দুর্গাপুর , ২৯শে নভেঃ : আজ , দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বিদ্যুৎ সরবরাহক সংস্হা
এনএসপিসিএল ইউনিট এর এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়শন এর বার্ষিক নির্বাচনে এনএসপিসিএল
এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) আটটি আসনের মধ্যে ৬টি তে জয়ী হয়ছে । দুটিতে জয়ী হয়ছে
তৃণমূলের ট্রেড ইউনিয়নের প্রার্থীরা । সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ছেন এনএসপিসিএল
এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) এর কমঃ দিলীপ চক্রবর্তী । প্রসংগত , এই এনএসপিসিএল এর
ইউনিয়ন স্বীকৃতি নির্বাচনে , তৃণমূলীদের ভয়ংকর আক্রমনের সামনে দাঁড়িয়ে এনএসপিসিএল এমপ্লয়িজ
ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) নির্বাচনের দিনে নির্বাচন থেকে সরতে বাধ্য হয়েছিল । আজকের নির্বাচনের
ফলাফল আবার প্রমান করেছে যে সিআইটিইউ এর প্রতি শিল্পাঞ্চলের আস্হা অটুট আছে । এনএসপিসিএল
এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) এর পক্ষ থেকে ইউনিয়নের সভাপতি কমঃ সুখময় বোস ভোটারদের
অভিনন্দন জানিয়েছেন ।
Saturday, 29 November 2014
Wednesday, 26 November 2014
গ্রাম বাংলায় কৃষিকাজে ধর্মঘট ও চটকল ধর্মঘটের সমর্থনে ইস্পাতনগরী সংহতি জানাল ।
দুর্গাপুর , ২৬শে নভেঃ : আজ ,কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ও রাজ্যের তৃণমূলের
জোড়া আক্রমনে বিপন্ন কৃষক-ক্ষেতমজুর-বর্গাদার , বিপন্ন শ্রমিক । মোদী সরকারের ,’ সুদিন
‘ এর বর্শাফলকে বিদ্ধ গ্রামের ১০০ দিনের কাজের
প্রকল্প । গ্রামের মানুষের ,’জীবনরেখা ‘ রেগা-প্রকল্প বিজেপি -র পরিকল্পিত চক্রান্তের শিকার হয়ে উঠে যাওয়ার মুখে
। বিজেপি সরকারের দোসর রাজ্যের তৃণমূল সরকার । বিজেপি -র পরিকল্পিত চক্রান্তে রেগা-প্রকল্প বিপন্ন হলেও তৃণমূলের মুখে রা নেই
! উল্টে তৃণমূল সরকার ধান সহ বিভিন্ন ফসলের
নায্য-মূল্য ঘোষনায় তীব্র অনীহা । পঞ্চায়েতকে দূর্নীতি আখরা করে তুলেছে তৃণমূল , বিধবা-বার্ধক্য
ভাতা সহ বিভিন্ন ভাতা ও প্রকল্পে চলেছে চরম দূর্নীতি । চরম হাহাকার গ্রাস করেছে আজকের
গ্রাম বাংলাকে । শতাধিক কৃষকের আত্মহত্যায় গ্রাম বাংলায় মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর
, যা বিগত ৩৪-বৎসরে বামফ্রন্ট সরকার থাকাকালীন সময়ে কখনই হয় নি । তাই গ্রাম বাংলার
মানুষ আজ কৃষকসভা ও অন্যান্য বামপন্হী কৃষক সংগঠনের ডাকে কৃষিকাজ ধর্মঘট করে মোদী ও
মমতা ব্যানার্জীর সরকারকে হুঁশিয়ারী দিয়েছে । বামফ্রন্টের ডাকে সারা রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ
সভার আহ্বান জানানো হয়ছে । ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র ডাকে দিল্লীতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী কমঃ মানিক সরকারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ ও ধর্ণা হয়ছে
। অন্যদিকে সিআইটিউ সহ ২২ ট্রেড ইউনিয়নের ( তৃণমূল বাদে ) ডাকে আজ পঃ বঙ্গের চটকল শ্রমিকরা
সর্বাত্তক ধর্মঘট করেছেন । আজকের এই কৃষক ও শ্রমিক ধর্মঘটের সমর্থনে ইস্পাতনগরীতে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর
ইস্পাত জোনাল সাংগঠনিক কমিটির ডাকে সন্ধ্যায় ৩টি পথসভা অনুষ্ঠিত হয় । সেইল কো-অপঃ এর
পথসভায় বক্তব্য রাখেন কমঃ সুব্রত সিনহা ও স্বপন মজুমদার , সভাপতিত্ব করেন কমঃ এস কে
এন চৌধুরী । চণ্ডীদাস বাজার মোড়ের পথসভায় বক্তব্য রাখেন কমঃ অরুন চৌধুরী ও আল্পনা চৌধুরী
, সভাপতিত্ব করেন কমঃ অশোক চক্রবর্তী । প্রান্তিকা মোড়ের পথসভায় বক্তব্য রাখেন কমঃ
সীমান্ত তরফদার ও কবি ঘোষ , সভাপতিত্ব করেন কমঃ কাজল চ্যাটার্জী ।
Sunday, 23 November 2014
ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ২ নং আঞ্চলিক কমিটির ১০ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল ।
দুর্গাপুর , ২৩শে
নভেঃ : আজ , ইস্পাতনগরীর আশীষ-জব্বর ভবনে দুর্গাপুর ২ নং আঞ্চলিক কমিটির ১০ম সম্মেলন
অনুষ্ঠিত হল বিনয় কোঙার
মঞ্চে
। রক্তপতাকা উত্তোলন ও শহীদবেদীতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সূচনা
হয় । রক্তপতাকা উত্তোলন করেন ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র বর্ধমান জেলা
কমিটির সদস্য কমঃ অজিত মুখার্জী । উদ্বোধনী ভাষনে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী
)-র বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য কমঃ অপূর্ব চ্যাটার্জী । তিনি বলেন বিগত গৌরবময় ৫০ বৎসরে
ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী ) অনেকটা পথ অতিক্রম করে এসেছে । বিগত পার্টি
কংগ্রেসে গৃহীত রণকৌশল এর মধ্য দিয়ে চলতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা পার্টি অর্জন করছে , তা
সম্মেলনের আলোচনাকে সমৃদ্ধ করবে । বর্তমান সময়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার একদিকে পূর্বতন
কং পরিচালিত উদারনৈতিক অর্থনীতিকে বজায় রেখে আরো কঠোর ভাবে লাগু করছে । অন্যদিকে এই
ভয়াবহ জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে মানুষের স্বাভাবিক বিক্ষোভকে ধামাচাপা দিয়ে মানুষের
মধ্যে বিভেদ তৈরি করার জন্য ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিতে চাইছে আরএসএস-বিজেপি
। আবার রাজ্যে তৃণমূল সরকার যেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পরিপূরক । তৃণমূল সরকারের
সময়ে পার্টি ও বামপন্হী শক্তির উপর ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস নামিয়ে আনা হয়েছে । সাম্প্রদায়িক
শক্তির সাথে হাত মিলিয়েছে তৃণমূল । আজ তৃণমূল ও বিজেপি উভয়ের জনবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক
বিভাজনের নীতিতে রাজ্য ও দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল বিপন্ন । এর বিরুদ্ধে মানুষকে নিয়ে দৃঢ়
প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে । সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ২ জন আমন্ত্রিত সদস্য সহ ১৫ জনের নতুন
আঞ্চলিক কমিটি গঠিত হয়েছে । সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কমঃ বিজয় সাহা। সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন কমঃ সন্তোষ দেবরায় , সুশান্ত
ব্যানার্জী , নির্মল ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ।
Thursday, 20 November 2014
৪২-তম শহীদ ষড়াণন মুখার্জী ও শহীদ সুনীল আচার্য স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইন্যাল খেলা অনুষ্ঠিত হল ।
দুর্গাপুর , ২০শে নভেঃ : আজ বিকালে , ইস্পাতনগরীর বি’জোনের নাগার্জুন রোডে
মিলনচক্র ফুটবল ময়দানে ৪২-তম শহীদ ষড়াণন মুখার্জী ও শহীদ সুনীল আচার্য স্মৃতি ফুটবল
টুর্নামেন্টের ফাইন্যাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় । ফাইন্যালে ট্রাইব্রেকারে তানসেন অ্যাথালেটিক ক্লাব ৩-২ গোলে পলাশডিহা আদিবাসী
সংঘকে হারিয়ে বিজয়ী হয় । সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হয়েছে তানসেন অ্যাথালেটিক ক্লাবের
অনুপ বাউরী । পুরস্কার বিতরন করেন শ্রী রথীন রায় , সন্তোষ দেবরায় , সুবীর সেনগুপ্ত
, সুখময় বোস , প্রফুল্ল মন্ডল প্রমূখ । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন প্রাক্তন
জাতীয় ফুটবলার শ্রী সুব্রত সিনহা ।
Wednesday, 19 November 2014
শ্রমিক-বিরোধী তৃণমূলের সন্ত্রাসরাজের দিন শেষ প্রহর গুনছে : বুঝিয়ে দিলেন দুর্গাপূর ইস্পাতের ঠিকা শ্রমিকরা ।
দুর্গাপুর , ১৯শে নভেঃ : ১৭ই নভেঃ এর দুর্গাপূর ইস্পাত কারখানার মেইন গেটের
সমাবেশ বুঝিয়ে দিয়েছিল তৃণমূলী দুষ্কৃতিদের হামলা-হুমকিকে দুর্গাপূর ইস্পাতের ঠিকা
শ্রমিকরা আর পরোয়া করছে না । ঠিক ২-দিনের মাথায় দুর্গাপূর ইস্পাত কারখানার ২-নং গেটের
সভায় শীতের সকালে হিমেল হাওয়ার আলতো স্পর্ষে অজস্র লাল পতাকায় ঠেউ এর মাঝে কালো মাথার
সমুদ্র আর মুষ্টিবব্ধ হাত জানিয়ে দিল তৃণমূলের
রাজত্বে বঞ্চিত-শোষিত-নিপিড়ীত ঠিকা শ্রমিকদের
দূর্বার আন্দোলন আসন্ন । কোন শক্তিই আর ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না । আন্দোলনের স্বাভাবিক
নেতৃত্ব যে লালঝাণ্ডা ইউনিয়ন ইউ.সি.ডব্লু.ইউ ( সিআইটিইউ ) , সে কথা বলার আর অপেক্ষা
রাখে না । এই কথা দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথেই জানালেন ইউ.সি.ডব্লু.ইউ ( সিআইটিইউ ) এর সাধারন
সম্পাদক কমঃ সুবীর ( লাল্টু ) সেনগুপ্ত । তিনি বলেন যে গত ২০১১ সালের মে’মাসে তৃণমূলী সন্ত্রাসের শুরু ।
সেই সন্ত্রাসের শিকার হয়েছে হাজার হাজার ঠিকা শ্রমিক । উচ্ছেদ হয়েছেন ৩৫০০ ঠিকা শ্রমিক
। তৃণমূলী দুষ্কৃতিদের শারীরিক আক্রমনের শিকার
হয়েছেন বহু শ্রমিক ও ইউ.সি.ডব্লু.ইউ এর নেতৃবৃন্দ । গুরুতর জখম হয়েছেন অনেকে । উল্টে মমতা ব্যানার্জীর
সরকারে দলভৃত্য পুলিশ অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে ইউনিয়ন নেতৃত্বকে । কিন্তু এত করেও ইউ.সি.ডব্লু.ইউ
কে ধ্বংস করা যায় নি , যাবেও না । উল্টে আপাদমস্তক দূর্নীতিগ্রস্হ তৃণমুলের কংকালসার চেহারা শ্রমিকদের কাছে স্পষ্ট
হয়ে ফুটে উঠেছে । সারদা-সহ বিভিন্ন চিঠফান্ডের কেলেঙ্কারীতে তৃণমূলের সর্বস্তরে নেতৃত্বের
যোগসাজসের কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ছে । তৃণমূলের নেতারা গ্রেফ্তার হয়ছেন , হয়তো
আরও হবেন । লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতারিত হয়ে নিঃস্ব হয়ছেন । তার মধ্যে অনেক ঠিকা শ্রমিকও
আছেন । শুধু তাই নয় , তৃণমূলের নেতা , ঠিকাদার ও কারখানার আধিকারিকদের একাংশের অশুভ যোগসাজসে বেতন-চুক্তিকে
নসাৎ করে দিয়ে কর্মরত ঠিকা শ্রমিকদের দৈনিক
বেতন ১০০ টাকা- ১২০ টাকা দেওয়া হচ্ছে , যা বামফ্রন্ট সরকার থাকাকালীন সর্বোচ্চ হয়ছিল
দৈনিক ৪৫০ টাকা-৫০০ টাকা । তৃণমূলীদের নেতৃত্ব ঠিকাদাররা ঠিকা শ্রমিকদের উপর যে চরম
শোষন চালাচ্ছে । ঠিকা শ্রমিকদের মাসিক বেতন
কবে হবে তা ঠিক না থাকলেও তৃণমূলের নেতাদের বেতন ঠিক সময়ে হয় যায় । অনেক তৃণমূলের নেতা
একসাথে অনেক কোম্পানী থেকে বেতন তুলছে বলে অভিযোগ উঠছে । কারখানায় এই চরম শ্রমিক-বিরোধী
কাজের প্রতিবাদ করে , অনেক তৃণমূল কর্মীকেও কাজ হারাতে হয়ছে । ডিএসপি কারখানার কর্তৃপক্ষও
এই সুযোগে ঠিকা শ্রমিকদের একের পর এক অধিকার
কেড়ে নিচ্ছে কারন দূর্নীতিগ্রস্হ ও শ্রমিকবিরোধী তৃণমূল নেতৃত্ব কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যতঃ
মাথা বিকিয়ে দিয়েছে । তিনি আরও বলেন যে সন্ত্রাসের বাতাবরনের মধ্যেই ইউনিয়ন কাজ চালিয়ে
গেছে এবং বেতন-চুক্তি অনুসারে ঠিকা শ্রমিকদের নায্য দাবী আদায়ের আন্দোলন গড়ে তুলেছে
। শ্রমিকদের মধ্যে সাড়া পড়ে গেছে । হতাশ তৃণমূল নেতৃত্ব মোহমুক্ত ঠিকা শ্রমিকদের মধ্যে
গুজব রটাচ্ছে যে লালঝঝাণ্ডা ইউনিয়ন ফিরে এলে শ্রমিক উচ্ছেদ ঘটবে । কমঃ সুবীর ( লাল্টু
) সেনগুপ্ত দৃঢ়তার সাথেই বলেন যে সিআইটিইউ যে উচ্ছেদ-রাজনীতি বা বদলার-রাজনীতি কখনও
করেনা , তার জলজ্যান্ত প্রমান দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা । ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার
আসার পড়ে কোন শ্রমিক উচ্ছেদ হওয়া তো দুরে থাক বরং ইউ.সি.ডব্লু.ইউ এর আন্দোলনের ফলে
দলমত নির্বিশেষে ঠিকা শ্রমিকরা স্হায়ী শ্রমিক হয়েছেন । তিনি জোড় দিয়ে বলেন যে ইউ.সি.ডব্লু.ইউ
দাবী জানাচ্ছে যে দুর্গাপুর ইস্পাতের কর্তৃপক্ষকে
অবিলম্বে উচ্ছেদ হওয়া ৩৫০০ ঠিকা শ্রমিককে পুনর্বহাল করতে হবে ,কোন কর্মরত ঠিকা শ্রমিককে
উচ্ছেদ ছাড়াই । একই সাথে তিনি , তৃণমূলের নেতৃত্বের প্ররোচনায় পা দিয়ে , হিংসার আশ্রয়
না নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন । কমঃ সেনগুপ্ত একই সাথে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের
শ্রমিক-বিরোধী নীতির তীব্র সমালোচন করেন এবং ঠিকা শ্রমিক ও ইউ.সি.ডব্লু.ইউ এর পক্ষ
থেকে আগামী ২৪শে নভেঃ দেশব্যাপী কয়লা-শিল্পে ধর্মঘটের কে পূর্ন সমর্থন জানানা । দুর্গাপুর
ইস্পাত কারখানার স্হায়ী শ্রমিকদের সংগঠন হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ
) এর পক্ষে কমরেড প্রকাশতরু চক্রবর্তী সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং কেন আগামী ২৪শে
নভেঃ দেশব্যাপী কয়লা-শিল্পে ধর্মঘট , সারা ভারতের শ্রমিকশ্রেনীর লড়াইতে পরিনত হয়ছে
তা ব্যাখা করেন । সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীন শ্রমিক নেতা কমঃ বিভূতি দাস মন্ডল ।
Monday, 17 November 2014
সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ও রাজ্যে গনতন্ত্রের পুনঃস্হাপনার লড়াইতে শিল্পী-সাহিত্যিকরা সামিল হবেন ।
দুর্গাপুর ,১৬ই নভেঃ : আজ , দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন দুর্গাপুর গেষ্ট হাউসে পঃ বঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের দুর্গাপুর ২ আঞ্চলিক কমিটির ৮-ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল । উদ্বোধনী ভাষন দেন পঃ বঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের বর্ধমান জেলার সভাপতি কমঃ পরেশ মন্ডল । ১৬৫ জন প্রতিনিধি উপস্হিত ছিলেন । ৭-জন প্রতিনিধি রিপোর্টের উপর আলোচনা করেন এবং ৯ জন প্রতিনিধি সম্মেলনে গান-আবৃতি ও নৃত্য পরিবেশন করেন । সম্মেলনকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রাক্তন বিধায়ক কমঃ বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী , পঃ বঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের বর্ধমান জেলার যুগ্ম-সম্পাদক কমঃ সুকোমল ঘোষ ও আদিবাসী লোকশিল্পী সংঘের পক্ষে কমঃ মনো সরেণ । সম্মেলন ২১-জন সদস্যের দুর্গাপুর পূর্বাঞ্চল কমিটি ও ১৯-জন সদস্যের দুর্গাপুর পশ্চিমাঞ্চল কমিটি নির্বাচিত করছে । সভাপতি নির্বাচিত হয়ছেন যথাক্রমে কবি ঘোষ ও অশোক মজুমদার ।
২৪ নভেঃ কয়লা শিল্পে সর্বভারতীয় ধর্মঘটের সমর্থনে ইস্পাত শ্রমিকদের গণ-কনভেনশন অনুষ্ঠিত হল ।
দুর্গাপুর , ১৭ই নভেঃ : আজ সন্ধ্যায় , ইস্পাতনগরীর বি.টি.রণদিভে ভবনে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ( সিআইটিইউ ) এর উদ্যোগে ২৪ নভেঃ কয়লা শিল্পে সর্বভারতীয় ধর্মঘটের সমর্থনে ইস্পাত শ্রমিকদের গণ-কনভেনশন অনুষ্ঠিত হল । ধর্মঘটের কারন বিশদে ব্যাখ্যা করে অল ইন্ডিয়া কোল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক কমঃ জীবন রায় দৃঢ়তা সাথে বলেন বলেন কয়লা শিল্পের বেসরকারীকরনের লক্ষ্যে মোদি সরকারের কয়লা-অর্ডিন্যান্সের বিরোধিতায় ৪টি ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা আগামী ২৪শে নভেঃ কয়লাশিল্পের সর্বভারতীয় ধর্মঘট এযাবৎ কালের মধ্যে সর্বাপেক্ষা দৃঢ় শ্রমিক-ঐক্যের ভিত্তিতে সর্ববৃহৎ বেসরকারীকরন বিরোধী ধর্মঘটে পরিনত হবে । কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন কমঃ অজিত মুখার্জী ।
Subscribe to:
Posts (Atom)




