কে বর্ধিত বিদ্যুৎ মাসুল সংক্রান্ত সার্কুলার দুটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে স্মারক লিপি জমা দেন । সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জী , সীমান্ত চ্যাটার্জী ( সি.আই.টি.ইউ ),অসীম সাহা ( আই.এন.টি.ইউ.সি ),শম্ভু প্রামানিক,বিশ্বজিত রায় ( এ.আই.টি.ইউ.সি),সব্যসাচী গোস্বামী ( এ.আই.ইউ.টি.ইউ.সি) ও মানস চ্যাটার্জী ( বি.এম.এস ) ।













Sunday, 23 September 2018

ইস্পাতনগরীতে ‘অধিকার যাত্রা’-র পদযাত্রা শেষ হল ।




দুর্গাপুর,২৩শে সেপ্টেঃ : আজ ইস্পাতনগরীতে  ‘অধিকার যাত্রা’ পদযাত্রার শেষ দিনে এ-জোন ও বি-জোনে দুটি পৃথক পদযাত্রা হয় । এ-জোনের পদযাত্রা মীরাবাঈ রোড থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে ট্রাঙ্ক রোড রোটারিতে শেষ হয় । নেতৃত্বে ছিলেন কাজল চ্যাটার্জী , দিপক ঘোষ,নিমাই ঘোষ প্রমূখ । বি-জোনের পদযাত্রা বি-জোন পোষ্ট অফিস থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে চন্ডিদাস বাজারে শেষ হয় । নেতৃত্বে ছিলেন সন্তোষ দেবরায় , সুবীর সেনগুপ্ত , স্বপন ব্যানার্জী প্রমূখ । 









Saturday, 22 September 2018

দুর্গাপুরে অভূতপূর্ব ছাত্র ধর্মঘট কে ভাঙ্গতে গ্রেফ্তার ছাত্র নেতাদের ছাড়তে বাধ্য হল পুলিশ ।




দুর্গাপুর,২২শে সেপ্টেঃ : ইসলামপুরে পুলিশের গুলিচালনায় ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে বামপন্হি ছাত্র সংগঠন গুলির ডাকা আজকের ছাত্র ধর্মঘটে অভূতপূর্ব সারা পড়েছে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে । অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীরা ধর্মঘটে সাড়া দেয় । মুষ্টিমেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিছু ছাত্র-ছাত্রী এলেও,কিছুক্ষন চলার পরে ছুটি হয়ে যায় । এদিকে ধর্মঘট সফল হওয়া ক্ষিপ্ত পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ-রত এস.এফ.আই এর পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্পাদক মৈনাক চ্যাটার্জী সহ এস.এফ.আই এর ১৮ জন নেতা-নেত্রী কে গ্রেফ্তার করে ইস্পাতনগরীর অরবিন্দ অ্যাভেন্যু তে দুর্গাপুর থানায় নিয়ে আসে । গ্রেফ্তার হওয়া ছাত্র নেতারা থানার মধ্যেই সরকার-বিরোধী শ্লোগান দিতে থাকেন ।  ছাত্র খবর পেয়ে ছুটে যান গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ সন্তোষ দেবরায় , মহাদেব পাল,মহাব্রত কুন্ডু, সুবীর সেনগুপ্ত , পঙ্কজ রায় সরকার ,শ্যামা ঘোষ,   বিশ্বরূপ ব্যানার্জী সহ অন্যান্যরা । ছুটে আসেন ইস্পাত শ্রমিক সহ অন্যান্যরা । পুলিশ প্রথমে ছেড়ে দিতে অস্বীকার করলেও  গণ-রোষের আশংকায় পরে ১৮ জন কেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় । সন্ধ্যায় ইস্পাতনগরীর চন্ডিদাস বাজারে  ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে এক বিশাল সভায় বক্তব্য রেখেছেন শ্রমিক নেতা কবিরঞ্জন দাসগুপ্ত,স্বপন মজুমদার ও এস.এফ.আই এর পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্পাদক মৈনাক চ্যাটার্জী ।