Sunday, 17 November 2019

ইস্পানগরীতে অনুষ্ঠিত হলো শিউলি গাঙ্গুলি স্মৃতি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও অশোক দাস স্মারক বক্তৃতা ।




দুর্গাপুর,১৭ই নভেঃ : আজ ইস্পানগরীর বি.টি.রণদিভে ভবনে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ইস্পাত শাখা ( দুর্গাপুর )-র উদ্যোগে আয়োজিত হলো শিউলি গাঙ্গুলি স্মৃতি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও অশোক দাস স্মারক বক্তৃতা ।
সকালে শিউলি গাঙ্গুলি স্মৃতি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বসে আঁকো-গান-আবৃতি প্রতিযোগিতায় শতাধিক প্রতিযোগি অংশ নেয় ।
সন্ধ্যায়, অশোক দাস স্মারক বক্তৃতায় ,”লোকসঙ্গীতের সুর আজও বহমান”-শীর্ষক আলোচনায় বক্তব্য রাখেন সলিল দাসগুপ্ত ।







শিক্ষা ক্ষেত্র এখন আরও বড় সংকট নেমে এসেছে : ডঃ মালিনী ভট্টাচার্য ।



দুর্গাপুর,১৭ই নভেঃ : আজ দুর্গাপুরের চিত্তব্রত মজুমদার ভবনে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি ( এ.বি.টি.এ )-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা শাখার পক্ষে আয়োজিত ,’শহিদ বিমল দাসগুপ্ত স্মারক বক্তৃতা’-য়,”শিক্ষায় সংকট : পথ কোথায়”-শীর্ষক আলোচনায়  বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নারী আন্দোলনের সর্বভারতীয় নেত্রী : ডঃ মালিনী ভট্টাচার্য । শিক্ষক আন্দোলনের নেতা শহিদ বিমল দাসগুপ্ত  ১৯৭১ কে সালে ১৫ই নভেঃ,সন্ত্রাসের কালো দিনে,দুর্বৃত্তরা জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিল । তাঁর স্মরণে এ.বি.টি.এ –র পক্ষ থেকে প্রতি বছর স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়  । বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডঃ মালিনী ভট্টাচার্য  আরও বলেন যে শিক্ষা ক্ষেত্রে শাসকের হস্তক্ষেপ নতুন ঘটনা নয় । শাসক শ্রেনী সর্বদাই চায় শিক্ষা ব্যবস্হার মাধ্যমে জনগনের মন কে কুক্ষিগত করে রাখতে ও শিক্ষা ব্যবস্হা কে সার্বজনীন না করে সমাজের মুষ্টিমেয় অংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে । আবার প্রচলিত শিক্ষার মধ্য দিয়ে মানুষের চেতনার যে বিকাশ ঘটে তারও গুরুত্ব কম নয় । শিক্ষিত মানুষ যখন জ্ঞানের জগৎ কে আরও প্রসারিত করার জন্য শিক্ষা বিস্তার ঘটাতে চায় ,শাসক শ্রেনী বাধা হয়ে দাঁড়ায় । তবুও এই বাধা কাটিয়ে শিক্ষা ব্যবস্হা আরও বিস্তার ঘটেছে ।দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে মানব সভ্যতা ধর্মনিরপেক্ষ ও বিজ্ঞানভিত্তিক  শিক্ষা ব্যবস্হা অর্জন করেছে । ভারতে ব্রিটিশ আমলে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্হা প্রচলন হলেও,বিদ্যাসাগর সহ অন্যান্য শিক্ষাবিদ ও জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তার ঘটেছিল । স্বাধীন ভারতে অবৈতনিক,সার্বজনীন ও জন শিক্ষার প্রসারের আন্দোলন চলছে । কিন্তু তারমধ্যেই চলছে শিক্ষা বিস্তার রোধ ও শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য শাসককূলের ধারাবাহিক আক্রমন । ৭০’-দশকে পশ্চিমবঙ্গে আধা ফ্যাসিবাদি সন্ত্রাসের দিনে শিক্ষার প্রাঙ্গনে এসেছিল দখলদারির রাজনীতি,শিক্ষা ক্ষেত্র কে কলুষিত করতে এসেছিল গন-টোকাটুকি,শিক্ষক হত্যা ,মূর্তি ভাঙ্গার মত কদর্য ,কলংকিত অধ্যায় । কিন্তু বর্তমান সংকট আরও ভয়ংকর ও সর্বগ্রাসী । একদিকে চলছে টিএমসিপি ও এবিভিপি-র দাপাদাপি ,শিক্ষক ও ছাত্রদের অধিকার হননের জন্য  ’ক্যাম্পাস –কার্ফু’ । অন্যদিকে চলছে শিক্ষার বাণিজ্যিকিকরনের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ও গেরুয়াকরনের জন্য আরএসএস-বিজেপির  আগ্রাসন । যারা শিক্ষাবিদ নয় ,তারা শিক্ষার বিষয়ে নাক গলিয়েছে । কিন্তু আশার আলো হল হল এর বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশে শিক্ষক ও ছাত্ররা প্রতিরোধে নেমেছেন । সম্প্রতি প্রেসিডেন্সী,জেএনইউ এর মত নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনর উদাহরন টেনে , ডঃ মালিনী ভট্টাচার্য  বর্তমান শিক্ষার সংকট কাটাতে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান । এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অর্ধেন্দু মুখার্জি ও অমিতদ্যুতি ঘোষ । সভার শুরুতে শহিদ বিমল দাসগুপ্ত এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ডঃ মালিনী ভট্টাচার্য  সহ শিক্ষক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ।



















Saturday, 16 November 2019

ইস্পাতনগরীতে অনুষ্ঠিত হল কিশোর বাহিনী-র বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব ।




দুর্গাপুর,১৬ই নভেঃ : আজ সন্ধ্যায় ইস্পাতনগরীর রবীন্দ্র ভবনে দুর্গাপুর কিশোর বাহিনী ইস্পাত অঞ্চল সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব । কিশোর বাহিনীর ৭৫-তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি ও বিদ্যাসাগরের ২০০-তম জন্মবার্ষিকি উপলক্ষ্যে বিশেষ ভাবে স্মরণ করা হয় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ,সংগঠনের ইতিহাস এবং ভারতের আধুনিক শিক্ষা ও শিশু-কিশোর পাঠ্য বইয়ের প্রণেতা চিরস্মরণীয় বিদ্যাসগরের ভূমিকার কথা । ইস্পাতনগরী ও সংলগ্ন অঞ্চলের শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা পরিবেশন করেন গান-নাচ-আবৃতি-নাটক-শ্রুতি নাটক । অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন কিশোর বাহিনী-র রাজ্য মুখ্য সংঘটক পীযুষ ধর,পশ্চিম বর্ধমানের মুখ্য সংগঠক প্রবোধ মন্ডল,নিরঞ্জন পাল,কালি শংকর ব্যানার্জী,দুর্গাপুর ( পূর্ব)-এর বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় প্রমুখ ।






Friday, 15 November 2019

শহিদ বিমল দাসগুপ্তের স্মরণ সভা ।




দুর্গাপুর,১৫ই নভেঃ : আজ দুর্গাপুর কলেজের সামনে  এস.এফ.আই-ডি.ওয়াই.এফ.আই এর দুর্গাপুর পূর্ব ৩ আঞ্চলিক কমিটির পক্ষ থেকে  শহিদ বিমল দাসগুপ্তের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হোল। ১৫ই নভেঃ,১৯৭১ সালে সন্ত্রাসের কালো দিনে অন্ধকারের জীবেরা,বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে শিক্ষক বিমল দাসগুপ্ত কে পেট্রোল ঢেলে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেয় । তৃণমূলের আমলে সেই অন্ধকারের জীবেরা আবার জেগে উঠেছে । ২০১৭ সালে ‘উন্নয়ন’-এর নামে দুর্গাপুর কলেজ মোড়ে ১৯৮০-র দশকে তৈরি শহিদ বিমল দাসগুপ্তের শহিদ বেদি এডিডিএ এর থেকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় । কিন্তু শহিদ বিমল দাসগুপ্তের স্মৃতি কে ভুলিয়ে দিতে পারে নি তৃণমূল । কলেজের সামনে এস.এফ.আই-ডি.ওয়াই.এফ.আই এর পক্ষ থেকে শহিদ বিমল দাসগুপ্তের স্মরণ সভা তার জ্বলন্ত প্রমান। আজ স্মরণ সভার শুরুতে শহিদ বিমল দাসগুপ্তের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন ডি.ওয়াই.এফ.আই এর পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভানেত্রী অনামিকা সরকার, এস.এফ.আই-র পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভানেত্রী অন্তরা ঘোষ ,সৌমেন কিস্কু,প্রাক্তন যুবনেতা ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদি)-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য পঙ্কজ রায় সরকার প্রমূখ । সভায় বক্তব্য রাখেন অনামিকা সরকার, অন্তরা ঘোষ ও সৌমেন কিস্কু । বক্তারা ৭০’ এর দশকে শিক্ষা ক্ষেত্রে কালো দিন গুলির সাথে বর্তমান সময়ের তুলনা টেনে বলেন যে বর্তমান সময়ে শিক্ষার উপরে আক্রমন আর ভয়ংকর ও সর্বগ্রাসী । রাজ্যে তৃণমূল সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে ভয়ংকর নৈরাজ্য ডেকে এনেছে । অন্যদিকে কেন্দ্রের মোদি সরকার গেরুয়াকরন করছে । উভয় সরকার সাধারন মানুষের শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিতে শিক্ষার চূড়ান্ত বাণিজ্যিকরন করছে । এর বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে ছাত্র-যুব সমাজ কে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।



Thursday, 14 November 2019

উপ ডাকঘর বন্ধ করে দেওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে : প্রতিবাদে গ্রাহক-উপভোক্তাদের বিক্ষোভ ।




দুর্গাপুর,১৪ই নভেঃ : দুর্গাপুরে উপ ডাকঘর বন্ধ করে দেওয়ার খবরে গ্রাহক-উপভোক্তা,বিশেষতঃ বয়স্ক,অবসরপ্রাপ্ত,মহিলা ও অসুস্হদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে । গত সপ্তাহে বিশ্বকর্ম্মা নগর(এম.এ.এম.সি) উপ-ডাকঘর বন্ধ করে দেওয়ার খবর ছড়ালে গ্রাহক- উপভোক্তারা বিক্ষোভ দেখান ।
   আজ শ্যামপুর সংলগ্ন রবীন্দ্রপল্লী উপ ডাকঘরে গ্রাহক- উপভোক্তারা বিক্ষোভ দেখান । উপ ডাকঘরের পোষ্ট মাস্টারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে গ্রাহক- উপভোক্তারা। তাদের পক্ষে সুধাংসু মজুমদার ও কৃষ্ণপদ হালদার অভিযোগ করেছেন যে এই ডাকঘরে বছরে ১ কোটি টাকার বেশী লেনদেন হয় । কিন্তু এই ডাকঘর কে দুর্গাপুর মুখ্য ডাকঘরের সাথে সংযুক্তকরন করা হলে তিন শতাধিক গ্রাহক-উপভোক্তা বিপদে পড়বেন । কার এদের বড় অংশ বয়স্ক,অবসরপ্রাপ্ত,মহিলা ও অসুস্হ । যদি উপ ডাকঘরের স্হানান্তর হয়,তাহলে এম.আই.এস এর সুদ ও পেনশনের টাকা তুলতে বহু দুরে গ্যামন ব্রিজের কাছে দুর্গাপুর মুখ্য ডাকঘরে যেতে হবে ।
      ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদি )-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য পঙ্কজ রায় সরকার  উপ-ডাকঘর বন্ধ করার জন্য এই ধরনের প্রয়াস কে মোদি সরকারে সরকারী ক্ষেত্র কে সংকুচিত করার চক্রান্তের অংশ বলে বর্ণনা করে এই প্রয়াসের তীব্র নিন্দা করেছেন । একই সাথে তিনি জানিয়েছেন যে  গ্রাহক-উপভোক্তাদের এই রকম হয়রানি বন্ধ ও  দুর্গাপুরের ১৭টি উপ-ডাকঘরই চালু রাখার দাবিতে পার্টির পক্ষ থেকে  দুর্গাপুর মুখ্য ডাকঘর বিক্ষোভ সংগঠিত করা হবে ।





Wednesday, 13 November 2019

ভারতীয় সমাজজীবনে এন.আর.সি প্রয়োগ যুক্তিসঙ্গত নয় : প্রকাশ্য বিতর্ক সভায় উঠে এল অভিমত




দুর্গাপুর,১৩ই নভেঃ : আজ ইস্পাতনগরীর ব্যস্ততম আশিস মার্কেটে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদি)-র দুর্গপুর ইস্পাত ৩ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ প্রকাশ্য বিতর্ক সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এই অভিমতের সাথে একমত হয়ে পরিস্কার জানিয়ে দিলেন,” নো এন.আর.সি” - বাংলায় কোন ভাবেই এন.আর.সি চালু করা যাবে । সভার মতের বিরুদ্ধের বক্তারা যখন বিতর্কের ধূম্রজাল তৈরি করে বোঝাবার চেষ্টা করেন যে তথাকথিত ‘অনুপ্রবেশকারী’-দের চিহ্নিত করার জন্য এন.আর.সি চালু করা যথাযথ পদক্ষেপ তখন সভায় পক্ষের বক্তারা শানিত যুক্তি দিয়ে বিরোধী বক্তব্য কে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে প্রশ্ন তোলেন যে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ মোদি সরকার সাধারন নাগরিকদের উপর নাগরিকত্ব প্রমানের দায়িত্ব কেন চাপিয়ে দিতে চাইছে ? যখন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমান হাজির করতে পারছেন না,রাফায়েল বিমান খরিদের কাগজপত্র সরকারের হেফাজতের থেকে ‘নিঁখোজ’ হয়ে যায়,তখন কোটি কোটি সাধারন মানুষ কি ভাবে পূর্বপুরুষের জন্মের কাগজপত্র দেখাতে পারবেন ? এই ধরনের কাগজ-সর্বস্ব নাগরিকত্ব ধারনা ভারতীয় সংবিধানের  পরিপন্হি । আসামের নাগরিকপঞ্জীর কাজ শুরুর পেছনে আসাম-চুক্তির ভূমিকা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গ সহ অবশিষ্ট ভারতে এর প্রয়োগের কোন সাংবিধানিক সারবত্তা নেই । আসলে দেশের গোল্লায় যাওয়া অর্থনীতিতে ভয়ংকরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত সাধারন মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে মোদি সরকার সুকৌশলে ধর্মীয় ভাবাবেগ ব্যবহার করার লক্ষ্যে এনআরসি কে নিয়ে আতঙ্ক তৈরি করতে চাইছে । বিচারক মন্ডলীর পক্ষ থেকে বলতে গিয়ে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ( মার্কসবাদি)-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি বলেন যে আরএসএস এনআরসি কে কেন্দ্র করে জাতিগত বিভেদও তৈরি করতে চাইছে  আর বিজেপি সুকৌশলে এই নীতির প্রয়োগের জন্য আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ কে বেছে নিয়েছে । এক্ষেত্রে রাজ্যের তৃণমূল সরকারও দোসরের ভূমিকা পালন করছে । আসামের নাগরিকপঞ্জীর কাজ শুরু হলে ,প্রামান্য নথিপত্রের জন্য প্রায় লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়ে । কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার মাত্র আট হাজার জনের নথি পাঠিয়ে প্রমান করেছে যে সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কোন সদিচ্ছা নেই । লাল ঝাণ্ডার নেতৃত্বে এনআরসি চক্রান্ত রুখতে মানুষ কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান এছাড়াও বিচারক মন্ডলীর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সন্তোষ দেবরায় ও পঙ্কজ রায় সরকার । সঞ্চালনা করেন নির্মল ভট্টাচার্য । 








Thursday, 7 November 2019

ইস্পাতনগরীতে পালিত হল মহান নভেম্বর বিপ্লব বার্ষিকি ।




দুর্গাপুর,৭ই নভেঃ : আজ সকাল থেকে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ইস্পাতনগরীতে পালিত হল মহান নভেম্বর বিপ্লবের ১০২-তম বার্ষিকি । এই উপলক্ষ্যে পার্টি দফ্তর ও ইউনিয়ন অফিসগুলি সেজে উঠেছে রক্তপতাকায়। সকালে রক্তপতাকা উত্তোলিত হয় বি.টি.রণদিভে ভবন,চিত্তব্রত মজুমদার ভবন,তিলক রোডে ইউনিয়ন দফ্তর সহ অন্যান্য দফ্তর ও শহীদ বেদীতে। মূল অনুষ্ঠান হয় আশিস-জব্বার ভবনে । রক্তপতাকা উত্তোলন করেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদি)-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য সন্তোষ দেবরায় । উপস্হিত ছিলেন নির্মল ভট্টাচার্য,বিশ্বরূপ ব্যানার্জি,কাজল চ্যাটার্জি,দিপক ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।