Sunday, 14 April 2019

বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্ট প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরী কে জয়ী করার আহ্বান জানালেন চলচিত্র পরিচালক ও বিশিষ্ট শিল্পীরা ।



দুর্গাপুর,১৪ই এপ্রিল : বাংলা বছরের শেষ দিনে ইস্পাতনগরী অন্য ধরনের নির্বাচনী প্রচারের স্বাদ পেল ।সৌজন্যে প্রগতিশীল সংস্কৃতি মঞ্চ । সাম্প্রদায়িক ও গনতন্ত্র বিনষ্টকারি শক্তি কে পরাভূত করতে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্ট প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরী কে জয়ী করার আহ্বান জানালেন বিখ্যাত চলচিত্র পরিচালক তরুন মজুমদার,পুরবী মুখার্জী,বিমল চক্রবর্তী,দেবজিত ঘোষ,শুভপ্রসাদ নন্দীমজুমদার,শমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়,সঞ্জয় বিশ্বাস,উৎপল ঘোষ,অরিজিত গাঙ্গুলীর মত একগুচ্ছ তারকা শিল্পী। বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইস্পাতনগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত প্রচার করলেন শিল্পীরা । বিকালে রবীন্দ্র ভবন থেকে সংক্ষিপ্ত পথ পরিক্রমার পরে আশিষ মার্কেটে এক জনাকীর্ণ সভায় বক্তব্য রাখেন শিল্পীরা । এখানে শিল্পীদের সংবর্ধনা জানানো হয় । সম্বোর্ধিত করেন দুর্গাপুর( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায়,প্রাক্তন মহানাগরিক রথিন রায় , বিশিষ্ট নাট্য-নির্দেশক দিপক দেব সহ সংগঠকরা । তারপরে শিল্পীরা পথ পরিক্রমা করে যান চন্ডিদাস বাজারে । সেখানেও এক বিশাল সভায় আভাস রায়চৌধুরী কে জয়ী করার আহ্বান জানালেন শিল্পীরা । আজকের অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যায় যোগদান করেন স্হানীয় শিল্পী সহ সাধারন মানুষ ,উৎসুক শ্রোতা ও সংস্কৃতি-মনস্ক ব্যক্তিরা।
ইস্পাতনগরী সমৃদ্ধ শিল্প-সংস্কৃতির জগতে গত ৮ বছর ধরে চলছে এক পরিকল্পিত নিয়ন্ত্রন কায়েম করার স্বৈরতান্ত্রিক অপচেষ্টা । ভবন গুলিতে গণনাট্য সংঘের প্রদর্শন ‘নিষিদ্ধ’ করেছে । কিন্তু শিল্পী-সংস্কৃতি কর্মীরা এরই মধ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন সুস্হ সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস সংগ্রাম । এই সংগ্রামই আজকের বিশাল সভা-জমায়েতের অনুপ্ররণার কাজ করেছে ।
    চলচিত্র পরিচালক তরুন মজুমদার ‘গেরুয়া’ ও ‘নীল-সাদা’ রং-রাজনীতির আড়ালে সাম্প্রদায়িক উস্কানী ও গনতন্ত্র ধ্বংস করার জন্য দূর্ণীতিগ্রস্হ  বিজেপি ও তৃণমূল উভয় কে তীব্র আক্রমন করে মেহেনতী মানুষের স্বার্থে বামফ্রন্ট বামফ্রন্ট প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরী কে জয়ী করার আহ্বান জানান । বক্তব্য রাখেন অন্যান্য শিল্পীরাও । অভিনেতা বিমল চক্রবর্তী বলেন যে ‘উন্নয়ন’-এর জয়গান না গাইলে শিল্পীদেরও  চোখ রাঙ্গাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল । এই প্রসঙ্গে তিনি ভবিষ্যৎের ভূত ছায়াছবির প্রদর্শনী বন্ধের কথা উল্ল্যেখ করেন । অভিনেতা দেবজিত ঘোষ দূর্ণীতিগ্রস্হ সরকারের প্রধানের ‘সততার প্রতীক’ বিসর্জনের কথা উল্ল্যেখ করেন । গান পরিবেশন করেন পুরবী মুখার্জী ও শুভপ্রসাদ নন্দীমজুমদার । কবি শংখ ঘোষের কবিতা আবৃতি করেন বাচিক শিল্পী শমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় । নাটক পরিবেশন করেন অভিনেতা সঞ্জয় বিশ্বাস ও অরিজিত গাঙ্গুলী । এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কৌতুক অভিনেতা উৎপল ঘোষ ও দুর্গাপুর( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চন্ডিদাস বাজারে অনুষ্ঠান চলছে । আশিষ মার্কেটে ও চন্ডিদাস বাজার – উভয় জায়গায় অনুষ্ঠানের সূচনায় বাবাসাহেব আম্বেদকারে জন্মদিবসে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হয় । পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন দুর্গাপুর( পূর্ব ) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।
এদিকে আজ সকালে বামফ্রন্ট প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরী কে জয়ী করার আহ্বান জানিয়ে জে.সি.বোস ঝুপড়ি থেকে একটি বিশাল মিছিল ভাবা রোড পুকুরঘাট পর্যন্ত যায় । মিছিলের নেতৃত্ব দেন সন্তোষ দেবরায়,সুবীর সেনগুপ্ত,স্বপন ব্যানার্জী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ।






















Saturday, 13 April 2019

বিজেপি অথবা তৃণমূল তাদের আগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভুলেও মুখে আনছে না : মীণাক্ষী মুখার্জী ।




দুর্গাপুর,১৩ই এপ্রিল : আজ সন্ধ্যায় ইস্পাতনগরীতে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সি.পি.আই.(এম) প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরীর সমর্থনে জন সভায় একথা বলেন ডি.ওয়াই.এফ.আই এর রাজ্য সভানেত্রী মীণাক্ষী মুখার্জী । তিনি অভিযোগ করেন বিজেপি অথবা তৃণমূল কোটি কোটি বেকারের চাকুরী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল । কিন্তু গত পাঁচ বছরে নতুন চাকুরীর বদলে রেকর্ড সংখ্যক বেকার সৃষ্টি করেছে । এই তথ্য তারা গোপন করার চেষ্টা করেছে । কর্পোরেটের কাছে টিকি বাধা রয়েছে উভয় দলের । তাই উভয় দল রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্র কে ধ্বংস করছে । শশ্মানে পরিনত করার দিকে ঠেলে দিয়েছে দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চল কে ।চাষীরা দেনার মধ্যে ডুবে গেছেন ,আত্মহত্যা করছেন। অন্যদিকে মোদি সরকার বদান্যতায় কর্পোরেটেরা রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের লক্ষ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে । বামপন্হীদের লড়াই এর জন্য সম্ভব হয়েছিল দুর্গাপুর ইস্পাত ও ইস্কোর আধুনিকীকরন সম্ভব হয়েছিল । সম্ভব হয়েছিল রেগার কাজ । বাজপেয়ী সরকারের আমলে প্রায় ধ্বংস দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চল কে রক্ষা করেছিল তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার । আজও লাল ঝাণ্ডার লড়াই এর জন্যই টিকে আছে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট থেকে কয়লা খনি অঞ্চল । এই সব জনবিরোধী নীতি আড়াল করতে  বিজেপি ও তৃণমূল গনতন্ত্র ধংসের নীতি ও সাম্প্রদায়িকতার নীতি নিয়েছে । তাই জনগনের স্বার্থ রক্ষা করতে  উভয় দল কে পরাস্ত করে সংসদে বামপন্হীদের সংখ্যবৃদ্ধি করতে হবে । এই লক্ষ্যে তিনি সি.পি.আই.(এম) প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরী কে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানান ।
ইস্পাতনগরীর শিবাজী রোড ও উইলিয়াম কেরী মোড়ে দুটি পৃথক সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন । এছাড়াও বক্তব্য রেখেছেন জীবন আইচ,ললিত মিশ্র ও ডি.ওয়াই.এফ.আই এর রাজ্য কমিটির সদস্য মনোজ মুখার্জী ।













Friday, 12 April 2019

বিবিধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইস্পাতনগরীতে পালিত হল ৩১-তম জাতীয় পথ নাটক দিবস ।




দুর্গাপুর,১২ই এপ্রিল : আজ সন্ধ্যায় সেইল সমবায় আবাসনে কবিগুরু (২য় স্টপেজে ) অঞ্চলের মুক্ত মঞ্চে পালিত হল ৩১-তম জাতীয় পথ নাটক দিবস । ভারতীয় গণনাট্য সংঘ ( ইস্পাত শাখা, দুর্গাপুর),পঃ বঙ্গ গনতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘ ( দুর্গাপুর ইস্পাত ২ অঞ্চল কমিটি ),আদিবাসি ও লোক শিল্পী সংঘ,লহরী ও শিল্পায়ন গোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে মৃত্যুঞ্জয়ী নাট্যকার শহিদ সাফদর হাসমির ৬৫-তম জন্মদিবসে উপলক্ষ্যে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । অনুষ্ঠানের সুচনায় শহিদ সাফদর হাসমির জীবন ও নাট্য আন্দোলনে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন নাট্যকার শুভেন্দু ব্যানার্জী । পথনাটক প্রদর্শন করেন শিল্পায়ন ও লহরী শিল্পী গোষ্ঠী । শ্রুতি নাটক পরিবেশন করেন ভারতীয় গণনাট্য সংঘ ( ইস্পাত শাখা, দুর্গাপুর) । এছাড়াও পরিবেশিত হয় আবৃতি ও গান । জনাকীর্ণ এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট শিল্পী এবং দুর্গাপুর ( পূর্ব )-এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় ।







Tuesday, 9 April 2019

আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সি.পি.আই.(এম) প্রার্থী গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জীর উপর তৃণমূলের প্রানঘাতী হামলা : প্রতিবাদে ইস্পাতনগরীতে বিশাল মিছিল ।




দুর্গাপুর,৯ই এপ্রিল : আজ সন্ধ্যায়, বারাবনির মদনপুর গ্রামে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্ট মনোনীত সি.পি.আই.(এম) প্রার্থী এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদী)-র পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্পাদক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জীর উপর তৃণমূলের প্রানঘাতী হামলার প্রতিবাদে ইস্পাতনগরীতে বিশাল মিছিল হল । দুর্গাপুর ইস্পাত ২ নির্বাচনী কমিটির আহ্বানে বি-জোন মেইন্টেন্যান্স এর সামনে থেকে এই মিছিল বেড়িয়ে বি-জোনের বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে বি.টি.রণদিভে ভবনের সামনে মিছিল শেষ হয় । মিছিলের নেতৃত্ব দেন সুবীর সেনগুপ্ত , বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,  স্বপন ব্যানার্জী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।






Monday, 8 April 2019

আমাদের লোক – সি.পি.আই.(এম) প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরীর প্রচার পর্বেই বিপুল জনসমর্থনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে ।




দুর্গাপুর,৮ই এপ্রিল : তিন সপ্তাহ বাদে ভোট গ্রহন হবে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের । এরই মধ্যে প্রচারের ঝড় তুলেছেন বামফ্রন্ট মনোনীত সি.পি.আই.(এম) এর প্রার্থী তরুন তুর্কী আভাস রায়চৌধুরী । আজ সকাল থেকে ইস্পাতনগরী , সংলগ্ন গ্রামাঞ্চল ও বস্তি অঞ্চল চষে বেড়ালেন আভাস রায়চৌধুরী । সাথে ছিলেন এক বিশাল কর্মী বাহিনী সহ দুর্গাপুর(পূর্ব) এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় । ধামসা-মাদল-খোল-করতাল নিয়ে বাজাতে বাজাতে আদিবাসী লোক সংস্কৃতি মঞ্চের শিল্পীবৃন্দ ছিলেন সাথে । সকালে প্রচার শুরু হয় কৃষক সংগ্রামের পীঠস্হান বিজড়া গ্রাম থেকে । তারপর একে একে পদযাত্রা যায় শোভাপুর,মহুয়াবাগান,হাজরা পাড়ায় । শেষ হয় উইলিয়াম কেরী মোড়ে । বিকালে পদযাত্রা যায় সংলগ্ন ধোবিঘাট-মধুপল্লী-রঘুনাথপুরে । এছাড়াও যায় ইস্পাতনগরীর পাওয়ার হাউস-হেল্থ সেন্টার-তালতলা-ট্রাঙ্ক রোড বস্তিতে । সব জায়গায় মিলেছে উষ্ণ অভ্যর্থনা । গভীর সংকটে ইস্পাতনগরী  সংলগ্ন গ্রামাঞ্চল । সংস্কারের অভাবে চাষের জল যোগাতে পারছে না বক্সীর বাঁধ ।দুর্গাপুর ইস্পাতে কাজে যুক্ত ছিলেন এরকম ৩৫০০ ঠিকা শ্রমিক কে তৃণমূল ২০১১ সালে রাজনৈতিক কারনে উচ্ছেদ করে । এদের একটা বড় অংশই বাস করেন  সংলগ্ন গ্রামাঞ্চল ও বস্তি অঞ্চলে । একই কারনে তৃণমূল বিজড়া গ্রাম,শোভাপুর,মহুয়াবাগান ও হাজরা পাড়ায় বহু সংখক শ্রমিককে উচ্ছেদ করেছে আই-কিউ সিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ থেকে । এই শ্রমিকদের বড় অংশই ছিলেন বামফ্রন্ট সরকারের সহায়তায় বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা আই-কিউ সিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের জমিদাতা । উচ্ছেদ হয়েছে মনেট কারখানায় । অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্হান নেই ।মোদি ও মমতা দুই সরকারের আমলে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে শিল্পের মড়ক লেগেছে । ইতিমধ্যে কারখানা বন্ধের ফলে লক্ষাধিক লোক কাজ হারিয়েছে । নতুন শিল্প হওয়ার আশা নেই । তরুনরা দুর্গাপুর ছেড়ে যাচ্ছেন । অথচ এক কালে কাজের আশায় মানুষ দুর্গাপুরে আসতেন । বিপদাপন্ন দুর্গাপুরের প্রান ভোমরা রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্প । এই সবের ধাক্কায় বিশেষ  বিপদাপন্ন সংলগ্ন গ্রামাঞ্চল ও বস্তি অঞ্চলের মানুষ  । মানুষের মুখে মুখে ফিরছে দুর্গাপুর এখন ‘দুর্দশাপুর’ । কিন্তু এর মধ্যেই ফুলে ফেঁপে উঠছে স্হানীয় তৃণমূল নেতারা । গ্রামের মানুষ জানালেন যে এই অবস্হায় কোন বেসরকারী কাজের জন্য বেকারদের কাছে ত্রিশ হাজার থেকে দুলক্ষ টাকার সেলামী আদায় করে নেতাদের গলায় ‘মোষের দড়ি’-র মত মোটা সোনার চেন ঝুলছে । বিভিন্ন ভাতার টাকা মিলছে না । মিলছে না  রেশন কার্ড । আধুনিক মহাজন বিভিন্ন মাইক্রো-ফিনান্স  সংস্হার অবর্ণনীয় শোষনের শিকার হচ্ছেন গরীব মানুষ । ৮০% থেকে ১৫০% চড়া সুদ গুনে দিতে হচ্ছে এই সব সংস্হা কে যাদের মালিকদের এক বড় অংশই তৃণমূল অথবা বিজেপি-র ঘনিষ্ঠ । শিল্প বাঁচাতে,দুর্গাপুর বাঁচাতে লড়ছে লাল ঝাণ্ডা । নিরব তৃণমূল অথবা বিজেপি । অ্যালয় স্টিল বাঁচাতে সংসদে বাম সাংসদরা সোচ্চার হলেও নিরব তৃণমূলের সাংসদ থেকে মুখ্যমন্ত্রী । অথচ এখন মেতেছেন ‘ছদ্ম-প্রতিদ্বন্ধীতায়’। আজ ইস্পাতনগরীর বিভিন্ন প্রান্তে অনেকগুলি জনাকীর্ণ সভায় এই অভিযোগ করে আভাস রায়চৌধুরী বলেন যে তৃণমূল ও বিজেপি হল  জনবিরোধী দুই-মুখো দানবের দুই মুখ । এদের পরাস্ত করে সংসদে বামপন্হীদের শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে শিল্প বাঁচাতে,দুর্গাপুর বাঁচাতে । দুপুরে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সি.পি.আই.(এম) এর প্রার্থী আভাস রায়চৌধুরীর সমর্থনে প্রতিবন্ধীদের সভায় তিনি জানান যে সি.পি.আই.(এম) এর নির্বাচনী ইস্তাহারে স্পষ্টভাবেই প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রয়োজনীয় আইন-প্রনোয়ন ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দায়বদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার কথা বলা হয়ছে । তিনি এই দায়িত্ব সম্পূর্ন  করার জন্য দায়বদ্ধ থাকবেন । কর্মসূচীগুলিতে উপস্হিত ছিলেন নির্মল ভট্টাচার্য,সুবীর সেনগুপ্ত,বিশ্বরূপ ব্যানার্জী,কাজল চ্যাটার্জী,স্বপন ব্যানার্জী,দিপক ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।