Wednesday, 16 October 2019

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার ১০০-তম বার্ষিক উদযাপন উপলক্ষ্যে ইস্পাতনগরী সেজে উঠেছে ।




দুর্গাপুর,১৩ অক্টোঃ : ১৭ই অক্টোঃ,১৯২০। সদ্য প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন এর তাশখন্দে সাত জন প্রবাসী বিপ্লবী মিলে গড়ে তোলেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি । শত বর্ষ পার করে সময়ের পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ন ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলন ।
    পার্টি প্রতিষ্ঠার ১০০-তম বার্ষিক উদযাপন উপলক্ষ্যে ইস্পাতনগরী সেজে উঠছে । শত রক্ত-পতাকায় ও লাল আলোকমালায় সুসজ্জিত করা হয়েছে আশিস-জব্বার ভবন । হয়েছে দেওয়াল লিখন । বিভিন্ন রোটারি সেজে উঠেছে রক্তপতাকায় । শত শত পোস্টার ছেয়ে ফেলেছে ইস্পাতনগরীর আনাচে কানাচে ,কারখানা ও মূখ্য জনাসমাগমের জায়গা গুলিকে । বিভিন্ন স্হানে লাগানো হয়েছে ফেস্টুন ।
       আজ সন্ধ্যায় এই উপলক্ষ্যে প্রান্তিকা মোড়ের সভায় বক্তব্য রাখেন স্বপন মজুমদার ও আশিস মিশ্র । সভায় ব্যপক জনসমাগম বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে আধুনিক ভারতে শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম পিঠস্হান দুর্গাপুর ভারতে কমিউনিস্ট আন্দোলনের শত-বর্ষের সংগ্রামী ঐতিহ্য বহন করে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ।



















Sunday, 13 October 2019

আজি হতে শত বর্ষ পরে …… : ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার ১০০-তম বার্ষিক উদযাপন উপলক্ষ্যে ইস্পাতনগরী সেজে উঠছে ।




দুর্গাপুর,১৩ অক্টোঃ : ১৭ই অক্টোঃ,১৯২০। সদ্য প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন এর তাশখন্দে সাত জন প্রবাসী বিপ্লবী মিলে গড়ে তোলেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি । শত বর্ষ পার করে সময়ের পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ন ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলন ।
    পার্টি প্রতিষ্ঠার ১০০-তম বার্ষিক উদযাপন উপলক্ষ্যে ইস্পাতনগরী সেজে উঠছে । শত রক্ত-পতাকায় সুসজ্জিত করা হয়েছে আশিস-জব্বার ভবন । দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে । আজ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ইস্পাত ১ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে দেওয়াল লিখন হল । পার্টি প্রতিষ্ঠার ১০০-তম বার্ষিক উদযাপন উপলক্ষ্যে ইস্পাতনগরীতে আরও কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর ইস্পাত ১ এরিয়া কমিটির পক্ষে দিপক ঘোষ ।








Friday, 11 October 2019

বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল এর শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ালেন অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের শ্রমিকরা ।




দুর্গাপুর,১১ই অক্টোঃ : ইস্পাতনগরীর ডেভিড হেয়ার রোডে পি অ্যান্ড টি কলোনী কে ঘিরে আজ শুধুই শুন্যতা। ১৪০ টি কোয়ার্টারের মধ্যে মেরেকেটে গোটা ২৫টি কোয়ার্টারে বি.এস.এন.এল এর শ্রমিক রয়েছেন । আসলে বি.এস.এন.এল কে সঙ্কুচিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের সময়ে কর্পোরেশন করার মধ্য দিয়ে । বি.এস.এন.এল-এ ক্রমাগত কর্মি সংকোচন ও নির্বিচারে ঠিকাদারি প্রথার চালু করার আজ সাক্ষী হল ইস্পাতনগরীর পি অ্যান্ড টি কলোনী । লক্ষনীয় এনডিএ সরকারের অন্যতম মন্ত্রি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । গত ৮ মাস ধরে বি.এস.এন.এল এর ঠিকা শ্রমিকরা বেতন পান নি । বি.এস.এন.এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও অন্যান্য ইউনিয়নের যৌথ লড়াই এর ফলে ঠিকা শ্রমিকরা পূজোর আগে মাত্র ১ মাসের বেতন পেয়েছেন । বি.এস.এন.এল কে বন্ধ করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে গত ৩রা অক্টোঃ দুর্গাপুর ডিভিশনের অফিসে গন-বিক্ষোভ ও ধর্ণা দেন বি.এস.এন.এল এর স্হায়ী ও ঠিকা শ্রমিকরা । আজ দিল্লিতে ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথমঞ্চের সভার পরে পরবর্তি কর্মসূচী নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বি.এস.এন.এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এর দুর্গাপুর ডিভিশনের সহকারী সম্পাদক পঙ্কজ চ্যাটার্জী । রাস্তার আরেক পারে অধিকাংশ কোয়ার্টারে আছেন অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের শ্রমিকরা । ২০১৬ সাল থেকে মোদি সরকারের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বন্ধ করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে কারখানার শ্রমিকরা লড়াই করছেন । গড়ে উঠেছে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বাঁচাও, দুর্গাপুর বাঁচাও আন্দোলন ।
      আজ সকালে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের মেইন গেটে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বাঁচাও, দুর্গাপুর বাঁচাও আন্দোলন আর বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল বাঁচাও আন্দোলন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ)-এর ডাকে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট  শ্রমিক জড়ো হয়ে বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করার জন্য মোদি সরকারের চক্রান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান ও বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল এর শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান । শ্রমিক জমায়েতে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে  বক্তব্য রেখে বিজয় সাহা বলেন যে কেন্দ্রের মোদি সরকার সরকারী ও রাষ্টায়ত্ব সংস্হা উচ্ছেদ করে দেশ কে কর্পোরেট ও বহুজাতিক সংস্হার হাতে তুলে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্হা কে তছনছ করতে চাইছে যাতে কর্পোরেট ও বহুজাতিক সংস্হার মুনাফা বহু গুনে বৃদ্ধি পায় । এই নীতির ফলে আজ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট কে বিক্রি ও বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করতে চাইছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। তিনি বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করার জন্য মোদি সরকারের চক্রান্তের বিরুদ্ধে বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল বাঁচাও আন্দোলনের সাথে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বাঁচাও, দুর্গাপুর বাঁচাও যৌথ আন্দোলনের মৈত্রি বন্ধন গড়ে তোলার আহ্বান জানান ।






Thursday, 10 October 2019

বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করার জন্য মোদি সরকারের চক্রান্তের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন ইস্পাত শ্রমিকরা ।




দুর্গাপুর,১০ই অক্টোঃ : ইস্পাতনগরীর ডেভিড হেয়ার রোডে পি অ্যান্ড টি কলোনী কে ঘিরে আজ শুধুই শুন্যতা। ১৪০ টি কোয়ার্টারের মধ্যে মেরেকেটে গোটা ২৫টি কোয়ার্টারে বি.এস.এন.এল এর শ্রমিক রয়েছেন । আসলে বি.এস.এন.এল কে সঙ্কুচিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের সময়ে কর্পোরেশন করার মধ্য দিয়ে । বি.এস.এন.এল-এ ক্রমাগত কর্মি সংকোচন ও নির্বিচারে ঠিকাদারি প্রথার চালু করার আজ সাক্ষী হল ইস্পাতনগরীর পি অ্যান্ড টি কলোনী । লক্ষনীয় এনডিএ সরকারের অন্যতম মন্ত্রি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । গত ৮ মাস ধরে বি.এস.এন.এল এর ঠিকা শ্রমিকরা বেতন পান নি । বি.এস.এন.এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও অন্যান্য ইউনিয়নের যৌথ লড়াই এর ফলে ঠিকা শ্রমিকরা পূজোর আগে মাত্র ১ মাসের বেতন পেয়েছেন । বি.এস.এন.এল কে বন্ধ করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে গত ৩রা অক্টোঃ দুর্গাপুর ডিভিশনের অফিসে গন-বিক্ষোভ ও ধর্ণা দেন বি.এস.এন.এল এর স্হায়ী ও ঠিকা শ্রমিকরা । আগামীকাল দিল্লিতে ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথমঞ্চের সভার পরে পরবর্তি কর্মসূচী নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বি.এস.এন.এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এর দুর্গাপুর ডিভিশনের সহকারী সম্পাদক পঙ্কজ চ্যাটার্জী ।
  এদিকে আজ সকালে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ)-এর ডাকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার অর্জুন মূর্তির সামনে দলে দলে ইস্পাত শ্রমিক জড়ো হয়ে বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করার জন্য মোদি সরকারের চক্রান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান ও বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল এর শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান । শ্রমিক জমায়েতে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে  বক্তব্য রেখে বিশ্বরূপ ব্যানার্জি বলেন যে আজকের দিনে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বাঁচাও, দুর্গাপুর বাঁচাও আন্দোলন আর বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল বাঁচাও আন্দোলন কোন পৃথক আন্দোলন নয় ।কেন্দ্রের মোদি সরকার সরকারী ও রাষ্টায়ত্ব সংস্হা উচ্ছেদ করে দেশ কে কর্পোরেট ও বহুজাতিক সংস্হার হাতে তুলে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্হা কে তছনছ করতে চাইছে যাতে কর্পোরেট ও বহুজাতিক সংস্হার মুনাফা বহু গুনে বৃদ্ধি পায় । এই নীতির ফলে আজ অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট কে বিক্রি ও বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করতে চাইছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ১৪০০০ কোটি টাকা দেনার জন্য বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করতে চাইছে অথচ জিও-এয়ারটেল সহ বেসরকারি সংস্হার দেনা ইতিমধ্যে ৭৩০০০ কোটি টাকা ছাড়ালেও মোদি সরকার এদের কে দরাজ হাতে সাহায্য করে চলেছে।সমস্ত বেসরকারি সংস্হা বি.এস.এন.এল এর পরিকাঠামো ব্যবহার করে । অথচ ৪জি সংযোগ ব্যবস্হা বি.এস.এন.এল কে ব্যবহার করতে দেওয়া হয় নি ।  বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল বন্ধ হলে কেবলমাত্র এই সংস্হা দুটি তে কর্মরত ১৬৮০০০ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারবর্গ বিপদে পড়বেন তাই নয়,দেশের অর্থনীতির ওপর বিরাট আঘাত নেমে আসবে । একই সাথে দেশের টেলি যোগাযোগ ব্যবস্হা সুবিধা থেকে সাধারন মানুষের সুযোগ গ্রহন ক্রমশঃ নাগালের বাইরে চলে যাবে । বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের টেলি যোগাযোগ ব্যবস্হা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিরাট আঘাত নেমে আসবে । তিনি বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল কে বন্ধ করার জন্য মোদি সরকারের চক্রান্তের বিরুদ্ধে বি.এস.এন.এল-এম.টি.এন.এল এর শ্রমিকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই গড়ে তোলার জন্য দুর্গাপুরর ইস্পাত শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান ।






Wednesday, 9 October 2019

ইস্পাতনগরীতে মার্কসীয় ও প্রগতিশীল সাহিত্যের বুকস্টলে মানুষের ভীড় ।




দুর্গাপুর,৯ই অক্টোবর : শারদোৎসব কে কেন্দ্র করে ইস্পাতনগরীতে প্রতি বছরের মত এবারও মার্কসীয় ও প্রগতিশীল সাহিত্যের বুকস্টলে মানুষের ভীড় দেখা গেল।ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদী)-র দুর্গাপুর ইস্পাত ১ ও ২ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে গত ৫ই অক্টোবর যথাক্রমে  নিউটন রোড ও শরৎচন্দ্র অ্যাভেন্যুতে দুটি পৃথক বুকস্টলের উদ্বোধন হয় । উদ্বোধন করেন দুর্গাপুর ( পূর্ব )-এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । শরৎচন্দ্র অ্যাভেন্যু এর বুকস্টলে জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সদ্য নির্বাচিত সভানেত্রী ঐশি ঘোষ কে সম্বর্ধনা জানানো হয় । বুকস্টলের উদ্বোধন করতে গিয়ে সন্তোষ দেবরায় বর্তমানের জটিল রাজনৈতিক পরস্হিতির মোকাবিলায় বই কিভাবে উপযুক্ত সাথী হয়ে উঠতে পারে তা ব্যাখ্যা করে,বই পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির আহ্বান জানান । অন্যদিকে ঐশি ঘোষ কিভাবে মোদি সরকার ছাত্রদের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ও তার বিরুদ্ধে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় জেএনইউ এর ছাত্র-ছাত্রীরা লড়াই গড়ে তুলেছে,সেই অভিজ্ঞতা বর্ণানা করে বই কে লড়াই এর হাতিয়ার করার আহ্বান জানান । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন নির্মল ভট্টাচার্য,সুবীর সেনগুপ্ত,বিশ্বরূপ ব্যানার্জি,স্বপন ব্যানার্জি,দিপক ঘোষ প্রমূখ । ২০১১ সালের পর থেকে ইস্পাতনগরীতে মার্কসীয় ও প্রগতিশীল সাহিত্যের বুকস্টল তৈরি করার বিরুদ্ধে শাসক দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে বারে বারে হামলা-হুমকি দিলেও পার্টি কর্মি-সমর্থকরা অবিচল ছিলেন । এবারে তাদের অটুট ও বাড়ন্ত মনোবল দেখে শাসক দল ঘাঁটাবার চেষ্টা করে নি । কর্মীদের উৎসাহে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদী)-র দুর্গাপুর ইস্পাত ১ এরিয়া কমিটি তাদের বুকস্টল একদিন বাড়িয়ে ৮ই অক্টোঃ পর্যন্ত খুলে রাখে । 












Thursday, 3 October 2019

সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিবাদি ও স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে জেএনইউ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের লড়াই কে কুর্নিশ জানালেন দুর্গাপুরের ইস্পাত শ্রমিকরা ।




দুর্গাপুর,৩রা অক্টোবর : হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে জেএনইউ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের লড়াই আর অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও,দুর্গাপুর ইস্পাত বাঁচাও,দুর্গাপুর বাঁচাও লড়াই মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল আজ সন্ধ্যায় ইস্পাতনগরীর বি.টি.রনদিভে ভবনে ।সংগ্রামী জেএনইউ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন কে দুই নবীন সারথির  মাধ্যমে সম্বর্ধনা জানালেন ইস্পাত শ্রমিকরা । সম্বর্ধনা দেওয়া হয় জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নবনির্বাচিত সভানেত্রী ও এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ ( দুর্গাপুরে বাড়ি ) ও এসএফআই এর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা দেবরাজ দেবনাথ কে । সাম্প্রতিক নবান্ন অভিযানের সময় জেল বন্দী ও সাম্প্রতিক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদ শক্তির হামলার প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন দেবরাজ দেবনাথ । দুজনেই শ্রমিক পরিবারের সদস্য । সম্বর্ধনার উদ্যোক্তা হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সি.আই.টি.ইউ ) এর সভাপতি বর্ষীয়ান শ্রমিকনেতা রথিন রায় নবীন সারথিদের স্বাগত জানিয়ে দুর্গাপুরের ইস্পাত শ্রমিক আন্দোলনের সাথে বাম ছাত্র আন্দোলনের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বর্তমানের অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে ছাত্রদের মশাল জ্বালানোর ভুমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন । সম্বর্ধনা জানানোর সময় ঐশী ঘোষ ও দেবরাজ দেবনাথ এর হাতে পুষ্পস্তবক,স্মারক ও মানপত্র তুলে দেন রথিন রায়,জীবন রায়, আর.পি.গাঙ্গুলি,ললিত মিশ্র,প্রকাশতরু চক্রবর্তী,মলয় ভট্টাচার্য ও দুর্গাপুর(পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । বি.টি.রণদিভে ভবনে উপচে পড়া ভীড় ও উচ্ছাস ছাপিয়ে ঐশী ঘোষ ও দেবরাজ দেবনাথ দৃঢ় কন্ঠে জানিয়ে দিলেন যে হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদ , স্বৈরতান্ত্রিক ও কর্পোরেটের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে , মোদি ও মমতা সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে যে ছাত্র আন্দোলন জোড়দার হয়ে উঠছে ,এসএফআই তাকে আরও শক্তিশালি করে তুলবেই । অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সৌরভ দত্ত ।