Sunday, 13 April 2014

জনবিরোধী কং – বিজেপি অপাঙ্গতেয় , তৃণমূলের ৩৪ মাসের “পরিবর্তনের চুপকথায় “ ঢাকা যাচ্ছে না দগদগে ঘা , ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরের মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে ।

দুর্গাপুর , ১৩ই এপ্রিল : জন-বিরোধী কং-বিজেপির কার্যকলাপ সম্পর্কে  ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরের অভিজ্ঞতা নতুন কিছু নয় । বিগত শতাব্দীর ৬০’এর দশক থেকে কংগ্রেসের এই জনবিরোধী স্বরূপ ইস্পাতনগরী দুর্গাপুর প্রত্যক্ষ করেছে । শহীদ আশীষ –জব্বরের স্মৃতি আজও অমলিন । কুখ্যাত সিদ্ধার্থশংকর রায়ের কালো জামানার ইস্পাতনগরীর পথে পথে শহীদদের মৃত্যুবরন চিরকালীন লোককথায় পরিনত হয়েছে । ৯০’এর দশকে কংগ্রেসের আমদানী করা নয়া উদারনীতিবাদের চোটে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল রুগ্ন হতে বসেছিল ।এনডিএ-বাজপেয়ী জমানায় অনুসৃত কংগ্রেসের সৃষ্ট নয়া উদারনীতিবাদ দুর্গাপুরের টুঁটি চেপে ধরে । বন্ধ হয়ে যায় এমএমসি-এফসিআইর মত রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্হাগুলি । রুগ্ন হতে শুরু করেছিল দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা – মিশ্র ইস্পাত কারখানা । উল্লেখ্য,নরসীমা রাও সরকার ও বাজপেয়ী সরকার – উভয়েরই মন্ত্রী ছিলেন পঃ বঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী । ইতিহাস বলে দুর্গাপুরের সেই সর্বনাশের দিনে , মিথ্যে স্তোকবাক্য ছাড়া তৃণমূল নেত্রীর কাছে থেকে আর কিছুই পাওয়া যায় নি । এনডিএ জমানার সেই কালো দিনে দুর্গাপুরের পাশে দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার । নতুন করে দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলকে জীবনদান করে বামফ্রন্ট সরকার । বেসরকারী ক্ষুদ্র ইস্পাত শিল্প ও অনুসারি বিভিন্ন শিল্প সহ বিভিন্ন শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা জোগায় । গড়ে ওঠে এডুকেশনাল হাব্ । প্রতিষ্ঠা হয় ইঞ্জীনিয়ারিং কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । সফটওয়ার শিল্পের বিশ্ব মানচিত্রে যুক্ত হয় দুর্গাপুর । শুরু হয় হেলথ্ সিটি ও এয়ারোট্রোপলিসের মত বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার কাজ ।
    কিন্তু ‘পরিবর্তন’-এর জমানায় ইস্পাতনগরীতে নেমে এসেছে হতাশার ঘন অন্ধকার । মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ছাড়া , কি পেলাম এই ৩৪ মাসে ? এই প্রশ্ন , আজ ইস্পাতনগরীর বাসিন্দাদের মুখে মুখে ঘুরছে । গত ৩৪ মাস ইস্পাতনগরী প্রত্যক্ষ করেছে প্রত্যক্ষ পুলিশি মদতে শাসক তৃণমূলের জল্লাদবাহিনীর একটানা সন্ত্রাস । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ৩৫০০ ঠিকাশ্রমিককে কাজের জায়গা থেকে উচ্ছেদ করা হয় সিআইটিইউ-এর সদস্য হওয়ার অপরাধে । সিপিআইএম-এর নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপর চলেছে লাগাতার হিংস্র শারীরিক আক্রমন ও হুমকী । ভাঙ্গচূর করা হয়েছে  শহীদ আশীষ –জব্বার ভবন সহ বিভিন্ন সেক্টার অফিস এবং হিন্দুস্হান স্টিল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের দফ্তর বিটি রণদিভে ভবন । অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়ছে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সহ সাধারন বামপন্হী কর্মীদের । হামলার হাত থেকে রেহাই পায় নি মহিলা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ , সাংবাদিক এমন কি নির্বিরোধী সাধারন মানুষ । বেআইনীভাবে  দখল করেছে পিপলস কো-অপাঃ ব্যাঙ্ক , কনজিউমার কো-অপাঃ । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় চলছে স্হায়ী শ্রমিকদের হটিয়ে ঠিকাদারদের লাভবান করার জন্য কি কারনে তৃণমূলী নেতাদের “ অভিযান “ চলছে , তা বুঝে নিতে কষ্ট হচ্ছে না ইস্পাত শ্রমিকদের । ভয়ে কাঁটা  মহিলারা  সন্ধ্যা নামার আগেই বাড়ীমুখো হচ্ছেন । এমনকি দিনের বেলাতে , ছাত্রীদের অভিভাবকদের সাথে নিয়ে বেড়োতে হচ্ছে ! পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠছে অসমাজিক কার্যকলাপের ‘ ঠেক ‘ । দুষ্কৃতিবাহিনী বেআইনীভাবে দখল করেছে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার অসংখ্য কোয়ার্টার , দখল করেছে ইস্পাতনগরীর প্রাচীনতম স্টীলমার্কেট পোষ্ট-অফিসের ঐতিহ্যমন্ডিত পুরনো বাড়ী । সমস্ত ইস্পাতনগরী জুড়ে বহু মুল্যবান গাছ কেটে নিয়েছে দুষ্কৃতিবাহিনী । শিবাজী রোডের ফুলবাগান কি এই তালিকায় নবতম সংযোজন হতে চলেছে ? ভবিষ্যৎই তার উত্তর দেবে ।
না । বিগত ৩৪ মাসের  পরিবর্তনের জমানার ‘ কালোকথার ‘ শেষ  হতে এখনও বাকী আছে । নতুন কোন শিল্প আসেনি , নতুন করে আসার কোন সম্ভাবনা অতি-উৎসাহীরাও শোনাতে পারছেন না । ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ১১টি কারখানা । বন্ধ হওয়ার আশংকায় দিন গুনছে আরও অনেকগুলি । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় আধুনিকীকরনের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১২ সালে । কিন্তু ২০১৪ সালে এসেও সেই কাজ শেষ হয় নি । কবে শেষ হবে , তা ভবিষ্যৎই বলবে । শ্রমিকরা কাজ হারাচ্ছেন । বেকার যুবকদের ম্লান মুখ পাড়ার মোড়ে ভীঁড় বাড়িয়ে চলেছে অথবা কাজের আশায় অন্যত্র পাড়ি জমাচ্ছে ।
 হতাশার এই অন্ধকারে একমাত্র রূপালী ঝলক সেই  লাল ঝান্ডা যা ইস্পাতনগরীর স্বত্তায় ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ৬০’এর দশক থেকে । ইস্পাতনগরীর মানুষের মন থেকে যে লালঝান্ডকে মোঁছা যাবে না , তা বুঝতে পেরেই তৃণমূল সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে । কিন্তু সন্ত্রাসের ৩৪ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরে  সাধারন নির্বাচনের প্রাক্কালে যখন ইস্পাতনগরীর মানুষ প্রশ্ন করছে কি পেলাম , তখন তৃণমূলীরা পিঠটান দিচ্ছেন । ইস্পাতনগরীর বুকে বাইরে থেকে সমাজবিরোধী আনাগোনা বাড়ছে । ইতিমধ্যে  মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র সহ পুলিশের জালে ধরা পড়েছ  রঘুনাথপুর-মধুপল্লীর মিল্টন দাস নামে জনৈক তৃণমূলের নেতা সহ আরও চারজন কুখ্যাত অপরাধী । অন্যদিকে সন্ত্রাসের মুখে দাঁড়িয়ে অটল সিপিআইএম ও বামপন্হী গনসংগঠনের সদস্যরা বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত  সিপিআইএম  প্রার্থী কমরেড সাইদুল হকের সমর্থনে বাড়ী বাড়ী পৌঁছে গিয়েছেন । পার্টির ডাকে নির্বাচনী-তহবিলে অর্থ-সাহায্যের আবেদনে সারা মিলেছে বিপুল । বর্তমান সাংসদ কমরেড সাইদুল হক বিগত ৫ বৎসরে , দুর্গাপুর ও দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলের অভাব-অভিযোগের কথা নিয়ে যে সংসদে  সোচ্চার ছিলেন , তা পার্লামেন্ট কমিটির দেওয়া হিসেবেই প্রমানিত । আবার , দুর্গাপুরের নিত্যনৈমিত্তিক আন্দোলনের চেনামুখ  সাংসদ কমরেড সাইদুল হক দক্ষতার সাথে সাংসদ তহবিলের অর্থ এলাকার উন্নয়নের কাজে ব্যয় করেছেন একথা নিন্দুকেরাও স্বীকার করছেন । তাই সবমিলিয়ে , কমরেড সাইদুল হকের সমর্থনে নির্বাচনী কর্মসূচীতে  ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরে বুকে জনসমর্থনের ঢল নামছে ।
  আজ সকালে , ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর জোনাল ১এ কমিটির আহ্বানে বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত  সিপিআইএম  প্রার্থী কমরেড সাইদুল হকের সমর্থনে এক বিশাল পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় । সিটি সেন্টার সংলগ্ন সেইল সমবায় আবাসনের মৌলনা আজাদ থেকে এই পদযাত্রা শুরু হয়ে কবিগুরু – ভগৎ সিং মোড় – চণ্ডীদাস – চণ্ডীদাস বাজার হয়ে শেষ হয় মহিষ্কাপুর এভিন্যুতে ।আদিবাসী লোকশিল্পীদের ধামস-মাদলে উত্তাল সবধরনের মানুষের এই  মিছিলে উল্ল্যখযোগ্য সংখ্যায় উপস্হিত ছিলেন মহিলা – ঠিকা শ্রমিক ও যুবরা । মিছিলে উপস্হিত ছিলেন কমঃ অজিত মুখার্জী , সন্তোষ দেবরায় , আল্পনা চৌধুরী ,সুবীর সেনগুপ্ত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।































Saturday, 12 April 2014

ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরে স্মরনে-শপথে পালিত হোল মৃত্যুঞ্জয়ী সফদার হাসমির ৬০-তম জন্মদিবস ।

দুর্গাপুর , ১২ই এপ্রিল : আজ , ইস্পাতনগরীর বি’জোনের বি টি আর ভবনে , ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ইস্পাত শাখার উদ্যোগে পালিত হোল মৃত্যুঞ্জয়ী সফদার হাসমির ৬০-তম জন্মদিবস । পালন করা হয় পথ-নাটক দিবস । এই উপলক্ষ্যে , গান পরিবেশন করে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ইস্পাত শাখা । আবৃতি করেন বাচিক-শিল্পী শ্রী শ্যামল ব্যানার্জী ও “আমরা জেগে আছি “ নাটকটি অভিনিত হয় । অভিনয় করেন শ্রী সুজিত চৌধুরী , নয়না সাহা ও শংকর ঘোষ । বক্তব্য রাখেন শ্রী অশোক দাস । সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শ্রী আশীষতরু চক্রবর্তী ।


      

Wednesday, 9 April 2014

সক্রিয় সাংসদ ও দুর্গাপুরের কাছের মানুষ , বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী কমঃ সাইদুল হকের সমর্থনে পদযাত্রা ও পথসভায় ইস্পাতনগরী ও সংলগ্ন অঞ্চলে মানুষের ঢল ।

দুর্গাপুর , ৯ই এপ্রিল : মাঠে – ময়দানের লড়াইয়ে নিত্যসঙ্গী সাংসদ কমঃ  সাইদুল হক দুর্গাপুরে কোন অপরিচিত মুখ নয় । ছোটখাটো সদা হাস্যময় সাংসদ কমঃ শেখ সাইদুল হক ইতিমধ্যই দক্ষ সাংসদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন । পরিবর্তের জমানায়  তৃণমূল সরকারের আমলে যখন দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চল ধুঁকছে ,তখন সংসদে প্রবলভাবে সোচ্চার হয়েছেন কমঃ সাইদুল হক । দুর্গাপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্হ রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্পের বিষয়ে যখন রাজ্য সরকার মৌণীব্রত পালন করছে । এমএমসির পুনরুজ্জীবনের প্রয়াস স্তদ্ধ । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় আধুনিকীকরন বাধাপ্রাপ্ত । এ্যালয় স্টীল প্ল্যান্ট ও ডিভিসির অবস্হা তথৈবচ । রাজ্য সরকারে উদাসীনতা ও কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতায় যখন দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলের নাভিশ্বাস উঠছে , তখন তৃণমূলী দুষ্কৃতিদের নেতৃত্বে চলেছে সন্ত্রাস ,  শ্রমিক উচ্ছেদ , তোলাবাজি , ধর্ষন , এমনকি সাংবাদিক নিগ্রহ ।হাজার হাজার শ্রমিক হয় কাজের জায়গা থেকে উছ্ছেদ হচ্ছেন অথবা কারখানা বন্ধ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছেন । নতুন কোন কারখানা আসেনি । এই অরাজকতার বিরুদ্ধে আন্দোনরত দুর্গাপুরের পাশে দাঁড়িয়ে কমঃ সাইদুল হক যে সক্রিয়তা সাংসদ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন , তা দুর্গাপুরের মানুষের মুখে ঘুরছে ।

     আজ সকালে, ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১বি জোনাল কমিটির উদ্যোগে  পদযাত্রা শুরু হয় ইস্পাতনগরী সংলগ্ন ধোবীঘাট অঞ্চলে । সেখানে কমঃ সাইদুল হক , সুশান্ত ব্যান্যার্জী , নির্মল ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে পা মেলালেন অগনিত মহিলা , যুবক-যুবতী , কর্মহীন শ্রমিকরা । বিকেলে , পদযাত্রা  রঘুনাথপুর থেকে শুরু হয়ে মধুপল্লী হয়ে কমলাইতলায়  যায় । সন্ধ্যায়,ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র দুর্গাপুর ১এ জোনাল কমিটির উদ্যোগে  সিটি সেন্টারের সেইল কোঃ অপঃ এর কবিগুরু , ভগৎ সিং মোড় ও চণ্ডীদাস রোডে বিশাল পথসভা হয় , মসজিদ-এ-মিল্লাতে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে ব্যপক সমাগম হয় এবং শেষে  বিশাল আকারের মিছিল চণ্ডীদাস বাজার পরিক্রমা করে । ছিলেন  কমঃ সাইদুল হক , সন্তোষ দেবরায় , সুবীর সেনগুপ্ত  সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।  

                  















Monday, 7 April 2014

বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী কমঃ শেখ সাইদুল হকের সমর্থনে ইস্পাতনগরীতে বিশাল মিছিল ।

দুর্গাপুর , ৭ই এপ্রিল : আজ , ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী )-র ১বি জোনাল কমিটির ডাকে , বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা  কেন্দ্রে বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী কমঃ শেখ সাইদুল হকের সমর্থনে ইস্পাতনগরীর এ’জোনে এক  বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হল । ১৫০০ মানুষের এই মিছিল আকবর রোড থেকে শুরু হয়ে অরবিন্দ এভিন্যু – মীরাবাঈ রোড – বিবেকানন্দ রোড – তুলসীদাস রোড – সেন্ট্রাল এভিন্যু ঘুরে শেষ হয় আকবর- তুলসীদাস  সেক্টর অফিসে । প্রসংগত , পরিবর্তনের জমানায় এই অঞ্চলটিতে বসবাসকারী  পার্টিসদস্য-সমর্থক ও আকবর- তুলসীদাস  সেক্টর অফিসে বারংবার হামলা চালিয়েছে তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা ।আজ , কমঃ শেখ সাইদুল হকের মনোনয়নপত্র পেশের দিনে  ব্যাপকসংখ্যক মহিলা ও যুবদের উপস্হিতিতে   এই সুবিশাল মিছিল মানুষের মধ্যে উৎসাহের  সঞ্চার করেছে










 

Saturday, 5 April 2014

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে শ্রমিকশ্রেনীকে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানালেন কমঃ অমল হালদার ।

দুর্গাপুর , ৫ই এপ্রিল : আজ , দুর্গাপুরে ডিটিপিএস টাউনশীপের ওয়েলফেয়ার সেন্টারে , সিআইটিইউ – এআইটিইউসি – ইউটিইউসির পক্ষ থেকে ডিভিসি-র শ্রমিকদের উপস্হিতিতে “ বর্তমান পরিস্হিতে শ্রমিকশ্রেনীর দায়িত্ব ও কর্তব্য “ শীর্ষক আলোচনাসভায় ,  বক্তব্য রাখেন ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি ( মার্কসবাদী ) –র বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক কমঃ অমল হালদার । তিনি বলেন কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ যে জনবিরোধী  নয়া উদার অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে চলেছে , তার ফলে ভারতের শ্রমিকশ্রেনীকে ভয়ংকর পরিস্হিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে । কর্মহীনতা – ছাঁটাই – অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি – বেকারিত্ব – স্বল্পবেতন যা এই নীতির ফলাফল । অন্যদিকে , বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর অকল্পনীয় মুনাফাবৃদ্ধি আর লাগামহীন দূর্ণীতি দেশের অর্থনীতিকে ছিবড়ে করে দিচ্ছে । অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক বিজেপিও শ্রমিকশ্রেনী এবং জনবিরোধী নয়া উদারনীতির কট্টর সমর্থক শুধু নয় , এই নীতিকে আরও জোরালো ভাবে লাগু করার জন্য  জনগনের প্রতিরোধকে দুর্বল করার জন্য সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্প ছড়াতে চাইছে । তিনি , মমতা ব্যানার্জী ও তৃণমূলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন যে মুখে শ্রমিক-দরদের কথা বলে , নয়া অর্থনৈতিক নীতির প্রতিটি পদক্ষেপকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন অবস্হায় সমর্থন করেছে । এমনকি , সাম্প্রতিক কালে ইউপিএ সরকারের আনা শ্রমিকবিরোধী ব্যাঙ্ক - বিমা-পেনশন বিলে বিজেপির সাথে একযোগে সমর্থন জানিয়ে সংসদে ভোট দিয়েছে । পঃ বঙ্গে তৃণমূলের নেতৃত্বে  সন্ত্রাসের রাজত্বে হাজার হাজর শ্রমিক কাজ থেকে উচ্ছেদ হয়েছে , বহু কারখানা বন্ধ হয়ছে বা হওয়ার মুখে , নতুন শিল্প হচ্ছে না । অন্যদিকে , বামপন্হীরা ধারাবাহিকভাবে শ্রমিক-বিরোধী নয়া অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে , সংসদের বাইরে ও ভেতরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং শ্রমিক ও জনস্বার্থবাহী বিকল্প নীতি তুলে ধরে কেন্দ্রে কং-বিজেপির বিকল্প সরকার গঠনে অগ্রসর হয়েছে । এই পরিস্হিতে , শ্রমিক বিরোধী কং-বিজেপি – তৃণমূলকে পরাস্ত করে কেন্দ্রে বাম – গনতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ বিকল্প সরকার গঠনের লক্ষ্যে বামফ্রন্ট প্রার্থীদের বিপুল সংখ্যায় জয়ী করার জন্য , আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে শ্রমিকশ্রেনীকে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানালেন কমঃ অমল হালদার ।আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন কমঃ জীবন আইচ ।






নারী-লাঞ্ছনার প্রতিবাদ করে রক্তাত হলেন সাংবাদিকরা ।

দুর্গাপুর , ২রা এপ্রিল : আজ , ইস্পাতনগরীর প্রান্তিকা বাসস্ট্যান্ডে নারী-লাঞ্ছনার প্রতিবাদ করে রক্তাত হলেন সাংবাদিকরা । ঘটনায় প্রকাশ যে স্হানীয়  টিভি চ্যানেলের জনৈক  সংবাদপাঠিকা  যখন মিনিবাসে উঠছিলেন , লক্ষ্য করেন যে  ঐ বাসের এক কর্মী মোবাইলে তাঁর ছবি তুলছে । তিনি প্রতিবাদ করলে , তাঁর প্রতি অশোভন আচরন করা হয় । এই খবর পেয়ে ,কয়েকজন  সাংবাদিক ঘটনাস্হলে  আসেন । তখন , কয়েকজন বাসকর্মী সাংবাদিকদের উপর  আক্রমন চালায় , বেধরক মারধোর করে ।  রক্তাত অবস্হায় , দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে , জখম সাংবাদিক ও চিত্র – গ্রাহক শ্রী দেবাশীষ পান্ডা , অর্পন চ্যাটার্জী ও বিপ্লব দাস কে ভর্তি করা হয় । চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে শ্রী দেবাশীষ পান্ডার নাঁকের হার ভেঙ্গেছে । পরে , পুলিশ অভিযুক্ত দুই বাসকর্মী দীপক দাস ও ডালিম খাঁ কে গ্রেফ্তার করে । খোদ  প্রান্তিকা পুলিশ ফাড়ির নাকের ডগায় মহিলা লাঞ্ছনা ও সাংবাদিক-নিগ্রহের ঘটনায় দুর্গাপুরবাসী বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে আতংক সৃষ্টি হয়েছে ।