Monday, 21 October 2013

কমরেড ফণী ভট্টাচার্যের জীবনাবসান ।

দুর্গাপুর , ২১শে অক্টোঃ : আজ দুর্গাপুর ইস্পাত মেইন্ হাসপাতালে  সকাল  ৫-৪০ মিনিটে কমরেড ফণী ভট্টাচার্যের জীবনাবসান হয়েছে । তিনি ক্যান্সার রোগে ভুগছিলেন । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ ।দুপুর  ১২টা নাগাদ তাঁর মরদেহ নিয়ে আসা হয় আশীষ-জব্বর ভবনে । সেখানে অপেক্ষা করছিলেন বিশাল শোকার্ত জনতা । মরদেহ রক্তপতাকায় আচ্ছাদিত করার পরে একে একে মাল্যদান করেন কমঃ রথীন রায় , অজিত মুখার্জী , সন্তোষ দেবরায় , নির্মল ভট্টাচার্য , বিনয় চক্রবর্তী , বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী  সহ  অন্যান্য পার্টী-নেতৃবৃন্দ । এরপরে মরদেহ  ১নং বিদ্যাসগর এভিন্যুতে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের দফ্তর নিয়ে যাওয়া হয় । সেখানে মরদেহে মাল্যদান করেন কমঃ জীবন রায় , অরুন চৌধুরী , আর পি গাঙ্গুলী সহ অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ । পরে  বীরভানপুর শশ্মানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় ।

      সংক্ষিপ্ত জীবনী : ১১/০১/১৯৩৭ সালে অধুনা বাংলাদেশের বরিসালে কমরেড ফণী ভট্টাচার্য্যর জন্ম হয়েছিল । দেশভাগের পর বর্ধমানের দাঁইহাটে তাঁর বাল্যকাল কাটে এবং স্কুলের পড়া শেষ করে নৈহাটির রামমোহন কলেজে থেকে বি.এ. ও বি.কম পাশ করেন ও শিক্ষকতার সাথে যুক্ত হয়েছিলেন । এই সময়ে শিক্ষক আন্দোলনের সাথে  এবং কমঃ জগদীশ দাসের সংশ্পর্ষে অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টীর সাথে যুক্ত  হয়ে ১৯৫৭ সালে পার্টীর সভ্যপদ লাভ করেন । পরে ১৯৬৪ সালে পার্টি ভাগ হলে , তিনি সিপিআই(এম)-র সাথ যুক্ত হন ।   ১৯৬১ সালে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় যোগদান করেন ও ১৯৯৫ চাকরী থেকে অবসরগ্রহন করেন । ৬০'-৭০'র দশকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারীদের সংগঠিত করা ও হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নকে সুসংগঠিত করতে  কমরেড ফণী ভট্টাচার্য্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন । ৭২'এর সন্ত্রাসের কালো দিন গুলিতে , কমঃ  ফণী ভট্টাচার্য্যকে কং-গুন্ডাদের হাতে শারীরিকভাবে নির্যাতিত হতে হয় এবং মিসায় আটক হয়ে বিনা বিচারে ৭ মাস জেলে বন্দী থাকতে হয় । আদর্শ কমিউনিষ্ট সুলভ ব্যক্তিগত জীবন শৈলী অনুসরণ  এবং পার্টী - ট্রেড ইউনিয়ন - অন্যান্য গণসংগঠনে  পরিচালনায় সুশৃংখলভাবে ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব    পালন করেছেন দুর্গাপুরের অন্যতম প্রবীন  পার্টী-সদস্য কমরেড ফণী ভট্টাচার্য্য । তিনি ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টী ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ইস্পাত-২ লোক্যাল কমিটির সদস্য ও হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের OB-সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন । মৃত্যুকালে তাঁর স্ত্রী , প্রাক্তন বিধায়িকা ও মহিলা নেত্রী কমঃ অর্চনা ভট্টাচার্য্য ও তিন কন্যা বর্তমান ।

    কমরেড ফণী ভট্টাচার্য্যর মৃত্যুতে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টী ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির পক্ষ থেকে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে ।
                             
 











       
            

Saturday, 19 October 2013

তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্হায়ী প্রতিরোধী আন্দোলনের ডাক ।

দুর্গাপুর , ১৯শে অক্টোঃ : আজ সন্ধ্যায় ,  ইস্পাতনগরীর রাণাপ্রতাপ রোডের আশীষ মার্কেটে , ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ ও ১বি জোনাল কমিটির  যৌথ পথসভায়  তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্হায়ী প্রতিরোধ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয় । গত ২ বছর ৫ মাস ধরে , ইস্পাতনগরী ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ভিতরে পার্টি-সদস্য এবং গন-আন্দোলনের নেতৃত্ব ও সাধারন সদস্যদের উপর  লাগাতার ভাবে আক্রমন চালাচ্ছে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী । বেআইনী ভাবে দখল করেছে ব্যাঙ্ক - কোঅপারেটিভ-ভবনগুলি । আশীষ-জব্বর ভবন সহ বিভিন্ন সেক্টর কমিটির অফিস ভাঙ্গচুর-পোড়ানো  হয়েছে  অথবা দখল করা হয়েছে । দুর্গাপুর  ইস্পাত কারখানার ৩৫০০  ঠিকাশ্রমিককে উচ্ছদে করা হয়েছে । আহত হয়েছেন বহু সংখ্যক পার্টি-সদস্য এবং গন-আন্দোলনের নেতৃত্ব । কিন্তু তা সত্বেও কমিউনিষ্ট ও বাম-গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুর মাথা নত করে নি । তাই ক্রমশঃ জন-বিচ্ছিন্ন তৃণমূল ফ্যাসিবাদী কায়দায় গুন্ডাবাহিনী লেলিয়ে দিয়ে গনআন্দোলন দমন করতে চাইছে । এই নিকৃষ্ট  আক্রমনের আরও এক ঘটনার সাক্ষী রইল  ইস্পাতনগরীর মানুষ । বিগত ৬০-এর দশক থেকে শারোদৎসবের সময় মার্কসবাদ ও প্রগতিশীল সাহিত্যের বই-বিক্রীর দোকান - ইস্পাতনগরীর ঐতিহ্যে পরিনত হয়েছে । গত ২ বছর ধরে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী  হামলা চালিয়ে  বই-বিক্রীর  দোকান  পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারলেও , এই বছরে তারা আঁটঘাট বেঁধে নামে । ক্রমান্বয়ে হামলা-হুমকী  চালিয়ে  আইনষ্টাইন , জয়দেব , চণ্ডীদাস , নিউটন ও আশীষ মার্কেটে মার্কসবাদ ও প্রগতিশীল সাহিত্যের বই-বিক্রীর দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয় ।
         আজকের সভায় , এই গঠনার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে , আগামীদিনে জনগনকে সাথে নিয়ে তীব্র ও দীর্ঘস্হায়ী লাগাতার  গন-আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয় । সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমঃ  কাজল চ্যাটার্জী  ও সলিল  দাসগুপ্ত  । সভাপতিত্ব করেন কমঃ   নির্মল   ভট্টাচার্য্য  ।   


               







Tuesday, 15 October 2013

প্রকাশিত হোল , ' মানবিক ' ।

দুর্গাপুর , ১০ই অক্টোঃ : দুর্গাপুরের বিশিষ্ট  শিল্পী-সাহিত্যিকদের উপস্হিতিতে , গত ১০ই অক্টোঃ প্রকাশিত হোল  গনতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের ইস্পাতনগরীর ১নং আঞ্চলিক কমিটির মুখপত্র , ' মানবিক ' এর শারদীয়া সংখ্যা । স্হানীয় চিলড্রেন্স আকাদেমির প্রেক্ষাগৃহে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে পত্রিকার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন বিশিষ্ঠ শিল্পী-সাহিত্যিক শ্রী আরতিকুমার বোস । একই সাথে প্রকাশিত হোল বিশিষ্ট শিল্পী-সাহিত্যিক শ্রী রমেন দাসের লেখা কবিতার বই - ব্রাত্যজনের কবিতা । এই বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন প্রাক্তন সাংসদ শ্রী জীবনবিহারী রায় । অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন  শ্রী বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত         ও আবৃতি করে শোনান  শ্রী গৌতম চক্রবর্তী  । সভাপতিত্ব করেন শ্রী দীপক দেব । 

Thursday, 10 October 2013

শারোদৎসবের মধ্যও ইস্পাতনগরীতে তৃণমূলের সন্ত্রাস জারী আছে ।

দুর্গাপুর , ১০ই অক্টোঃ  :  শারোদৎসবের মধ্যও ইস্পাতনগরীতে  তৃণমূলের সন্ত্রাস জারী  আছে । দীর্ঘদিন ধরে   ভারতের কমিউনিষ্ট  পার্টি  ( মার্কসবাদী )-র পক্ষ থেকে  দুর্গাপূজোর সময় ইস্পাতনগরীর  বিভিন্ন  জায়গায়   মার্কসবাদী  ও প্রগতিশীল  সাহিত্যের বুক-স্টল করা হয় । বছরের পর বছর , মার্কসবাদী ও প্রগতিশীল সাহিত্যের  বিভিন্ন  বই  এর পরিচয় ঘটানো এবং বই-বিক্রী করে , ইস্পাতনগরীর জ্ঞানপিপাসু মানুষের  চাহিদা  মিটিয়েছ এই বুক-স্টলগুলি । কিন্ত , পঃ বঙ্গে   তৃণমূল - সরকার গঠিত হওয়ার পরে , তৃণমূলের পক্ষ থেকে  বিগত দুই বৎসর ধরে ইস্পাতনগরীতে শারোদৎসবের সময় মার্কসবাদী   ও  প্রগতিশীল  সাহিত্যের বুক-স্টল করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে , হামলা চালানো হয়েছে । এই বছরে , পূজো শুরুর আগের থেকেই হুমকি চলছিল । কিন্তু ,  হুমকি সত্বেও , আজ পার্টিকর্মীরা ( DS 1A ও 1B লোক্যাল কমিটির ) যখন , অন্যান্য বৎসরের মত , আশীষ মার্কেটে সংলগ্ন   অঞ্চলে বুক-স্টল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন , তখন তৃণমূলী গুন্ডাবাহিনী হামলা চালিয়ে বুক-স্টল বন্ধ করে দেয় । উপস্হিত পার্টিনেতৃত্ব কমঃ কিঙ্কর ঘোষ , কালীশংকর ব্যানার্জী , দীপক ঘোষ সহ পার্টি-সদস্যদরা বাধা দিলে , গুন্ডাবাহিনীর পক্ষ থেকে  - পরিনাম ভালো হবে না বলে , হুমকি দেওয়া হয় । ভারতের কমিউনিষ্ট  পার্টি  ( মার্কসবাদী )-র ১এ জোনাল কমিটির পক্ষে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে ,  তৃণমূলের এই লাগাতার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ,  দুর্গাপূজোর পর বৃহত্তর লড়াই গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়েছে ।

Wednesday, 9 October 2013

হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের ডাকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার স্হায়ী শ্রমিক - কর্মচারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ ।

দুর্গাপুর , ৯ই অক্টোবর : আজ  DSP-র  ED-WORKS -এ , হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের ( HSEU )  ডাকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার স্হায়ী শ্রমিক - কর্মচারীদের ব্যাপক  বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং ED-WORKS এর কাছে ডেপুটেশনে , HSEU-র নেতৃত্ব ৫-দফা দাবীপত্র জমা করেন । অবিলম্বে NJCS-র মাধ্যমে বেতন-চুক্তির ফয়সালা , SAIL/DSP-কর্তৃপক্ষের একতরফা ও অযৌক্তিকভাবে হাউস-রেন্ট  অ্যালাউন্স বন্ধ করার চেষ্টা , কোয়র্টার - লিজিং এর বিষয়ে অনর্থক টালবাহানা , মোটিভেশনাল বেনিফিট দেওয়ার ক্ষেত্রে অযথা কালক্ষেপ  এবং  বারংবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্বেও , কারখানার ভেতরে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের উপর তৃনমূলের গুন্ডাবাহিনীর উপর্যুপরি হামলা বন্ধে DSP-কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ন ব্যর্থতার বিরুদ্ধ , এই ৫-দফা দাবীতে   দলে দলে শ্রমিক সকাল ৯-০০ সময় ED-WORKS-এ জমা হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং  DSP-কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে ৫-দফা দাবী ফয়সালার জন্য শ্লোগান দিতে থাকেন । সাম্প্রতিকালে , DSP-কারখানার অভ্যন্তরে  শ্রমিক-কর্মচারীদের  এইরকম ব্যাপক  বিক্ষোভ-সমাবেশ দেখা যায় নি বলে , তথ্যাভিজ্ঞ মহল মনে করছে । বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমঃ অরুণ চৌধুরী , বিশ্বরূপ ব্যানার্জী ও ললিত মিশ্র । সভাপতিত্ব করেন কমঃ কাজল মজুমদার । 

Tuesday, 8 October 2013

দুর্গাপুরের শ্রমিকরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে ।

দুর্গাপুর , ৮ই নভেঃ : তৃণমূলের সন্ত্রাস বিরুদ্ধে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ও বৃহত্তর দুর্গাপুরের শ্রমিকরা লড়াই চালিয়ে যাবেন । গত ৩০শে সেপ্টঃ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ভেতরে CISF-র উপস্হিতে INTTUC-র গুন্ডাবাহিনী বিনা প্ররোচনায় দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার স্হায়ী শ্রমিক- কর্মচারীদের ঐতিহ্যবাহী লড়াকু সংগঠন হিন্দুস্হান স্টিল  এমপ্লয়জ ইউনিয়নের ( HSEU ) ,CITU - সদস্য ও নেতৃত্বের উপর হামলা চালায় । এই ঘটনায় অনেকে আহত হয় ' এমন কি আহতদের চিকিৎসায় বাধা দেওয়া হয় । DSP-কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে নিরবতা অবলম্বন  করে , পরোক্ষে INTTUC-র গুন্ডাবাহিনীকে মদত জুগিয়ে চলেছে বলে অভিযোগ উঠছে । এই ঘটনার প্রতিবাদে , আজ SDO-দফ্তরের কাছে  সিটি সেন্টার বাস টার্মিনাসে , CITU-র বর্দ্ধমান জেলা কমিটির ডাকে সহস্রাধিক শ্রমিক-কর্মচারীর উপস্হিতিতে , তৃনমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কিভাবে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ও বৃহত্তর দুর্গাপুরের শ্রমিকরা লড়াই-আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন , সেই কথা  উঠে  আসে । কিভাবে অস্বাভাবিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে হিন্দুস্হান স্টিল  এমপ্লয়জ ইউনিয়নের ( HSEU ) লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে  , তার বিবরন দিয়ে  ও সেই আন্দোলনের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে , নেতৃবৃন্দ জানিয়ে দেন যে বর্তমান তৃনমূল সরকারের শ্রমিক-বিরোধী ও জন-বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে  এবং  বর্দ্ধমান জেলা সহ সারা পঃ বঙ্গে তৃনমূল খুন-জখম করার মাধ্যমে গনতান্ত্রিক আন্দোলনকে স্তব্দ্ধ করার চেষ্টার  বিরুদ্ধে  শ্রমিকদের সংগঠিত করে  , CITU জোরদার   প্রতিবাদ-আন্দোলন চালিয়ে যাবে । প্রসঙ্গত , আজ SDO-র কাছে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ভিতরে ও দুর্গাপুরের সর্বত্র শ্রমিক-কর্মচারীদের উপযুক্ত নিরাপত্তার দাবী জানিয়ে SDO-র কাছে CITU-র পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা পুর্ব-নির্ধারিত থাকলেও , SDO শেষ মুহূর্তে অন্যত্র কাজে ব্যস্ত থাকবেন , এই অজুহাতে সাক্ষাৎকার বাতিল করেন ।

             আজকের সভায় বক্তব্য রাখেন   CITU-র বর্দ্ধমান জেলা কমিটির  সম্পাদক  কমঃ অজিত মুখার্জী , সাংসদ কমঃ সইদুল হক , কমঃ বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী , অরুন চৌধুরী । সভাপতিত্ব করেন কমঃ রথীন রায় ।   

       









Wednesday, 2 October 2013

দুর্গাপুর ইস্পাতনগরীর নাগরিক মঞ্চ সেক্টর কো-অর্ডিনেশন কমিটির ৬ষ্ঠ সন্মেলন ।

দুর্গাপুর , ২রা অক্টোবর : আজ দুর্গাপুর ইস্পাতনগরীর নাগরিক মঞ্চ ১এ  সেক্টর কো-অর্ডিনেশন  কমিটির ৬ষ্ঠ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হোল বি'জোনের  ১নং বিদ্যাসাগর এভিন্যু-র কমঃ বি টি রণদিভে ভবনের কমঃ মৃণাল ব্যানার্জী - শিশির ব্যানার্জী - দিলীপ মজুমদার - বিনয় লাহিড়ী মঞ্চে । মোট ৩০৪ প্রতিনিধি এই সন্মেলনে অংশগ্রহন করেছেন । সন্মেলনের মাধ্যমে ১০২ জনের নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়েছে । এই  নতুন ১এ  সেক্টর কো-অর্ডিনেশন  কমিটি   কমঃ  মনোজ  হাজরা  ও মানস মুখার্জীকে যথাক্রমে  আহ্বায়ক  ও যুগ্ম-আহ্বায়ক নির্বাচিত করেছে । সন্মেলনকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রেখেছেন গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব কমঃ রথীন রায় ও সন্তোষ দেবরায় ।