Friday, 13 July 2018

দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল বাঁচানোর আবেদন জানিয়ে মহকুমা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দিল শ্রমিক সংগঠন সমূহের যৌথ মঞ্চ।




দুর্গাপুর ,১৩ই জুলাই : শ্রমিক সংগঠন সি.আই.টি.ইউ-আই.এন.টি.ইউ.সি-এ.আই. টি.ইউ.সি- টি.ইউ.সি.সি-এ.আই.ইউ. টি.ইউ.সি কে নিয়ে গঠিত ,’ সেভ এএসপি – সেভ ডিএসপি – সেভ দুর্গাপুর ‘ যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে কেন্দ্রিয় রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হা অ্যালয় স্টিলের বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার জন্য মোদি সরকারের চক্রান্তের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে । ফলে অ্যালয় স্টিলের বেসরকারিকরনের প্রক্রিয়া আপাতত থমকে গেছে।একই সাথে চলছে অ্যালয় স্টিল ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আধুনিকিকরন ও সম্প্রসারনের জন্য লড়াই।
      গভীর সংকটের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে একদা ‘ ভারতের রূঢ় ‘ অঞ্চল নামে পরিচিত দুর্গাপুর – আসানসোল শিল্পাঞ্চল । বর্তমান কেন্দ্র ও রাজ্যের উভয় সরকারের নীতির ফলে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি কারখানা বিপন্ন হয়ে পড়েছে । সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে বড়-মাঝারি-ছোট ৮০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে । ৮০ হাজার শ্রমিক কর্মচ্যূত হয়েছেন । বন্ধ হয়ে যাওয়া এম.এ.এম.সি কারখানা খোলার জন্য পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকারের উদ্যোগে কোল ইন্ডিয়া – ডিভিসি – ভারত আর্থ মুভার্স কে নিয়ে কন্সোর্টিয়াম তৈরির জন্য মৌ সাক্ষরিত হয় । বর্তমান তৃণমূল সরকার সেই বিষয়ে উদাসিন ।নামরূপ, সিন্ধ্রী,বারানৌ সহ আট টি বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি সার কারখানা চালুর জন্য মোদি সরকার উদ্যোগি হলেও রহস্যময় কারনে একদা বিখ্যাত মোতি ইউরিয়া সারের উৎপাদক বন্ধ হয়ে যাওয়া দুর্গাপুর এইচ.এফ.সি সেই তালিকার বাইরে রয়েছে । রাজ্য সরকার নীরব । সবচেয়ে করুণ অবস্হা বন্ধ হয়ে যাওয়া বি.ও.জি.এল কারখানার শ্রমিকদের । বন্ধ হয়ে গেলেও পিএফ-গ্র্যাচ্যুইটি সহ অন্যান্য পাওনার টাকা আজও শ্রমিকরা পায় নি ।ইতিমধ্যে বি.ও.জি.এল এর ৪২ জন প্রাক্তন শ্রমিক মারা গেছেন । চিকিৎসার সুযোগ পর্যন্ত পান নি ।
আজ দুর্গাপুরের মহকুমা শাসকের কাছে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল বাঁচানোর আবেদন জানিয়ে ডেপুটেশন দিল শ্রমিক সংগঠন সমূহের যৌথ মঞ্চ।একই সাথে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের এই ভয়াবহ অবসহার কথা সবিস্তারে তুলে ধরে প্রতিবিধানের দাবি জানিয়ে মহকুমা শাসক ড়ঃ শ্রীকান্তের কাছে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দ্যেশে লেখা একটি চিঠি জমা দেন যৌথ মঞ্চের এক প্রতিনিধি দল। দলে ছিলেন যৌথ মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক বিনয়েন্দ্র কিশোর চক্রবর্তি ও বিকাশ ঘটক ,রথিন রায়, দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।








Wednesday, 11 July 2018

শ্রমিক,অবসর প্রাপ্ত ও তাদের পরিবারবর্গ সহ নাগরিক বিক্ষোভ আছড়ে পড়ল ডিএসপি-র সিইও দফ্তরে ।




দুর্গাপুর,১১ই জুলাই : অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট বাঁচাও - দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা -  দুর্গাপুর বাঁচাও , অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট- দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আধুনিকিকরন-সম্প্রসারন এর জন্য দীর্ঘস্হায়ী  আন্দোলনের সাথে সাথে বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার পূরণের জন্য সি.আই.টি.ইউ এর নেতৃত্বে ইস্পাত শ্রমিক ( স্হায়ি ও ঠিকা ), অবসর প্রাপ্ত ও তাদের পরিবারবর্গ  এবং নাগরিক বৃন্দ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ।
আজ দুপুরে সি.আই.টি.ইউ এর ডাকে সারা দিয়ে দলে দলে বিক্ষোভকারী স্হায়ি ও ঠিকা শ্রমিকদের অবিলম্বে বেতন-চুক্তির আলোচনা ও ফয়সালা, নতুন করে শ্রমিক উচ্ছেদ না করে উচ্ছেদ শ্রমিকদের কাজে বহাল সহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি এসপি বাঁচাও , এএসপি-ডিএসপির আধুনিকিকরন ও সম্প্রসারন ও স্হায়ী শ্রমিক নিয়োগ , সেইল আবাসন ও সেপকো নিয়ে কর্তৃপক্ষের ফতেয়ার বিরুদ্ধে , ইস্পাতনগরী ও হাসপাতালের  পরিষেবার উন্নতি, ইস্পাতনগরীতে দুবেলা জল সরবরাহ ও অবিলম্বে জমি-বাড়ি-কোয়ার্টার লিজিং/লাইসেন্সিং এর দাবিতে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সিইও দফ্তরে অবস্হান-বিক্ষোভে যোগ দেন ।
বিক্ষোভ সমাবেশে দাবির সমর্থনের পাশাপাশি আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রেখেছেন কাজল মজুমদার , নন্দদুলাল দাস ,রামপঙ্কজ গাঙ্গুলী,অশোক চক্রবর্তী , আশিষতরু চক্রবর্তী, বিশ্বরূপ ব্যানার্জী ও সুবীর সেনগুপ্ত । বক্তব্য রাখেন দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর সি.পি.আই.(এম ) বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । উপস্হিত ছিলেন রথিন রায় ।
সমাবেশ চলাকালিন , ললিত মিশ্র নেতৃত্ব এক প্রতিনিধি দল সিইও দফ্তরে গিয়ে কর্তৃপক্ষ কে দাবি-সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেন । ফিরে এসে বিক্ষোভ সমাবেশে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার বিস্তারিত বিবরন তুলে ধরেন ললিত মিশ্র ।



Monday, 9 July 2018

১১ই জুলাই সি.ই.ও দফ্তরে অবস্হান-বিক্ষোভের কর্মসূচি সফল করার জন্য ইস্পাতনগরীতে জোর প্রস্তুতি চলছে ।




দুর্গাপুর,৯ই জুলাই : সি.আই.টি.ইউ  আগামী ১১ই জুলাই দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সি.ই.ও দফ্তরে  অবস্হান-বিক্ষোভের কর্মসূচির ডাক দিয়েছে । স্হায়ি ও ঠিকা শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি এসপি বাঁচাও , এএসপি-ডিএসপির আধুনিকিকরন ও সম্প্রসারন ও স্হায়ী শ্রমিক নিয়োগ , সেইল আবাসন ও সেপকো নিয়ে কর্তৃপক্ষের ফতেয়ার বিরুদ্ধে ,উচ্ছেদ ঠিকা শ্রমিকদের পুণর্বহাল, ইস্পাতনগরী ও হাসপাতালের  পরিষেবার উন্নতি, ইস্পাতনগরীতে দুবেলা জল সরবরাহ ও অবিলম্বে জমি-বাড়ি-কোয়ার্টার লিজিং/লাইসেন্সিং এর দাবিতে এই অবস্হান-বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে । অবস্হান-বিক্ষোভের কর্মসূচি সফল করার জন্য চলছে গ্রুপ সভা ও নাগরিক কনভেনশন । আজ সন্ধ্যায় সেইল আবাসন অঞ্চলে রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত মঞ্চে একটি নাগরিক কনভেনশনে বক্তব্য রাখেন বাদল মজুমদার,সন্তোষ দেবরায় ও বিশ্বরূপ ব্যানার্জী ।



Sunday, 8 July 2018

জ্যোতি বসুর ১০৫-তম জন্ম দিবসে ইস্পাতনগরীতে পুনরায় শুরু হল শহিদ আশিষ-জব্বার স্মৃতি ফুটবল প্রতিযোগিতা ।




দুর্গাপুর,৮ই জুলাই : ইস্পাতনগরীর সাথে ভারতের শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত জ্যোতি বসুর ছিল সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর । ১৯৬০ এর দশক থেকে আমৃত্যু জ্যোতি বসু একাদিক্রমে ছিলেন দুর্গাপুরের শ্রমিক আন্দোলনের নেতা-বন্ধু-অভিভাবক । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আধুনিকিকরনের পাশাপাশি  ১৯৯১ সালে নয়া অর্থনীতি চালু হলে তার ধাক্কায় দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল শুকিয়ে মড়ার উপক্রম হলে তাকে বাঁচিয়ে তোলা ও সম্প্রসারনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর অসামান্য অবদান দুর্গাপুরবাসী আজও স্মরণ করেন । দুর্গাপুরের শ্রমিক আন্দোলনের প্রথম শহীদদ্বয় আশিষ-জব্বারের স্মরনে আয়োজিত শহিদ আশিষ-জব্বার স্মৃতি ফুটবল প্রতিযোগিতা এক সময়ে পঃ বঙ্গের খেলার জগতে বিশেষ সারা ফেলেছিল । ১৯৮০-র দশকে মাঝামাঝি সময়ে এটি বন্ধ হয়ে যায় । বর্তমানের অশান্ত সময় ও সাম্প্রদায়িক শক্তির দাপাদাপি সমাজের মধ্যে যে অনৈক্য তৈরি করছে তা রুখে দিয়ে দুর্গাপুরে শান্তি-সৌহার্দ্য – সম্প্রীতির বাতাবরন ফিরিয়ে আনতে দুর্গাপুরের ক্রীড়ামোদি মহল পুনরায় শহিদ আশিষ-জব্বার স্মৃতি ফুটবল প্রতিযোগিতা চালু করার সিদ্ধান্ত নিলে হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন সহ দলমত নির্বিশেষে সবাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ।
আজ বিকালে ইস্পাতনগরীর ঐতিহ্যমন্ডিত লাল ময়দানে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় । প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ইডি ( প্রোজেক্ট ) অমিত রঞ্জন দাসগুপ্ত । উপস্হিত ছিলেন দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র রথিন রায় , দুর্গাপুর ( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় , পিকে দাস , বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,ডঃ রবিশংকর দ্বিবেদি সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, দুর্গাপুরের ক্রীড়া জগতের একাধিক আন্তর্জাতিক –জাতীয়-রাজ্য স্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রীড়াবিদ এবং অসংখ্য ক্রীড়ামোদী মানুষ । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনায় শহিদ আশিষ-জব্বারের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও শহিদ স্মরণে নিরবতা পালন করা হয় । সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন সম্ভাবনা শিল্পী গোষ্ঠির শিশু শিল্পীরা । প্রতিযোগিতায়  মোট ৮ টি দল অংশ নিচ্ছে । আগামী ৫ই আগষ্ট ফাইন্যাল খেলা হবে । উদ্বোধনী খেলায় সুভাষচন্দ্র বয়েজ ক্লাব কে ট্রাইব্রেকারে পরাজিত করে দুর্গাপুর হিরোজ ।
















জ্যোতি বসুর ১০৫-তম দিবসে সি.আই.টি.ইউ-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির বিশেষ তহবিলে অর্থ সংগ্রহে হাত বাড়ালো ইস্পাতনগরী ।




দুর্গাপুর , ৮ই জুলাই – আজ জ্যোতি বসুর ১০৫-তম দিবস উপলক্ষ্যে ইস্পাতনগরীরতে সি.আই.টি.ইউ-র পক্ষ থেকে সি.আই.টি.ইউ-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির বিশেষ তহবিলের জন্য  অর্থ সংগ্রহ করা হল ব্যস্ততম আশিষ মার্কেট । দলমত-নির্বিশেষ সাধারন মানুষ সহ দোকানদার-ব্যবসায়ীরা  সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন । নেতৃত্ব সহ এক বিশাল কর্মিবাহিনী অর্থসংগ্রহের  কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করেন । উপস্হিত ছিলেন সন্তোষ দেবরায় , নির্মল ভট্টাচার্য , বিশ্বরূপ ব্যানার্জী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।








Saturday, 7 July 2018

পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের উদ্যোগে আলোচনা সভা ।




দুর্গাপুর,৭ই জুলাই : আজ সন্ধ্যায় সেইল আবাসন অঞ্চলে রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘের দুর্গাপুর ইস্পাত ১ ও ২ আঞ্চলিক কমিটির যৌথ উদ্যোগে – রবীন্দ্রনাথের ‘সভ্যতার সংকট’ এবং বর্তমান সময় শীর্ষক আলোচনা সভায় একমাত্র আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট কবি জিয়াদ আলি । তিনি , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে মানসলোকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাহ্ন থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্বে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের যে বিভীষিকাময় চিত্র ধরা পড়েছিল , তা কিভাবে তাঁর লেখনি কে প্রভাবিত করেছে , তা বর্ণনা করেন । কিন্তু  জিঘাংসা – সমর হুংকার – উৎকট জাতিবাদের মধ্যেই রবীন্দ্রনাথ খুঁজে পেয়েছিলেন আশার আলো । রাশিয়ার ‘ তীর্থদর্শন’ রবীন্দ্রনাথ কে সভ্যতার পীলসুজ জ্বালিয়ে রাখে যারা সেই জনতার অমর সংগ্রাম নতুন আশার পথ দেখিয়েছিল । আজ যখন সভ্যতা আবারও গভীর সংকটে , তখন রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি  নতুন সূর্যের মত দেদ্দিপ্যমান হয়ে বিশ্ব কে পথ দেখিয়ে চলছে ।
আলোচনা সভার শুরুতে কবি জিয়াদ আলি কে আয়োজকদের পক্ষ থেকে  সম্বর্ধনা জানান মৃণাল বন্দোপাধ্যায় । সংগীত পরিবেশন করেন সোমনাথ বন্দোপাধ্যায় । উপস্হিত ছিলেন অনুপ মিত্র , কার্তিক দাস , দীপক দেব সহ দুর্গাপুরের বিশিষ্ট শিল্পী-সাহিত্যিক-গুনীজন ।







Friday, 6 July 2018

দেশ ও রাজ্য জুড়ে মহিলাদের উপরে ক্রমবর্ধমান আক্রমনের প্রতিবাদে আন্দোলনরত মহিলারা আক্রান্ত হল কেন ? – ইস্পাতনগরী জবাব চাইলো




দুর্গাপুর,৭ই জুলাই : দেশ ও  রাজ্য জুড়ে মহিলাদের উপরে আক্রমন ক্রমবর্ধমান । সাম্প্রতিককালে পঞ্চায়েত নির্বাচন কে কেন্দ্র করে বিশেষ করে মহিলারা শাসক তৃণমূলের কুৎসিত,হাড় হিম করা আক্রমনের শিকার হয়েছেন । এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সারা ভারত মহিলা সমিতির শান্তিপূর্ন প্রতিবাদ সমাবেশে ( ৪ঠা জুলাই কোলকাতায় ) মমতা ব্যানর্জীর পুলিশ পরিকল্পিত হামলা চালালে বহু মহিলা আহত হন । এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদি )-র দুর্গাপুর  ইস্পাত ১,২ ও ৩ এরিয়া কমিটির ডাকে আজ বিকালে ইস্পাতনগরীর এ-জোন ও বি-জোনে দুটি পৃথক মিছিলে বহু মানুষ হাঁটলেন । এ-জোনের মিছিল আকবর রোড সেক্টর অফিস থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে আবার আকবর রোড সেক্টর অফিসে শেষ হয়। বি-জোনের মিছিল বি.টি.রণদিভে ভবন থেকে শুরু হয়ে চন্ডিদাস বাজারে শেষ হয়।
এ-জোনের মিছিলে নেতৃত্ব দেন কাজল চ্যাটার্জী,দিপক ঘোষ,রাজলক্ষী দে প্রমূখ।বি-জোনের মিছিলে নেতৃত্ব দেন সুবীর সেনগুপ্ত ,বিশ্বরূপ ব্যানার্জী ,স্বপন ব্যানার্জী প্রমূখ।